উলট রথের দিন ককরোচ জনতা পার্টি ও বামদলগুলির ডাকে কলকাতায় ছাত্র আন্দোলন হয়েছিল কলকাতা থেকে এসপ্ল্যানেড। যাতে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি উপস্থিতি লক্ষ করা গিয়েছিল তারকাদেরও। আর সেই আন্দোলনেই শ্রীলেখার হাতে থাকা পোস্টার নিয়ে বিতর্ক। যেখানে দেশের প্রধানমন্ত্রী মোদীর বিতর্কিত একটি কার্টুন ব্যবহার করা হয়। সেই ছবি সামনে আসতেই আইনি জটিলতায় জড়িয়েছেন অভিনেত্রী। শুধু তাই নয়, তাঁকে নিয়ে বিষোদগার করেছেন একাধিক বিজেপি নেতাও।

সোমবার ‘আরশোলা’দের অরাজকতার প্রতিবাদে মিছিলের আয়োজন করেছিল বিজেপি। দলীয় পতাকা ছেড়ে জাতীয় পতাকা হাতে কলকাতার দুই প্রান্তে মিছিল বিজেপি নেতা-কর্মী-সমর্থকদের। একটি মিছিল শিয়ালদহ থেকে ধর্মতলা ও অন্যটি গোলপার্ক থেকে যাদবপুর পর্যন্ত। আর সেই মিছিল থেকেই শ্রীলেখাকে আক্রমণ বিজেপি-র বিধায়ক সজল ঘোষের।
শ্রীলেখাকে কটাক্ষ সজল ঘোষের
বরানগরের বিজেপি বিধায়ক মিছিল থেকেই বার্তা দেন অভিনেত্রীকে ‘বয়কট’ করার। বলেন, ‘ও শ্রীলেখা নয়, ও ছিলেখা! ওটা ছিলেখা! ওটা একটা বিকৃতকাম মহিলা। ওর নারীত্ব নিয়ে প্রশ্ন থাকবে লোকের। অবস্থা খারাপ। সিনেমা তো আর চলে না। ওর সিরিয়ালও কেউ দেখে না। ওকে বয়কট করুন। বয়কট শ্রীলেখা, ছিলেখা! বয়কট।’
বিতর্কে শ্রীলেখার প্রতিক্রিয়া
শ্রীলেখার দাবি, এটি নিছক ভুল বোঝাবুঝি। তাঁর হাতে যেই পোস্টারটি ছিল সেগুলি মূলত দিল্লিতেই তৈরি করা হয়েছিল। তিনি ভালো করে দেখেনওনি তাতে কী আছে। যেহেতু চোখে চশমা ছিল না। সঙ্গে লাঠি চালাচ্ছিল পুলিশ। গরমে ঘামে সেই সময় পোস্টার দেখার মতো অবস্থা ছিল না তাঁর বলেই দাবি করেন। বলেন, ‘চশমা ছাড়া গেছিলাম, সানগ্লাস পরে। ওইরকম একটা ছোট পোস্টারে, মোদিজির বিলো-দ্য-বেল্টে চোখ যায়নি...কী করব বলুন তো। পোস্টারটা হাতে নিয়ে ছবি তুলেছি। পোস্টারটাকে ঘুরিয়ে দেখিইনি। সময়ও ছিল না, কারণ তখন পুলিশের লাঠিচার্জ হচ্ছিল।’
তাঁর নামে এফআইআর হওয়ার পর শ্রীলেখা পালটা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে বলেছেন, ‘কী করবে? গ্রেফতার করবে তো আমাকে? করুক। তারপর আবার একটা আন্দোলন হবে।’
শ্রীলেখাকে নিয়ে প্রতিবাদের ঝড় তিলোত্তমায়
{{/usCountry}}তাঁর নামে এফআইআর হওয়ার পর শ্রীলেখা পালটা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে বলেছেন, ‘কী করবে? গ্রেফতার করবে তো আমাকে? করুক। তারপর আবার একটা আন্দোলন হবে।’
শ্রীলেখাকে নিয়ে প্রতিবাদের ঝড় তিলোত্তমায়
{{/usCountry}}বিজেপি নেত্রী কেয়া ঘোষ-সহ বিভিন্ন জেলার থানায় অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে এবং তাঁকে গ্রেপ্তার করার দাবি তোলা হয়েছে। এখানেই শেষ নয়, শ্রীলেখা মিত্রের বাড়ির সামনে কালো পতাকা হাতে নিয়ে রবিবার বিক্ষোভ প্রদর্শনও করা হয়।