বলিউডে সইফ আলি খানের তিন দশকেরও বেশি সময় কেটে গিয়েছে এবং অভিনেতা পুরোটা সময় জুড়েই নিজের প্রাসঙ্গিকতা বজায় রেখেছেন। সইফ এর আগে জানান যে, তাঁর শুরুর দিকের কয়েকটি ছবিতে তিনি ততটা ভালো ছিলেন না, কিন্তু পথচলার মাঝে তিনি নিজের যোগ্যতা প্রমাণের সুযোগ পেয়েছিলেন। তবে, তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, বিষয়গুলো যতটা সহজ মনে হয়েছিল, ততটা ছিল না।

তাঁর কথায়, ‘আমি টিকে গিয়েছিলাম কারণ একটা দীর্ঘ সময় ছিল যখন আমি যে ধরনের সিনেমা করছিলাম, সেগুলো কেউ করতে চাইছিল না। এমনটা নয় যে ভালো না হওয়া সত্ত্বেও আমি বারবার বিশ্বের সেরা সিনেমাগুলো পাচ্ছিলাম। কিন্তু তারপর ভাগ্যও সহায় ছিল।’ তিনি আরও জানান যে, বর্তমানের তুলনায় তখনকার দর্শকরাও অনেক বেশি ক্ষমাশীল ছিলেন।
তাকে জিজ্ঞাসা করা হলে যে, তরুণ প্রজন্মের অভিনেতারা সেই সুযোগ পান কি না এবং খুব সহজেই তাঁদের বাতিল করে দেওয়া হয় কি না, যেমনটা তিনি তার সন্তান সারা আলি খান ও ইব্রাহিম আলি খানের ক্ষেত্রে দেখেছেন , তিনি বলেন, ‘আমি যখন এসেছিলাম, তখন সময়টা অবশ্যই অনেক বেশি সহনশীল ছিল এবং এখন আমাদের সময়ের চেয়ে অনেক বেশি প্রস্তুত থাকতে হয়। কিন্তু প্রস্তুতির পুরো ধারণাটাই বদলে গিয়েছে এবং কিছু অভিনেতা সবসময়ই তা করে এসেছেন। আমার মনে আছে, হৃতিক রোশন তাঁর অভিষেকের আগে অবশ্যই তার নাচ, শারীরিক গঠন এবং এই সমস্ত কিছুর প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। কিন্তু ধারণাটা বদলে গিয়েছে এবং সিনেমার পুরো জগৎটাই একরকম বদলে গিয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এখন সময়টা আলাদা এবং আমি ওদেরকেও [সারা ও ইব্রাহিমকে] এটা বলেছি যে তোমাদের প্রস্তুতি নিতে হবে, কিন্তু এগুলো প্রযোজকদের সিদ্ধান্তও বটে। কুড়ির কোঠার শুরুর দিকে পরিস্থিতি কেমন ছিল, তা মনে রাখা মাঝে মাঝে কঠিন হয়ে যায়। বড় পর্দার আকর্ষণ এতটাই প্রবল যে মানুষ মনে করে তারা প্রস্তুত এবং তারা প্রস্তুত হতে চায়। তাই এটা একটা কঠিন পরিস্থিতি। প্রতিযোগিতা সবসময়ই ছিল, কিন্তু মানুষ এখন আগের চেয়ে অনেক কম ক্ষমাশীল।’
{{/usCountry}}তিনি আরও বলেন, ‘এখন সময়টা আলাদা এবং আমি ওদেরকেও [সারা ও ইব্রাহিমকে] এটা বলেছি যে তোমাদের প্রস্তুতি নিতে হবে, কিন্তু এগুলো প্রযোজকদের সিদ্ধান্তও বটে। কুড়ির কোঠার শুরুর দিকে পরিস্থিতি কেমন ছিল, তা মনে রাখা মাঝে মাঝে কঠিন হয়ে যায়। বড় পর্দার আকর্ষণ এতটাই প্রবল যে মানুষ মনে করে তারা প্রস্তুত এবং তারা প্রস্তুত হতে চায়। তাই এটা একটা কঠিন পরিস্থিতি। প্রতিযোগিতা সবসময়ই ছিল, কিন্তু মানুষ এখন আগের চেয়ে অনেক কম ক্ষমাশীল।’
{{/usCountry}}