...
...
Next Story

‘ওই ছাগেস্বর না বালেস্বরকে বললে এই কৃমিটার খুব গায়ে লাগে..’, ট্রোলারকে কড়া জবাব ঋত্বিকের

কেরিয়ার শেষ করে দেওয়ার হুমকি দিল ট্রোলার। সপাট জবাব ঋত্বিকের। মেরুদণ্ড সোজা রেখে সোজা কথা বলতে জানেন তিনি, তা স্পষ্ট করলেন অভিনেতা।

Published on: Sep 8, 2026, 22:00:27 IST
Advertisement

সামাজিক মাধ্যমে নিজের সোজাসাপ্টা কথা ও রসিক কটাক্ষের জন্য বারবার চর্চায় আসেন অভিনেতা ঋত্বিক চক্রবর্তী। আবারও এক ট্রোলারের হুমকি ও কদর্য আক্রমণের কড়া জবাব দিয়ে নেটপাড়ায় আলোড়ন ফেললেন তিনি। স্বঘোষিত ধর্মগুরু বাগেশ্বর ধামের প্রধান ধীরেন্দ্র কৃষ্ণ শাস্ত্রীকে (বাগেশ্বর বাবা) নিয়ে এক মন্তব্যের জেরে এক নেটিজেন ঋত্বিকের ক্যারিয়ার শেষ করে দেওয়ার হুমকি দিলে, ট্রোলারকে নিয়ে রীতিমতো ‘বিখ্যাত’ করার খেলায় মেতে উঠলেন অভিনেতা।

‘ওই ছাগেস্বর না বালেস্বরকে বললে এই কৃমিটার খুব গায়ে লাগে..’, ট্রোলারকে ঋত্বিক
‘ওই ছাগেস্বর না বালেস্বরকে বললে এই কৃমিটার খুব গায়ে লাগে..’, ট্রোলারকে ঋত্বিক

কেরিয়ার থামিয়ে দেওয়ার হুমকি ও ঋত্বিকের জবাব

সব ঘটনার সূত্রপাত ঋত্বিকের একটি পোস্ট থেকে। বাঙালির মাছ-মাংসকে ‘গন্ধা খানা’ এবং বাঙালিকে ‘ভণ্ড’ বলে দুর্গাপুজোয় মাছ-মাংস নিষিদ্ধ করার কথা জানিয়েছেন বাগেশ্বর বাবা। সেই প্রেক্ষিতে ঋত্বিক ফেসবুকে লিখেছিলেন, ‘বাগাড়ম্বর বাবা-র বাতেলা শুনতে শুনতে হাতে টুনি জ্বালিয়ে যারা হাত তুললো তারা যেন এবার পুজোয় শুধু খৈনি আর গুটখা খায় ( বিশুদ্ধ ভেজ বলে বলছি)’। এর জেরেই জনৈক চিরঞ্জিত দত্ত নামের এক ট্রোলার হুমকি দিয়ে লেখেন, ‘আপনি আগামী দিনে কী সিনেমা করতে পারেন সেটা আমরা দেখব। আর যদি সিনেমা করেনও, সেটা কীভাবে সিনেমা হলে রিলিজ করেন সেটাও দেখব। গেরুয়াকে অপমান করার ফল আপনি সারাজীবন ভুগবেন।’

হুমকির মুখে দমে না গিয়ে চিরঞ্জিতের কমেন্টের স্রেফ এক লাইনে উত্তর দেন ঋত্বিক— ‘চিরঞ্জিত দত্ত ধোব্রাল। এবার বেঁধে রাখুন।’

‘প্রজেক্ট: শুয়োরের গায়ে স্পটলাইট!’

টালিউডে ঋত্বিক চক্রবর্তীর তীক্ষ্ণ রসবোধ এবং সোজা ব্যাটে ছক্কা হাঁকানোর ক্ষমতা সর্বজনবিদিত। কাজের সুযোগ কেড়ে নেওয়ার ও হুমকির জবাবে অভিনেতার এমন শ্লেষমাখা পাল্টা অ্যাটাক দেখে নেটপাড়ার বড় অংশই তাঁর সাহসী মনোভাব ও উপস্থিত বুদ্ধির প্রশংসায় পঞ্চমুখ।

 
ABOUT THE AUTHOR
Priyanka Mukherjee

প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks