...
...
Next Story

Rupsa Son Duggu: ভয়ের লেশ নেই, সমুদ্রে নেমে হাসি আর ধরে না! দেখুন রূপসা-সায়নদীপ পুত্রের কাণ্ড

সামাজিক বিয়ের মাস তিনেকের মধ্যেই ২০২৪ সালের ৩১ জানুয়ারি রূপসার কোলে আসে ডুগ্গু। বর্তমানে খুদের বয়স হয়েছে আড়াই। মা-বাবার সঙ্গে ঘুরতে গিয়েছে সে গোয়া। দেখুন সমুদ্রে নামতেই কী কাণ্ড করল।

Published on: May 19, 2026, 10:30:33 IST
Advertisement

খুব অল্প বয়সেই মা হয়েছেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রূপসা চট্টোপাধ্যায়। ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে সায়নদীপ সরকারের সঙ্গে সামাজিক বিয়ে সারেন রূপসা। আইনি বিয়ে যদিও হয়েছিল ২০২৩ সালেই। আর সামাজিক বিয়ের মাস তিনেকের মধ্যেই ২০২৪ সালের ৩১ জানুয়ারি কোলে আসে সন্তান। জন্ম থেকেই একেবারে সেলিব্রিটি রূপসা চট্টোপাধ্যায়ের ছেলে অগ্নিদেব। মা-বাবার সঙ্গে লং ড্রাইভ, রেস্তোরাঁ হপিং, বেড়ুবেড়ু চলে সবটাই। এখন যেমন ঘুরতে গিয়েছেন গোয়াতে।

গোয়ায় ছেলে ডুগ্গুকে নিয়ে ছুটি কাটাচ্ছেন রূপসা-সায়নদীপ।
গোয়ায় ছেলে ডুগ্গুকে নিয়ে ছুটি কাটাচ্ছেন রূপসা-সায়নদীপ।

অভিনয়ের পাশাপাশি ডেইলি ভ্লগিং করেন রূপসা। গোয়াতে গিয়েও ট্যুরের দিনলিপি ধরেছেন মুঠোফোনে। আর সেই ভিডিয়ো ছাড়েন সোশ্যাল মিডিয়াতে। সেখানেই দেখা মিলল ডুগ্গুর। সমুদ্রের ঢেউ পায়ে এসে লাগতেই আহ্লাদে আটখানা। ভয়ের লেশমাত্র নেই চোখেমুখে। এমনকী সমুদ্রের পাড়ে বসে সারা গায়ে বালি মাখতে দেখা গেল রূপসা-পুত্রকে।

মা হওয়ার পর হিন্দুস্তান টাইমস বাংলাকে রূপসা বলেছিলেন, ‘দারুণ অনুভূতি। অন্যরকম একটা ফিলিং, এটা কাউকে বলে বোঝাতে পারব না। এতদিন পেটের মধ্যে যে পা দুটো আমাকে লাথি মারছিল সেটা এখন সামনে দেখতে পাচ্ছি। সায়নও খুব খুশি, খুব উত্তেজিত।’ রূপসার স্বামী সায়নদীপ সরকার পেশায় একজন কর্পোরেট কর্মী। বিয়ের ২ বছর আগেই সায়নদীপের সঙ্গে রূপসার আলাপ হয় এবং আলাপের পরই রূপসা ঠিক করে নেন যে তাঁকেই বিয়ে করবেন।

বর-বউ দুজন মিলেই নাম রাখেন একমাত্র ছেলের। অগ্নি নামটা রূপসার বেশ পছন্দের ছিল। পুরো শব্দ, অর্থাৎ ‘অগ্নিদেব’ নামটি পছন্দ ছিল সায়নদীপের। যদিও ছেলের ডাক নাম তাঁরা রেখেছেন ‘ডুগ্গু’, আর রূপসা ভালোবেসে ডাকেন ‘ডগাই’। এক সাক্ষাৎকারে ছেলেকে নিয়ে কথা বলার সময় রূপসা জানিয়েছিলেন, ‘ওকে (ছেলে ডুগ্গুকে) দেখতে হয়েছে আমার মতো। কিন্তু ওর স্বভাব, আচার-আচরণ সায়নদীপের মতোই। আমার মতো দেখতে একটা বাচ্চা সায়নদীপের মতো আচরণ করছে। বেশ মজা লাগছে দেখে।’ শ্যুটের ফাঁকে পুরোটা সময় ছেলের সঙ্গেই কাটান রূপসা। এরইমধ্যে খুদেকে নিয়েই করে ফেলেছেন বেশ কয়েকটি ট্রিপও।

প্রেগন্যান্সির মাঝামাঝি সময় থেকে কাজে বিরতি নিয়েছিলেন রূপসা চট্টোপাধ্যায়। তারপর ফের ফেরেন লাইট ক্যামেরা অ্যাকশনের দুনিয়াতে। এমনিতে মিষ্টি, ছটফটে মেয়েটা আবার পর্দার দুঁদে খলনায়িকা। নায়ক-নায়িকাকে একেবারে চোখের জলে, নাকের জলে করে ছাড়েন। এই মুহূর্তে রূপসাকে দেখা যাচ্ছে জি বাংলার পরিণীতা সিরিয়ালে। এর আগে জগদ্ধাত্রী, তুঁতে, ফাগুন বউ, অগ্মিপরীক্ষা-র মতো সিরিয়ালে দেখা গিয়েছে। কাজ করেছেন বেশ কিছু জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজেও-- তানসেনের তানপুরা, রুদ্রবীণার অভিশাপ যার মধ্যে অন্যতম।

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe