...
...
Next Story

'একমাত্র মীর এই নামটা জানে', ভালোবেসে সুদীপ্তাকে কী বলে ডাকতেন ঋতুপর্ণ?

৩০ আগস্ট চিরকালের জন্য না ফেরার দেশে চলে গিয়েছিলেন ঋতুপর্ণ ঘোষ। আজ যদি তিনি বেঁচে থাকতেন তাহলে বাংলা ইন্ডাস্ট্রি পেত আরও অনেক এমন ছবি যা সমৃদ্ধ করে তুলত বাংলা ইন্ডাস্ট্রিকে। ঋতুপর্ণ ঘোষের হাত ধরেই জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিলেন সুদীপ্তা চক্রবর্তী।

Published on: Aug 31, 2026, 18:01:40 IST
Advertisement

৩০ মে চিরকালের জন্য না ফেরার দেশে চলে গিয়েছিলেন ঋতুপর্ণ ঘোষ। আজ যদি তিনি বেঁচে থাকতেন তাহলে বাংলা ইন্ডাস্ট্রি পেত আরও অনেক এমন ছবি যা সমৃদ্ধ করে তুলত বাংলা ইন্ডাস্ট্রিকে। ঋতুপর্ণ ঘোষের হাত ধরেই জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিলেন সুদীপ্তা চক্রবর্তী।

ভালোবেসে সুদীপ্তাকে কী বলে ডাকতেন ঋতুপর্ণ?
ভালোবেসে সুদীপ্তাকে কী বলে ডাকতেন ঋতুপর্ণ?

ঋতুপর্ণ ঘোষ এমন একজন পরিচালক ছিলেন যার সঙ্গে কাজ করার জন্য মুখিয়ে থাকতেন সকলে। তেমনি ‘বাড়িওয়ালি’ ছবিতে মালতি চরিত্রে অভিনয় করার সুযোগ পেয়েছিলেন সুদীপ্তা চক্রবর্তী। তখন তিনি অনেকটাই ছোট। কিরণ খেরের বাড়ির পরিচারিকার ভূমিকায় অভিনয় করে সকলকে মুগ্ধ করেছিলেন তিনি। পেয়েছিলেন রাষ্ট্রীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।

আরও পড়ুন: মহানায়কের শতজন্মবর্ষে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন প্রধানমন্ত্রীর, স্মরণ করলেন সত্যজিৎ রায়কেও

ঋতুপর্ণ ঘোষের জন্মবার্ষিকীতে সুদীপ্তা শেয়ার করলেন এমন কিছু কথা যা হয়তো এখনও অনেকেই জানতেন না। ঋতুপর্ণ এমন একজন মানুষ ছিলেন যিনি সকলকে যেমন আদর করে কাছে টেনে নিতেন আবার বকাবকিও করতেন আদর করে। তেমনি সুদীপ্তাকে আদর করে একটি ডাকনাম দিয়েছিলেন তিনি।

সম্প্রতি soulconnection_podcast এর পডকাস্ট চলাকালীন ঋতুপর্ণ ঘোষ প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে সুদীপ্তা বলেন, ‘উনি যেমন ভালোবাসতেন তেমন ওঁর রাগটাও ছিল ভীষণ আদরের। এত সুন্দর ওঁর শব্দচয়ণ ছিল যেটা এখন আর শুনতে পাওয়া যায় না। আমাকে ভালোবেসে একটা নাম দিয়েছিল যেটা মীর ছাড়া অন্য কেউ জানে না।’

অভিনেত্রী বলেন, ‘আমাকে ঋতুদা ভালবেসে গুটকে কচুরি বলে ডাকতেন। উনি বলতেন আমার নাক আর মুখটা একেবারে গুটকে কচুরির মতো। এই নামটা মীর যেদিন থেকে জেনেছি সেদিন থেকেই ও আমাকে ওই নামেই ডাকে। আসলে ওর সঙ্গে ঋতুদার আলাপ করিয়ে দিয়েছিলাম আমি।’

সুদীপ্তা বলেন, ‘তখন আমি আর মীর একটি বেসরকারি সংবাদ সংস্থায় কাজ করতাম। সকালের কাজ হয়ে যাওয়ার পর আমি ঋতু দাকে ফোন করে বলি যে মীর তোমার সঙ্গে দেখা করতে চাইছে। আমাদের অফিসের উল্টোদিকেই ছিল ওঁর বাড়ি। আমি ওকে নিয়ে ঋতুদার বাড়ি যাই। ওর সামনেই ঋতুদা আমাকে বলে, কিরে গুটকে কচুরি এত সকালে উঠে লিপস্টিক পরে এসেছিস যে! এই কথা শোনার পর থেকেই মীর আমাকে ওই নামেই ডাকে।’

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe