Rishav Basu: 'আসল ধুরন্ধর তো মুখ্যমন্ত্রী!' শুভেন্দুকে নিয়ে সিনেমা বানাতে চান ঋষভ?
Rishav Basu: ২০২৬ বিধানসভা ভোটে বিজেপির কাছে বিপুল ভোটে হেরে গিয়েছে তৃণমূল। টানা ১৫ বছর পশ্চিমবঙ্গে শাসন করার পর বিদায় নিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তার জায়গায় পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।
Rishav Basu: ২০২৬ বিধানসভা ভোটে বিজেপির কাছে বিপুল ভোটে হেরে গিয়েছে তৃণমূল। টানা ১৫ বছর পশ্চিমবঙ্গে শাসন করার পর বিদায় নিয়েছে তৃণমূল, তার জায়গায় এসেছে বিজেপি। পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নবান্নতে পদার্পণ করেই ছক্কা হাঁকিয়েছেন তিনি। একদিকে যেমন পুরনো প্রকল্প বজায় থাকবে তেমন অন্যদিকে আসবে নতুন একগুচ্ছ প্রকল্প। শুভেন্দুর ঘোষনায় খুশি পশ্চিমবঙ্গবাসী।

তবে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার এই পথ নেহাত সহজ ছিল না। ভবানীপুর এবং নন্দীগ্রাম এই দুই জায়গাতেই যেভাবে তিনি বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন, তাতে বেশ বোঝাই যাচ্ছে শুভেন্দু অধিকারীর জনপ্রিয়তা কতটা। এবার শুভেন্দু অধিকারীর রাজনৈতিক কেরিয়ারকে সিনেমার চিত্রনাট্যের সঙ্গে তুলনা করলেন অভিনেতা ঋষভ বসু। এমনকি নতুন মুখ্যমন্ত্রীকে ‘ধুরন্ধর’ বলতেও দ্বিধাবোধ করলেন না তিনি।
আরও পড়ুন: মোদির গ্যারান্টি-তেই আস্থা রাখছেন জিৎ, নতুন সরকারের থেকে কী কী আশা করছেন তিনি?
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটালকে দেওয়া সাক্ষাৎকার শুভেন্দু নিয়ে প্রশ্ন করায় ঋষভ বলেন, ‘আমরা দেখেছি ধুরন্ধর সিনেমায় কিভাবে রণবীর পাকিস্তানের গ্যাংস্টারের দলে ঢুকে সেখানকার রাজা হয়ে ওঠে। ঠিক তেমনি এক্ষেত্রেও শুভেন্দু অধিকারী যেভাবে তৃণমূলের হাত ধরে নিজের রাজনৈতিক কেরিয়ার শুরু করলেন এবং পরবর্তীকালে বিজেপিতে গিয়ে নিজের জায়গা শক্ত করলেন আর আজ তিনি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী পদে বসলেন সেটা সত্যি অবিস্মরণীয়।’
অভিনেতা বলেন, ‘শুভেন্দু অধিকারীর রাজনৈতিক সফর যে কোনও চিত্রনাট্যকে হার মানিয়ে দেবে। একজন নেতা থেকে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হয়ে ওঠার ওঁর যে জার্নি সেটা আমাকে মুগ্ধ করেছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে কোনও দলকেই সাপোর্ট করি না। কিন্তু আমি এটা বলতে পারি আমি যদি কোনওদিন প্রযোজক হই তাহলে অবশ্যই এই বিষয়টা নিয়ে একটা সিনেমা তৈরি করবই।’
আরও পড়ুন: সরে দাঁড়ালেন সহকারী কোষাধ্যক্ষ পদ থেকে, কেন আচমকা এই সিদ্ধান্ত নিলেন দিগন্ত বাগচী?
তবে নতুন সরকারের কাছে ঋষভের একটাই দাবি, বিগত কিছু বছরে যেভাবে ইন্ডাস্ট্রির মানুষেরা রাজনীতির প্রভাবে প্রভাবিত হয়েছিলেন সেটা যেন আগামী দিনে না হয়। বহু অভিনেতা-অভিনেত্রীরা এতদিন কাজ পাননি। বহু সিনেমার মুক্তি আটকে দেওয়া হয়, সেই সমস্ত ঘটনা যেন আর দ্বিতীয়বার না ঘটে এমনটাই চান অভিনেতা। নতুন সরকারের কাছে তিনি একটাই দাবি করেন যাতে আগামী দিনে রাজনীতিমুক্ত ইন্ডাস্ট্রি গড়ে তুলতে পারে সকলে।
E-Paper

