একদিকে প্রিয়দর্শনের ‘হাওয়ানঁ’ (Haiwaan)-এ অক্ষয় কুমারের বিপরীতে দৃষ্টিহীন মার্শাল আর্ট শিল্পী ও গায়কের চরিত্রে অভিনয় করেছেন সইফ আলি খান। খেলাধুলো থেকে গান—দুটিই তাঁর হৃদয়ের অত্যন্ত কাছের। তবে ভুলেও ভারতীয় ক্রিকেটের অন্যতম কিংবদন্তি এবং সইফের বাবা প্রয়াত মনসুর আলি খান (টাইগার পটৌডি)-র বায়োপিক তৈরি হলে সেখানে লিড রোলে অভিনয় করবেন না নায়ক। কেন এতদিন কোনও বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি টাইগার পতৌদির বায়োপিক তৈরির বিষয়ে, তা নিয়ে মুখ খুললেন বলিপাড়ার ‘নবাব’।

বাবার জীবন নিয়ে ছবি বানানোর পরিকল্পনা প্রসঙ্গে সইফ সোজাসাপ্টা জানান:
সাক্ষাৎকারে অভিনেতা বলেন, ‘কিছু বিষয় মনের এতটাই কাছাকাছি থাকে যে, সেগুলোকে ঘিরে সঠিক আর নিখুঁত কাজটাই মানুষ দেখতে চায়। শুধু বানানোর খাতিরে বানিয়ে ওই পরম অনুভূতির সঙ্গে কোনো আপস করতে চাই না। এক চোখের দৃষ্টি হারিয়েও যেভাবে উনি সমস্ত বাধা জয় করেছিলেন, সেই গল্পটা আমার কাছে এক্কেবারে পবিত্র। এটা যেন ব্রুস লি-কে নিয়ে ছবি বানানোর মতো এক দায়িত্ব!’
স্পোর্টস ফিল্ম ও বায়োপিক নিয়ে সাইফের দুশ্চিন্তা:
স্পোর্টস ঘরানার ছবি নিয়ে নিজের ব্যক্তিগত খটকার কথা জানিয়ে সইফ বলেন, একজন পেশাদার অ্যাথলেটের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ বা যেমন ক্যারিবিয়ান পেসার অ্যান্ডি রবার্টসের সেই ক্ষিপ্র রান-আপ—কোনো অভিনেতার পক্ষে পর্দায় হুবহু ফুটিয়ে তোলা প্রায় অসম্ভব। আবার একই সাথে একজন অরিজিনাল খেলোয়াড়কে দিয়ে পেশাদার অভিনয় করানোটাও সমান কঠিন।
‘বাবার চরিত্রে অভিনয় করার বয়স আর নেই...’
{{/usCountry}}‘বাবার চরিত্রে অভিনয় করার বয়স আর নেই...’
{{/usCountry}}সইফ স্বীকার করেন, টাইগার পটৌডির জীবনী পর্দায় এলে তাঁর তরুণ বয়সের চরিত্রে অভিনয় করার বয়স আর তাঁর নেই। রসিকতা করে তিনি যোগ করেন, ‘হয়তো ওঁর জীবনের শেষভাগের বা বয়স্ক বয়সের চরিত্রে আমি অভিনয় করতে পারি। তবে হ্যাঁ, ওঁর চালচলন বা চরিত্রটা কেমন করে ফুটবে—সেটা আমার চেয়ে ভালো আর কেউ জানবে না!’
ছবি পরিচালনার ইচ্ছে নিয়ে সাইফ জানান, পরিচালকের চেয়ারে বসা বিশাল দায়িত্বের কাজ। যদিও ভালো কোনো কাজ দেখলে তাঁরও মনে হয় জীবনে অন্তত একবার পরিচালনা করে দেখা দরকার—যদিও সেই প্রক্রিয়ায় তিনি নিজে হয়তো পাগলই হয়ে যাবেন! সইফ রাজি নন, তবে টাইগার পতৌদির বায়োপিকে ইব্রাহিম আলিকে কাস্ট করলে মন্দ হবে না, মত নেটপাড়ার। ঠাকুর্দার মতোই ক্রিকেটের প্রতিও ভালোবাসা রয়েছে সইফপুত্রের।