বিগত ১ সপ্তাহ ধরে কার্যত উত্তাল গোটা দেশ। আর এর পিছনে রয়েছে তরুণ প্রজন্ম। শিক্ষায় দুর্নিতীর অভিযোগ তুলে তাঁরা আজ পথে নেমেছে। এতদিন যেই জেন জি-কে শুনতে হত ‘অলস’, ‘দায়িত্বহীন’-এর মতো কথা, তাঁরাই আজ সমাজ সংস্কারের পথে। ককরোচ জনতা পার্টির ডাকা শিক্ষামন্ত্রীকে সরানোর ডাকে সাড়া দিয়েছে লাখ লাখ মানুষ। প্রতিবাদ আজ শুধু আটকে নেই দিল্লিতে, বরং সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। এমনকী, বহু তারকারাও এসে দাঁড়িয়েছেন তরুণ প্রজন্মের পাশে।

তবে তারকারা শিকার হচ্ছেন কটাক্ষেরও। বর্তমান সরকারের সময় হওয়া দুর্নীতি বা কোনো নেতা-মন্ত্রীর বিরুদ্ধে মুখ খোলায় ভেসে আসছে ‘দেশদ্রোহী’ তকমা। এমনকী কটাক্ষের থেকে বাদ যাননি অরিজিৎ সিং-ও। এবার এই একইরকম আক্রমণের মুখে বাঙালি অভিনেত্রী ঋতাভরী চক্রবর্তীও। ঋতাভরী সোশ্যাল মিডিয়া স্টোরির মাধ্যমে জানালেন বেশ কয়েকদিন ধরেই তাঁকে ‘দেশদ্রোহী’ কটাক্ষ করে বার্তা আসছে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে।
ঋতাভরী লিখেছেন, ‘পোস্ট আর রি শেয়ার করা স্টোরির কারণে আমাকে ক্রমাগত 'দেশদ্রোহী,' 'দেশ ছেড়ে বেরিয়া যাও' বলা হচ্ছে।’ শুধু তাই নয়, ঋতাভরী তাঁর ইনস্টার ম্যাসেজবক্স শেয়ার করে দেখিয়েছেন যে তিনি পোস্ট করে ব্যাপারটা সমনে আনার পরও তাঁর কাছে বার্তা এসেছে, ‘এই বিক্ষোভের বিশ্লেষণ আপনি ভুল করেছেন, আপনাকে দেশদ্রোহী বলা তাই ভুল কিছু না।’
এটির স্ক্রিনশট শেয়ার করে অভিনেত্রী লিখলেন, ‘৬ দিনে এই নিয়ে ১৯জনকে ব্লক করলাম। বেরিয়ে যাও আর কখনো আসবে না আমার পরিসরে।’
প্রসঙ্গত, ছাত্র আন্দোলনকে সমর্থন করায় অরিজিৎ সিং-এর কাছেও বার্তা আসে, ‘আমি এতদিন আপনার গান পছন্দ করতাম। কিন্তু এখন আপনাকে মন থেকে ঘেন্না করি’। যার জবাবে অরিজিৎ লেখেন, ‘আপনি আমার প্লে লিস্ট মুছে দিন। আমার যে কোনো অস্তিত্ব আছে সেটাও ভুলে যান। কিন্তু আমি আমার মতামত কারও কথায় বদলাব না।’ এমনকী, সোনাক্ষী সিনহাও ইনস্টায় ভিডিয়োবার্তায় জানিয়েছেন তাঁর ইনবক্স ভরে গিয়েছে ‘দেশদ্রোহী’ তকমাতে।
{{/usCountry}}প্রসঙ্গত, ছাত্র আন্দোলনকে সমর্থন করায় অরিজিৎ সিং-এর কাছেও বার্তা আসে, ‘আমি এতদিন আপনার গান পছন্দ করতাম। কিন্তু এখন আপনাকে মন থেকে ঘেন্না করি’। যার জবাবে অরিজিৎ লেখেন, ‘আপনি আমার প্লে লিস্ট মুছে দিন। আমার যে কোনো অস্তিত্ব আছে সেটাও ভুলে যান। কিন্তু আমি আমার মতামত কারও কথায় বদলাব না।’ এমনকী, সোনাক্ষী সিনহাও ইনস্টায় ভিডিয়োবার্তায় জানিয়েছেন তাঁর ইনবক্স ভরে গিয়েছে ‘দেশদ্রোহী’ তকমাতে।
{{/usCountry}}আপাতত ককরোচ জনতা পার্টি নিজেদের বিক্ষোভের সিদ্ধান্তে অনড়। তাঁরা স্পষ্ট করেছে যে, সরকার যতদিন না তাঁদের দাবি মানবে তাঁরা যন্তর মন্তর থেকে উঠবে না। একইভাবে সোনম ওয়াংচুক এখনো চালিয়ে যাচ্ছেন অনশন। চাত্রদের উপর হওয়া লাঠিচার্জের পর বিচারপতিরাও একজোটে প্রতিবাদ চালাচ্ছেন। এমনকী, আন্না হাজারেও সামিল হয়েছেন বিক্ষোভে। ফলে নিঃসন্দেহেই কেন্দ্রীয় সরকারের উপর চাপ বাড়ছে।