Diganta Bagchi: সরে দাঁড়ালেন সহকারী কোষাধ্যক্ষ পদ থেকে, কেন আচমকা এই সিদ্ধান্ত নিলেন দিগন্ত বাগচী?

Diganta Bagchi: আর্টিস্ট ফোরামের সহকারী কোষাধ্যক্ষ পদ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলেন অভিনেতা দিগন্ত বাগচী। জানা গিয়েছে, গত শনিবার এই ইস্তফা পত্র তিনি জমা দিয়েছেন ফোরামে। সেটা গ্রহণ করা হয় আজ। 

Published on: May 10, 2026, 19:00:26 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Diganta Bagchi: আর্টিস্ট ফোরামের সহকারী কোষাধ্যক্ষ পদ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলেন অভিনেতা দিগন্ত বাগচী। জানা গিয়েছে, গত শনিবার এই ইস্তফা পত্র তিনি জমা দিয়েছেন ফোরামে। সেটা গ্রহণ করা হয় আজ। প্রতিমাসের দ্বিতীয় রবিবারের মতো এই মাসেও ১০ মে বৈঠক বসে টেকনিশিয়ান স্টুডিওয়ে, সেখানেই দিগন্তর ইস্তফা পত্র গ্রহণ করা হয়।

সহকারী কোষাধ্যক্ষ পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন দিগন্ত বাগচী
সহকারী কোষাধ্যক্ষ পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন দিগন্ত বাগচী

এদিন টেকনিশিয়ান স্টুডিওর বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রঞ্জিত মল্লিক, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, চিরঞ্জিত মল্লিক, ভরত কল, শান্তিলাল মুখোপাধ্যায়, চন্দন সেন, দেবদূত ঘোষ, আবির চট্টোপাধ্যায়, বাসক দত্তা চট্টোপাধ্যায় সহ অন্যান্যরা। সকলের উপস্থিতিতেই দিগন্ত বাগচীর ইস্তফা পদ গ্রহণ করা হয়। ইস্তফা পদ গ্রহণ হতেই এই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন দিগন্ত।

আরও পড়ুন: 'যাকে বলা উচিত তাকেই বলতে পারিনি...', মাতৃদিবসে মাকে মনের কথা জানালেন অঙ্কুশ

কী বললেন দিগন্ত?

দিগন্ত সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, এর আগেও তিনি তাঁর ইস্তফা পদ জমা দিয়েছিলেন কিন্তু তখন সেটা গ্রহণ করা হয়নি। চলতি বছর ৮ ফেব্রুয়ারি আর্টিস্ট ফোরামের ইলেকশন হয়। তিনি ইস্তফা পদ জমা দিয়েছিলেন ১৪ ফেব্রুয়ারি। কিন্তু তখন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, রঞ্জিত মল্লিক, চিরঞ্জিত চট্টোপাধ্যায়, শান্তিলাল মুখোপাধ্যায় তাঁকে ইস্তফা দিতে মানা করেন কারণ তখন সবেমাত্র নতুন কমিটি গঠন হয়েছিল।

দিগন্ত জানান, তিনি সকলের অনুরোধ রাখার জন্যই ইস্তফা পদ দেননি। তবে গত শনিবার রাতে দিগন্তের মনে হয়েছে, কারও কিছু বলার আগেই তিনি সরে যাবেন কমিটি থেকে। তবে দিগন্ত কিছু না জানালেও কিছু প্রশ্ন সকলের মনেই উঠে আসছে। আচমকা এই ইস্তফা দেওয়ার পেছনে কারণ কি? তাহলে কি কোনও রাজনৈতিক চাপের কারণেই তিনি সরে এলেন?

আরও পড়ুন: মাকে ছাড়া প্রথম মাতৃদিবস! মাদার্স ডে- তে মন খারাপ সুদীপ্তার

এই প্রসঙ্গে দিগন্ত জানান, ‘কোনওরকম চাপের কারণে তিনি সরে আসেননি। অনেকেই আমার নামে অনেক মিথ্যা অপবাদ দিয়েছেন। আমি কাউকেই হুমকি দিইনি। নিজের বিবেকের কাছে পরিষ্কার থাকার জন্যই এই পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমি। কারও যদি আমার বিরুদ্ধে কিছু প্রমাণ থাকে তাহলে সেটা দিক আমি মেনে নেব।’

যদিও দিগন্তের এই হুমকি দেওয়ার প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে চিরঞ্জিত জানান, ‘এমন কোনও অভিযোগ নেই ওঁর বিরুদ্ধে। কেউ সংগঠনকে তেমন কিছু জানাননি। ভরতের বিরুদ্ধেও তেমন কেউ কিছু বলেনি। ফলে এই বিষয়টির সত্যতা নিয়ে আমরা যথেষ্ট সন্দেহ প্রকাশ করছি।’