অভিনেতা-অভিনেত্রীদের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ডাকা হয়। এমনকী, তারকারা বিভিন্ন মাচা শো-তেও করেন অংশগ্রহণ। আর সেখানে গিযে গান গাওয়া, সিনেমার বিখ্যাত ডায়লগ বলতেও শোনা যায়। আর কখনো কখনো সেইগুলো নিয়ে ট্রোলের মুখোমুখিও পড়তে হয় তাঁদের।

এবার যেমন Hsjএকটি ভিডিয়ো এসেছে সামনে, যেখানে দেখা যায় স্টিল রঙের চুরিদার ও কালো রঙের ওড়নায় মঞ্চে অভিনেত্রী। গাইছেন ‘চুরা লিয়া হে’। সঙ্গে নাচতেও দেখা যায় তাঁকে। আর সেই ভিডিয়ো একটি মিউজিক পেজ থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করতেই ট্রোল শুরু।
ঋতুপর্ণার ভাইরাল হওয়া ভিডিয়োতে একজন মন্তব্য করলেন, ‘অনেকদিন পর এত মন খুলে হাসলাম। আনন্দ দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। তবে নেক্সট টাইম আর এমন করবেন না।’ আরেকটি কমেন্টে লেখা হয়, ‘আমি ছোটবেলা এই গানটা খুব গাইতাম। বিশ্বাস করুন আপনার থেকে তো ভালোই গাইতাম।’ আরেকটি মন্তব্য পড়ে, ‘কোনো মানে হয়, এক দিদি থেকে মুক্তি পেয়ে হয়নি, এ আবার কোথা থেকে এসে জুটেছে’। আরেকজন লিখলেন, ‘ঋতুপর্ণার কি টাকার অভাব এতটাই হয়েছে যে আজ আমাদেরকে এটাও দেখতে হচ্ছে...’!
প্রসঙ্গত, বিগত সময়ে একাধিকবার ট্রোলের মুখে পড়তে হয়েছে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তকে। কদিন আগেই গাঢ় বেগুনি রঙের আঁটসোটো পোশাক পরে একটি পার্টিতে পৌঁছেছিলেন অভিনেত্রী। স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল পোশাকের ফিটিংস নিয়ে বেশ অস্বস্তিতে তিনি। এমনকী শ্বাস নিতেও কষ্ট হচ্ছিল। আর সেই ভিডিয়ো সামনে আসতেই ট্রোল শুরু হয় নেটপাড়ায়।
ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তকে নিয়ে ট্রোল মূলত শুরু হয়েছিল আরজি কর আন্দোলনের সময়। সোশ্যাল মিডিয়ায় শাঁখ বাজানোর একটি ভিডিও পোস্ট করায় ট্রোলের মুখে পড়েছিলেন অভিনেত্রী। তিনি আসল শাঁখ না বাজিয়ে তিনি অভিনয় করেছিলেন। পরবর্তীতে আরজি কর আন্দোলনের প্রতিবাদে রাতদখলে সামিল হতে তিনি সরাসরি শ্যামবাজারে প্রতিবাদ মিছিলে যোগ দিতে গেলে সাধারণ মানুষের তীব্র বিক্ষোভ ও ‘গো ব্যাক’ স্লোগানের শিকার হন এবং তাঁর গাড়িতেও ভাঙচুর চালানো হয়।
যদিও ঋতুপর্ণা একাধিক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছে যে, ট্রোলে কান দিতে পছন্দ করেন না কখনোই। বরং, এমন বহু মানুষ রয়েছে যারা তাঁর কাজ ভালোবাসে, ইতিবাচক মন্তব্য করে, সেগুলিকেই ফোকাসে রাখতে চান।