কোয়েল মল্লিক সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেন বিজেপিতে। আর তারপরই অভিনেত্রীর উপর পড়েছে ‘দলবদলু’ তকমা। যদিও মাত্র কয়েকমাসই কোয়েল তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বিধানসভা নির্বাচনে দলের হারের পর, তিনি সরে দাঁড়ান। ১৬ জুলাই ২০২৬ সালে রাজ্যসভায় সাংসদের পদ থেকেও দেন ইস্তফা। কোয়েল সোমবার ফের জমা দেন তাঁরই ছেড়ে যাওয়া আসনের জন্য মনোনয়নপত্র। বিজেপি সরকারে ভূয়সী প্রশংসা করেও তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘পশ্চিমবঙ্গে উন্নয়নের জোয়ার চলছে…’!

এদিকে বহু আমজনতা কোয়েলের উপর অখুশি। এমনকী, তাঁকে ও তাঁর বাবা অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিককে নিয়ে মিমে ছয়লাপ চারদিক। যদিও কোয়েল আগেই নিশ্চিত করেছেন যে, এসব নেতিবাচকতাকে তিনি পাত্তা দিতে নারাজ। বরং, তাঁর প্রধান লক্ষ্য এখন মানুষের জন্য কাজ করা।
কোয়েলের বিজেপিতে যোগদানে বরই খুশি অভিনেত্রী ও বিজেপি বিধায়ক রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি মনে করে, ‘ভালো’ পরিবারে বড় হয়ে ওঠা কোয়েল মানুষের জন্য ‘দারুণ’ কাজ করবে।
রূপা গঙ্গোপাধ্যায়কে বলতে শোনা যায়, ‘আমি খুব খুশি। আমি ওকে খুব ভালোবাসি। খুব শিক্ষিত মেয়ে, খুব ভালো পরিবারের মেয়ে। ওর প্রতিপালন ভালো। ও খুব ভালো কাজ করবে।’
এমনকী ‘প্রাক্তন তৃণমূলী’ কোয়েল, এটাও মানতে নারাজ রূপা। বললেন, ‘না না ও তৃণমূলে ছিল না। ওকে জাস্ট বলা হয়েছিল তৃণমূলে যোগ দিতে। ওরা ওকে রাজ্যসভায় নিয়েছিল। ঠিক আছে। নিয়েছিল তো নিয়েছিল। অনেকেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে পছন্দ করে। হয়ত ও করত। মুখ ফুটে বলতে পারছিল না। আজ সবাই প্রকাশ্যে আসছে, বলছে।’
এদিকে বহু বিজেপি সমর্থক সোশ্যাল মিডিয়ায় রব তুলেছেন যে, গোটা পদ্মফুল দলটাই ভরে গিয়েছে তৃণমূলের লোকে। এমনকী একটা কথা খুব রটেছে যে, ‘বিজেপির তৃণমূলীকরণ হয়েছে’। এই নিয়ে প্রশ্নে পালটা সমর্থকদেরই তিরস্কার করলেন রূপা। বললেন, ‘তৃণমূলীকরণ কেন বলছেন। ওরা তো সবাই নিজের ইচ্ছেতেই আসছে। ওদের কে কেউ জোর করে আনছে এমন তো নয়। আমাদের এই সরকারের এত দায়িত্ব নেওয়ার মতো এখন এত লোকের প্রয়োজন। ধীরে ধীরে লোককে খুঁজে কার্যকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়া হবে। সরকারে উপর ভরসা রাখতে হবে তো। পার্টির উপর ভরসা না রাখলে, পার্টি করছেন কেন।’
{{/usCountry}}এদিকে বহু বিজেপি সমর্থক সোশ্যাল মিডিয়ায় রব তুলেছেন যে, গোটা পদ্মফুল দলটাই ভরে গিয়েছে তৃণমূলের লোকে। এমনকী একটা কথা খুব রটেছে যে, ‘বিজেপির তৃণমূলীকরণ হয়েছে’। এই নিয়ে প্রশ্নে পালটা সমর্থকদেরই তিরস্কার করলেন রূপা। বললেন, ‘তৃণমূলীকরণ কেন বলছেন। ওরা তো সবাই নিজের ইচ্ছেতেই আসছে। ওদের কে কেউ জোর করে আনছে এমন তো নয়। আমাদের এই সরকারের এত দায়িত্ব নেওয়ার মতো এখন এত লোকের প্রয়োজন। ধীরে ধীরে লোককে খুঁজে কার্যকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়া হবে। সরকারে উপর ভরসা রাখতে হবে তো। পার্টির উপর ভরসা না রাখলে, পার্টি করছেন কেন।’
{{/usCountry}}