...
...
Next Story

Saheb-Sonika: 'বিক্রম আগের সরকারের স্নেহভাজন ছিল', প্রেমিকা সনিকার মৃত্যুমামলা, ৯ বছর পর সাক্ষ্য! আদালতে বিস্ফোরক সাহেব

৯ বছর কেটেছে, তবে প্রেমিকা সোনিকার মৃত্যুর ক্ষত আজও দগদগে সাহেবের মনে। এদিন আদালত চত্বরে হাজির হয়ে সোনিকা মৃত্যু মামলায় সাক্ষী দিলেন সাহেব।

Published on: Jul 21, 2026, 16:31:14 IST
Advertisement

দীর্ঘ ৯ বছর ধরে ঝুলে রয়েছে জনপ্রিয় মডেল সোনিকা সিং চৌহান (Sonika Singh Chauhan)-এর রহস্যজনক পথ দুর্ঘটনা ও মৃত্যু মামলা। অবশেষে সেই বহুল চর্চিত মামলায় আলিপুর আদালতে নিজের বয়ান রেকর্ড করাতে হাজির হলেন টলিউড অভিনেতা সাহেব ভট্টাচার্য (Saheb Bhattacharya)। ২০১৭ সালে কলকাতার রাজপথে গাড়ি দুর্ঘটনায় সোনিকার মর্মান্তিক মৃত্যুর পর পুরো বাংলা জুড়ে প্রতিবাদের যে ঝড় উঠেছিল, সময়ের সাথে সাথে তা অনেকটাই ঝিমিয়ে পড়েছে।

'বিক্রম আগের সরকারের স্নেহভাজন ছিল', প্রেমিকা সনিকার মৃত্যুমামলা, ৯ বছর পর সাক্ষ্য! আদালতে বিস্ফোরক সাহেব
'বিক্রম আগের সরকারের স্নেহভাজন ছিল', প্রেমিকা সনিকার মৃত্যুমামলা, ৯ বছর পর সাক্ষ্য! আদালতে বিস্ফোরক সাহেব

তবে সোমবার আদালত চত্বর থেকে বেরিয়ে তৎকালীন শাসকদলের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর সুনির্দিষ্ট ইঙ্গিত দিয়ে এক বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন সোনিকার তৎকালীন প্রেমিক সাহেব। এখন সাহেব-সুস্মিতার সম্পর্ক নিয়ে চর্চা শেষ নেই, তবে সাহেবের সঙ্গে সোনিকার বিয়েও নাকি ঠিক হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু ২০১৭ সালের এপ্রিলের এক অভিশপ্ত রাত সাহেবের থেকে কেড়ে নেয় তাঁর মনের মানুষকে। এতদিনে প্রথমবার আদালতে হাজিরা দিয়ে সাক্ষ্য দিলেন সাহেব।

‘৯ বছর ধরে ফুল শুকোতে দেননি সোনিকার মা’— সাহেবের ক্ষোভ

আদালত চত্বরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সাহেব অত্যন্ত আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, ‘দীর্ঘ ৯ বছর ধরে একটা কেস চলছে, কোনো অগ্রগতি হয়নি। এই প্রথমবার আমি আদালতে এসেছি নিজের বক্তব্য রাখতে। ২০১৭-তে ঘটনাটি ঘটার সময় বড় প্রতিবাদ হয়েছিল। কিন্তু যে কোনো প্রতিবাদ দমিয়ে দেওয়ার সহজ উপায় হলো সেটাকে দীর্ঘমেয়াদী করে দেওয়া। প্রথমদিকে বহু মানুষ পাশে ছিলেন, পরে অনেকে নিজের কাজে ব্যস্ত হয়েছেন, অনেকে ভুলেও গেছেন। কিন্তু দুটো মানুষ ৯ বছর ধরে লড়ে গেছেন— সোনিকার বাবা ও মা। সোনিকার মা (শারন সিংহ চৌহান) ৯ বছর ধরে ওর সমাধিতে ফুল শুকোতে দেননি। তাঁদের গোটা পৃথিবীটা ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে, তাঁদের তো একটা জাস্টিস দরকার!’

দীর্ঘ ৯ বছর মামলা থমকে থাকার পর হঠাৎ এই গতি আসা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সাহেব সরাসরি সরকার পরিবর্তনের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি বলেন, ‘খুব কাকতালীয় হলেও দেখুন, এই বছরই সরকার বদল হলো আর এখন পর পর হিয়ারিং হচ্ছে। আশা করছি ‘ভয় আউট হবে, ভরসা ইন হবে’। এই কথাটা আমরা সবাই এখন শুনছি। ওর বাবা-মায়ের একটু শান্তি দরকার, যাতে ওঁনাদের বেদনাটা একটু কম হয়।’

যখন সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন যে, তৎকালীন শাসকদলের ঘনিষ্ঠ হওয়ার কারণেই কি অভিযুক্ত অভিনেতা বিক্রম চট্টোপাধ্যায় (Vikram Chatterjee) এতদিন আইনি সুরক্ষা পাচ্ছিলেন, এই মামলায় রাজনৈতিক প্রভাব কাজ করছিল?

তখন সাহেব জনতার কোর্টে বল ঠেলে বলেন, ‘আমি কিছু বলছি না, যারা বোঝার ঠিক বুঝে যাবে! আমরা আশা রাখছি, ভরসা রাখছি।’

শরীর খারাপের দোহাই বিক্রমের, আইনি কৌশলে আসামিপক্ষ

অন্যদিকে, এদিনও শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন মূল অভিযুক্ত অভিনেতা বিক্রম চট্টোপাধ্যায়। আগামিকাল (২২শে জুলাই) ফের এই মামলার শুনানি হবে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Priyanka Mukherjee

প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe