বাংলা সিরিয়াল থেকে ওয়েব সিরিজ-সিনেমা সর্বত্রই পরিচিত মুখ রূপসা চট্টোপাধ্যায়। সামাজিক বিয়ের চার মাসের মাথায় মা হয়েছেন তিনি। আপাতত অভিনেত্রীর ছেলের বয়স দেড় বছর। এরই মাঝে রূপসার কোলে এল তাঁর আরেক সন্তান।

ভাবছেন নিশ্চয়ই এই কদিন আগেও তো পরীণিতা ধারাবাহিক শিরিন-পারুলকে নাকে দড়ি দিয়ে ঘোরানো রূপসা প্রেগন্যান্ট কখন হলেন? আসলে অভিনেত্রী নতুন গাড়ি কিনেছেন। আর সেটিকেই নেটিজেনদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন ‘নতুন বাচ্চা’ হিসেবে। একটি স্টিল রঙের Renult Kwid কিনেছেন রূপসা। নিজেকেই নিজের জন্মদিনে উপহার দিয়েছেন গাড়িটি। সপরিবারে হাজির হয়েছিলেন গাড়ির শোরুমে। একাধিক রিপোর্ট অনুসারে গাড়িটির অনরোড প্রাইজ কলকাতায় ৪.৫৩ লাখ থেকে ৫.৬১ লাখ টাকার আশেপাশে।
রূপসা একদম অল্প বয়সেই পা রেখেছেন বিনোদন জগতে। শুরুটা হয়েছিল নাচ দিয়ে। মাত্র আড়াই বছর বয়স থেকে তিনি নাচ শেখা শুরু করেন। একসময় মমতাশঙ্করের নাচের দলেও কাজ করেছেন। প্রাথমিকভাবে কোরিওগ্রাফার হওয়ার ইচ্ছে থাকলেও, পরবর্তীতে অভিনয়ে পা রাখা।
কেরিয়ারের শুরুর দিকে রূপসা 'অগ্নিপরীক্ষা' এবং পরবর্তীতে জনপ্রিয় গোয়েন্দা ধারাবাহিক 'গোয়েন্দা গিন্নি'-তে অভিনয় করেন। জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক 'ভানুমতীর খেল'-এ নেগেটিভ ক্যারেক্টার 'মোহিনী সরকার' চরিত্রটি তাঁকেরাতারাতি জনপ্রিয় করে তোলে। 'রাধা' (খলনায়িকা হিসেবে), 'ফাগুন বউ', 'আরব্য রজনী', 'কে আপন কে পর' (যেখানে তিনি স্পেশাল ক্রাইম ব্রাঞ্চের একজন পুলিশ অফিসারের পজিটিভ চরিত্রে অভিনয় করেন) এবং সাম্প্রতিক সময়ে 'তুঁতে' ও 'জগদ্ধাত্রী'-র মতো হাই-রেটিং ধারাবাহিকে খলচরিত্রে দুর্দান্ত অভিনয় করেছেন। আর আপাতত তাঁকে দেখা যাচ্ছে পরিণীতা-তে।
এছাড়াও রূপসাকে দেখা গিয়েছে হইচইয়ের তানসেনের তানপুরা ও রুদ্রবীণার অভিশাপ-এ কেন্দ্রীয় চরিত্রে। তবে আপাতত কাজের পাশাপাশি রূপসা কিন্তু জমিয়ে সংসার করছেন। ছেলে ডুগ্গুকে নিয়ে কাটছে দিনের বেশিরভাগ সময়টা।
{{/usCountry}}এছাড়াও রূপসাকে দেখা গিয়েছে হইচইয়ের তানসেনের তানপুরা ও রুদ্রবীণার অভিশাপ-এ কেন্দ্রীয় চরিত্রে। তবে আপাতত কাজের পাশাপাশি রূপসা কিন্তু জমিয়ে সংসার করছেন। ছেলে ডুগ্গুকে নিয়ে কাটছে দিনের বেশিরভাগ সময়টা।
{{/usCountry}}এক বন্ধুর বাড়িতে আয়োজিত একটি পার্টিতে তাঁদের প্রথম দেখা হয় বর সায়নদীপের সঙ্গে। রূপসা এবং সায়নদীপ সরকারের প্রেমকাহিনি বেশ চমৎকার এবং দ্রুত এগিয়েছিল। এক বন্ধুর বাড়িতে আয়োজিত একটি পার্টিতে তাঁদের প্রথম দেখা হয়। প্রথম দেখাতেই (Love at first sight) একে অপরের প্রতি ভালো লাগা তৈরি হয়। তাঁরা মাত্র দেড়-দুই মাস ডেট করার পরেই সিদ্ধান্ত নেন যে তাঁরা একে অপরকেই বিয়ে করবেন। তারপর ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে তাঁরা সেরে ফেলেন আইনি বিয়েটা। এরপর ২০২৪ সালের অক্টোবরে সামাজিক বিয়ে করেন। আর সামাজিক বিয়ের মাসখানেকের মধ্যেই জন্ম হয় ছেলের। ভালো নাম রেখেছেন অগ্নিদেব।