‘বর্ষা’ এখন অতীত, স্ত্রীকে ডিভোর্স দেওয়ার আগেই প্রেমে মজলেন পর্দার ‘বুবলাই’
এই মুহূর্তে ‘চিরসখা’ ধারাবাহিকে যে ব্যক্তিটি এতদিন ধরে মায়ের বিরুদ্ধে কথা বলার জন্য দর্শকদের চক্ষুশুল হয়ে ছিল, সেই বুবলাই এখন নিজের ভুল বুঝতে পেরেছে।
এই মুহূর্তে ‘চিরসখা’ ধারাবাহিকে যে ব্যক্তিটি এতদিন ধরে মায়ের বিরুদ্ধে কথা বলার জন্য দর্শকদের চক্ষুশুল হয়ে ছিল, সেই বুবলাই এখন নিজের ভুল বুঝতে পেরেছে। নতুন কাকুর বিরুদ্ধে বর্ষা যখন মারাত্মক অভিযোগ আনে, তখন অনেকেই ভেবেছিল হয়তো এবারও বুবলাই বর্ষার হয়ে কথা বলবে কিন্তু প্রথমে স্ত্রীর হয়ে কথা বললেও পরবর্তীকালে নিজের ভুল বুঝতে পারে সে।

যখনি বুবলাই বুঝতে পারে বর্ষা স্বতন্ত্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে ঠিক তখনই বর্ষাকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বুবলাই। চিরকালের জন্য স্ত্রীকে ডিভোর্স দিতে চায় সে, যদিও নিজের ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়ে স্বামীর কাছে ফিরে আসতে চেয়েছিল বর্ষা কিন্তু শ্বশুরবাড়ির কেউই তাকে আর বাড়িতে রাখতে রাজি হয়নি।
আরও পড়ুন: মেয়েদের চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন করতেই মার খেতে হল অঙ্কুশকে, বাঁচাতে পারবে ঐন্দ্রিলা?
বর্ষা এবং বুবলাইয়ের মধ্যে যখন দূরত্ব তৈরি হয়েছে, শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে যখন বাপের বাড়িতে চলে গিয়েছে বর্ষা ঠিক তখনই অন্য একজনের প্রেমে পড়ে বাবলাই ওরফে বিভান ঘোষ। না, এটা কিন্তু ‘চিরসখা’ ধারাবাহিকের গল্পের মধ্যে পড়ছে না, বরং বাস্তবেই একজনের প্রেমে পড়েছে বিভান।
সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ছবি পোস্ট করে অভিনেতা লেখেন, ‘আমার নতুন গার্লফ্রেন্ড।’ যদিও ছবিটি দেখে হেসে লুটোপুটি খায় নেট দুনিয়ার বাসিন্দারা। কেন? আসলে অভিনেতার নতুন গার্লফ্রেন্ড কিন্তু কোন মেয়ে নয়, বরং একটি কঙ্কাল। বুঝতেই পারছেন এই পোস্ট নিতান্তই মজার ছলে করেছেন অভিনেতা।
অভিনেতা একদিকে যেমন মজার ছলে পোস্ট করেছেন তেমন অন্যদিকে কমেন্ট বক্সেও ভরে গিয়েছে মজার মজার কমেন্টে। একজন লিখেছেন, ‘এত সুন্দর দেখতে তোমার গার্লফ্রেন্ডকে যে চোখ সরানো যাচ্ছে না।’ অন্য একজন লিখছেন, ‘বর্ষাকে তাড়াতে এই ভরসা।’ তৃতীয় একজন লিখেছেন, ‘আমারও লাস্টে এটাই মনে হয় কপালে আছে।’ অন্য একজন লিখেছেন, ‘বিয়েতে কিন্তু নিমন্ত্রণ চাই।’
আরও পড়ুন: মেসির সঙ্গে দেখা করতে কলকাতায় আসছেন শাহরুখ, নিজেই জানালেন সে কথা
বুঝতেই পারছেন অভিনেতার এই হাস্যরসে সামিল হয়েছেন সকলে। মাঝে মাঝে এমন মজার মজার পোস্ট দেখতে বেশ মন্দ লাগে না। তবে এই মুহূর্তে ধারাবাহিকে বুবলাই থেকে ট্র্যাক সরে গিয়ে কমলিনীর মেজো ছেলের দিকে গিয়েছে, যে কিনা এখন বাড়ির কাউকে না বলে যখন তখন বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। অনেকেই সন্দেহ করছে, মিটিল এবং বাবিলের মধ্যে যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে সেই দূরত্ব থেকেই আগমন হবে নতুন একটি চরিত্রের।












