বাম রাজনীতিতে তরুণ নেতানেত্রীদের মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় হলেন দীপ্সিতা ধর। ছাত্র সংগঠন স্টুডেন্টস ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া (SFI)-এর সর্বভারতীয় যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে জানেন কি, এই ছাত্র রাজনীতি করার সময় প্রেম কড়া নেড়েছিল দীপ্সিতার জীবনে। সম্প্রতি ‘অকপট পডকাস্ট’ শো-তে এসে এই নিয়ে কথাও বলেন।
প্রাক্তন প্রেম নিয়ে ‘লাজুক’ দীপ্সিতা

দীপ্সিতার কাছে জানতে চাওয়া হয়, ছাত্র রাজনীতি করতে গিয়ে কখনো প্রেম হয়েছে? বেশ লাজুক মুখেই সম্মতি দেন। জানান, ‘হয়েছে’। যদিও প্রাক্তন সেই প্রেমিকের নাম বলতে চাননি। বামনেত্রীর কথায়, ‘এখন নামটা বললে সে বেচারা খুব লজ্জায় পড়ে যাবে।’
তবে দীপ্সিতার সেই প্রাক্তন প্রেমিক আর বাম রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নন। পডকাস্টে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, ‘তুমি ছেড়েছে বলে পার্টিই ছেড়ে দিল?’ তাতে দীপ্সিতা জানান, ‘না না পার্টি ওভাবে ছাড়েনি। ও এখনো একজন সমর্থক। তবে এখন নিজের কাজবাজ করে।’
দীপ্সিতা আরও স্পষ্ট করেন যে, ‘আমি এর অনেক আগে ছেড়ে চলে গেছি। ফলে ওকে আটকানোর আমার কাছে কোনো উপায় ছিল না। যদিও আমি ছেড়ে চলে যাওয়ার পরেও বহুদিন এসএফআই করেছে।’ আর এই পুরো সময়টাই বেশ ব্লাশ করতে দেখা গিয়েছে দীপ্সিতাকে।
কবে বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন বাম নেত্রী?
প্রসঙ্গত, ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচন চলাকালীন এক সাক্ষাৎকারে নিজের জীবনে থাকা বিশেষ মানুষটিকে নিয়ে কথা বলেছিলেন দীপ্সিতা। যদিও ভালোবাসারমানুষের নাম বা পরিচয় সামনে আনেননি তিনি। এমনকী, এটাও জানিয়েছিলেন যে, একে-অপরকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিলেও আপাতত বিয়ে করার কোনো পরিকল্পনা তাঁদের নেই। দীপ্সিতার কথায়, ‘এখন আমাদের দুজনেরই ব্যক্তিগত জীবন, কেরিয়ার এসব নিয়ে সেটেলড হতে হবে। আমরা দুজনেই ঠিক করে উঠতে পারিনি আমাদের আগামী ৫টা বছর, ১০টা বছর আমরা কিভাবে কাটাব। সেটা যদি হয়ে যায়, যদি কোথাও দুজনার একটা জায়গায় তালমিলের জায়গায় আসতে পারি তাহলে নিশ্চয়ই…’। এর আগেও দীপ্সিতা স্পষ্ট করেছেন, তিনি যে পরিবারে বড় হয়েছেন, সেখানে সন্তানকে একটা বয়সের পর বিয়ের জন্য কখনো জোর দেওয়া হয় না। তা সে ছেলে সন্তান হোক বা মেয়ে।
দীপ্সিতার রাজনৈতিক কেরিয়ার
{{/usCountry}}প্রসঙ্গত, ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচন চলাকালীন এক সাক্ষাৎকারে নিজের জীবনে থাকা বিশেষ মানুষটিকে নিয়ে কথা বলেছিলেন দীপ্সিতা। যদিও ভালোবাসারমানুষের নাম বা পরিচয় সামনে আনেননি তিনি। এমনকী, এটাও জানিয়েছিলেন যে, একে-অপরকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিলেও আপাতত বিয়ে করার কোনো পরিকল্পনা তাঁদের নেই। দীপ্সিতার কথায়, ‘এখন আমাদের দুজনেরই ব্যক্তিগত জীবন, কেরিয়ার এসব নিয়ে সেটেলড হতে হবে। আমরা দুজনেই ঠিক করে উঠতে পারিনি আমাদের আগামী ৫টা বছর, ১০টা বছর আমরা কিভাবে কাটাব। সেটা যদি হয়ে যায়, যদি কোথাও দুজনার একটা জায়গায় তালমিলের জায়গায় আসতে পারি তাহলে নিশ্চয়ই…’। এর আগেও দীপ্সিতা স্পষ্ট করেছেন, তিনি যে পরিবারে বড় হয়েছেন, সেখানে সন্তানকে একটা বয়সের পর বিয়ের জন্য কখনো জোর দেওয়া হয় না। তা সে ছেলে সন্তান হোক বা মেয়ে।
দীপ্সিতার রাজনৈতিক কেরিয়ার
{{/usCountry}}দীপ্সিতা ধরের রাজনীতিতে আসা মূলত পারিবারিক সূত্র ধরেই। তিনি হাওড়ার ডোমজুড়ের তিনবারের প্রাক্তন সিপিআই(এম) বিধায়ক পদ্মনিধি ধরের নাতনি। তাঁর বাবা পীযূষ ধর সিপিএমের শিশুফ্রন্ট 'কিশোরবাহিনী'র রাজ্য সম্পাদক এবং মা দীপিকা ঠাকুর চক্রবর্তীও পঞ্চায়েত নির্বাচনে বামেদের প্রার্থী হিসেবে লড়াই করেছেন। দীপ্সিতা কলকাতার আশুতোষ কলেজ থেকে তাঁর সক্রিয় ছাত্র রাজনীতির জীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে (JNU) যান। জেএনইউ-তে থাকাকালীন তিনি দিল্লির ছাত্র আন্দোলনে অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকা নেন এবং দেশজুড়ে পরিচিতি লাভ করেন। গত কয়েক বছরে পশ্চিমবঙ্গের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে সিপিআই(এম)-এর টিকিটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন দীপ্সিতা।