দুর্গাপুজোর দশমীর সন্ধ্যায় দেবী প্রতিমার সামনে ভালোবাসার রঙে রাঙা হলেন টলিপাড়ার প্রেমিক যুগল—অভিনেতা সাহেব ভট্টাচার্য এবং অভিনেত্রী সুস্মিতা দে। তাঁদের বিয়ের গুঞ্জন যখন তুঙ্গে, ঠিক তখনই বিজয়া দশমীর প্রাক্কালে মণ্ডপে দেবীর সামনে দাঁড়িয়ে দুজন দুজনকে সিঁদুর মাখিয়ে এক অপরূপ রোম্যান্টিক মুহূর্তে ধরা দিলেন।

ঐতিহ্যবাহী সাজে সুস্মিতা ও সাহেবের রসায়ন
ঐতিহ্যবাহী লাল-সাদা শাড়ি, গলায় সোনালি হার, খোপায় গোঁজা সতেজ গাজরা এবং গালে লাল সিঁদুরের ছোঁয়ায় একদম নিখুঁত দশমীর সাজে ধরা দিয়েছেন সুস্মিতা দে। অন্যদিকে সাহেবের পরনে ছিল হালকা রঙের কুর্তার সাথে লালচে জ্যাকেট। প্রতিমার সামনে পরস্পরের চোখের দিকে তাকিয়ে দুজনে যেন ভালোবাসার মিষ্টি গল্প বুনছিলেন!
গালে সিঁদুর দিতেই সাংবাদিকদের মজার মশকরা!
প্রতিমা দর্শনের পর সিঁদুর খেলার মুহূর্তে সুস্মিতার গালে পরম সোহাগে লাল সিঁদুর লাগিয়ে দেন সাহেব। তা দেখে উপস্থিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধি বন্ধুরা আর চুপ থাকতে পারেননি! ‘সাহেব আরেকটু ওপরের দিকে’ চারপাশ থেকে ধেয়ে আসে মশকরা ও মজার মন্তব্য— শুভ কাজটা কি তবে আজই সেরে ফেলা হচ্ছে? সাংবাদিকদের এই মিষ্টি টিপ্পনি ও খুনসুটিতে এক মুহূর্তে লাজে রাঙা হয়ে ওঠেন সুস্মিতা।
বিয়ের জল্পনায় নতুন মাত্রাদীর্ঘদিন ধরেই টলিপাড়ার এই জুটিকে নিয়ে বিয়ের জল্পনা তুঙ্গে। দেবীর বিদায়লগ্নে তাঁদের এই বিশেষ ও রোম্যান্টিক মুহূর্তটি দেখে অনুরাগীদের প্রশ্ন, তবে কি খুব শিগগিরই বিয়ের সানাই বাজতে চলেছে সাহেব-সুস্মিতার সংসারে? আপাতত সেই উত্তরের অপেক্ষায় ভক্তরা। টলিপাড়ায় জোর চর্চা এই বছরের শেষেই নাকি চারহাত এক হবে কথা জুটির। অষ্টমীর সন্ধ্যাতেও সাহেবের বাড়ির ছাদে পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে আড্ডায় মেতে ছিলেন সুস্মিতা। এখন সুস্মিতা ভট্টাচার্য পরিবারের ঘরের মেয়ে হয়ে ওঠেছেন।
কথা সিরিয়ালের সেটে শুরু দুজনের প্রেমের গল্প। অতীত সম্পর্কের বাঁধন আলগা হতেই সাহেবের প্রণয় ডোরে বাঁধা পড়েন সুস্মিতা। আপতত জলসার দুই ভিন্ন মেগায় দেখা মিলছে দুজনের। সাহেবকে দেখা যাচ্ছে গঙ্গায়, অন্যদিকে ব্লুজের তিলোত্তমায় অভিনয় করছেন সুস্মিতা।