সামাজিক মাধ্যমে নিজের সোজাসাপ্টা কথা ও রসিক কটাক্ষের জন্য বারবার চর্চায় আসেন অভিনেতা ঋত্বিক চক্রবর্তী। আবারও এক ট্রোলারের হুমকি ও কদর্য আক্রমণের কড়া জবাব দিয়ে নেটপাড়ায় আলোড়ন ফেললেন তিনি। স্বঘোষিত ধর্মগুরু বাগেশ্বর ধামের প্রধান ধীরেন্দ্র কৃষ্ণ শাস্ত্রীকে (বাগেশ্বর বাবা) নিয়ে এক মন্তব্যের জেরে এক নেটিজেন ঋত্বিকের ক্যারিয়ার শেষ করে দেওয়ার হুমকি দিলে, ট্রোলারকে নিয়ে রীতিমতো ‘বিখ্যাত’ করার খেলায় মেতে উঠলেন অভিনেতা।

কেরিয়ার থামিয়ে দেওয়ার হুমকি ও ঋত্বিকের জবাব
সব ঘটনার সূত্রপাত ঋত্বিকের একটি পোস্ট থেকে। বাঙালির মাছ-মাংসকে ‘গন্ধা খানা’ এবং বাঙালিকে ‘ভণ্ড’ বলে দুর্গাপুজোয় মাছ-মাংস নিষিদ্ধ করার কথা জানিয়েছেন বাগেশ্বর বাবা। সেই প্রেক্ষিতে ঋত্বিক ফেসবুকে লিখেছিলেন, ‘বাগাড়ম্বর বাবা-র বাতেলা শুনতে শুনতে হাতে টুনি জ্বালিয়ে যারা হাত তুললো তারা যেন এবার পুজোয় শুধু খৈনি আর গুটখা খায় ( বিশুদ্ধ ভেজ বলে বলছি)’। এর জেরেই জনৈক চিরঞ্জিত দত্ত নামের এক ট্রোলার হুমকি দিয়ে লেখেন, ‘আপনি আগামী দিনে কী সিনেমা করতে পারেন সেটা আমরা দেখব। আর যদি সিনেমা করেনও, সেটা কীভাবে সিনেমা হলে রিলিজ করেন সেটাও দেখব। গেরুয়াকে অপমান করার ফল আপনি সারাজীবন ভুগবেন।’
হুমকির মুখে দমে না গিয়ে চিরঞ্জিতের কমেন্টের স্রেফ এক লাইনে উত্তর দেন ঋত্বিক— ‘চিরঞ্জিত দত্ত ধোব্রাল। এবার বেঁধে রাখুন।’
‘প্রজেক্ট: শুয়োরের গায়ে স্পটলাইট!’
এই অসংবেদনশীল ও হুমকি দেওয়া ট্রোলারের মন্তব্য ও প্রোফাইলের স্ক্রিনশট নিজের ওয়ালে শেয়ার করে এক লম্বা ও শ্লেষাত্মক পোস্টে ট্রোলারকে রীতিমতো তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেন অভিনেতা। তিনি লেখেন, ‘পেয়েছি আর এক মাকালকে! যার গায়ে প্রচারের আলো ফেলা দরকার। ওই ছাগেশ্বর না বালেশ্বরকে বললে এই কৃমিটার খুব গায়ে লাগে! গেরুয়ার ঠেকা নেওয়া এই নির্বোধ আধোঘুমে দেওয়ালা (দেওয়ালি)-র মতো আমায় হুমকি দেয়—আমার কাজ বন্ধ করে দেবে বলে। উনি এতটা অসীম শক্তিশালী হয়ে ওঠার আগেই ওনাকে বিখ্যাত করা আমার দায়িত্ব। সবাই ওনাকে ভালোবাসবেন। এই প্রজেক্টের নাম— ‘শুয়োরের গায়ে স্পটলাইট’!’
{{/usCountry}}এই অসংবেদনশীল ও হুমকি দেওয়া ট্রোলারের মন্তব্য ও প্রোফাইলের স্ক্রিনশট নিজের ওয়ালে শেয়ার করে এক লম্বা ও শ্লেষাত্মক পোস্টে ট্রোলারকে রীতিমতো তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেন অভিনেতা। তিনি লেখেন, ‘পেয়েছি আর এক মাকালকে! যার গায়ে প্রচারের আলো ফেলা দরকার। ওই ছাগেশ্বর না বালেশ্বরকে বললে এই কৃমিটার খুব গায়ে লাগে! গেরুয়ার ঠেকা নেওয়া এই নির্বোধ আধোঘুমে দেওয়ালা (দেওয়ালি)-র মতো আমায় হুমকি দেয়—আমার কাজ বন্ধ করে দেবে বলে। উনি এতটা অসীম শক্তিশালী হয়ে ওঠার আগেই ওনাকে বিখ্যাত করা আমার দায়িত্ব। সবাই ওনাকে ভালোবাসবেন। এই প্রজেক্টের নাম— ‘শুয়োরের গায়ে স্পটলাইট’!’
{{/usCountry}}টালিউডে ঋত্বিক চক্রবর্তীর তীক্ষ্ণ রসবোধ এবং সোজা ব্যাটে ছক্কা হাঁকানোর ক্ষমতা সর্বজনবিদিত। কাজের সুযোগ কেড়ে নেওয়ার ও হুমকির জবাবে অভিনেতার এমন শ্লেষমাখা পাল্টা অ্যাটাক দেখে নেটপাড়ার বড় অংশই তাঁর সাহসী মনোভাব ও উপস্থিত বুদ্ধির প্রশংসায় পঞ্চমুখ।