...
...
Next Story

Salman Khan: শুধু সোশ্যাল পোস্ট নয়, অসমের বন্যায় বড় উদ্যোগ! দুর্গতদের ত্রাণ পাঠাল সলমন খানের বিয়িং হিউম্যানের

অসমের ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ালেন বলিউড সুপারস্টার সালমান খান। বিং হিউম্যানের উদ্যোগে শুরু হয়েছে খাবার, ওষুধ, রেশন ও পুনর্গঠনের ত্রাণ অভিযান।

Published on: Jul 29, 2026, 09:18:06 IST
Advertisement

অসমের ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে নীরবে দাঁড়ালেন বলিউড সুপারস্টার সলমন খান। তাঁর স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা বিং হিউমানের উদ্যোগে স্থানীয় একটি ফ্যান ক্লাবের সহযোগিতায় শুরু হয়েছে ধাপে ধাপে ত্রাণ কার্যক্রম। প্রথম পর্যায়ে বন্যাদুর্গত এলাকায় পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে খাবার ও জরুরি প্রয়োজনীয় সামগ্রী। এরপর রেশন, ওষুধ এবং স্কুল-হাসপাতাল পুনর্গঠনের কাজেও সাহায্য করা হবে।

বন্যাদুর্গতদের জন্য কী করছেন সলমন খান?

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত অসমের মানুষের পাশে দাঁড়ালেন সলমন খান। (PTI)
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত অসমের মানুষের পাশে দাঁড়ালেন সলমন খান। (PTI)

ইন্ডিয়া টুডে-র এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ত্রাণ অভিযানটি পরিকল্পনা অনুযায়ী একাধিক ধাপে পরিচালিত হবে। ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে রেডি-টু-ইট খাবারের প্যাকেট এবং অন্যান্য জরুরি সামগ্রী বিতরণ।

পরবর্তী ধাপে দুর্গতদের মধ্যে রেশন, প্রয়োজনীয় কিট, পানীয় জল, ওষুধ, স্যানিটারি ন্যাপকিন এবং মশা তাড়ানোর স্প্রে বিতরণ করা হবে। পাশাপাশি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত স্কুল ও হাসপাতাল পুনর্গঠনের কাজেও সহায়তা করার পরিকল্পনা রয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ার বাইরে মাটিতে নেমে ত্রাণের উদ্যোগ

অসমের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে বহু তারকা সোশ্যাল মিডিয়ায় সচেতনতা বাড়ানোর চেষ্টা করেছেন। অভিনেত্রী ভূমি পেডনেকর ও অভিনেতা আদিল হুসেনও এই বিষয়ে পোস্ট করেছেন। তবে বলিউডের অল্প কয়েকজনের মধ্যে সলমন খানই সরাসরি মাঠে নেমে ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

অসমে এখনও উদ্বেগজনক বন্যা পরিস্থিতি

অসমে চলতি বন্যায় এখনও লক্ষাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত। বিভিন্ন জেলায় ৬০০-রও বেশি গ্রাম জলমগ্ন হয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এই দুর্যোগে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৮।

অসম স্টেট ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটির (ASDMA) তথ্য অনুযায়ী, শিবসাগর, গোলাঘাট, চরাইদেও, যোরহাট, নগাঁও এবং কামরূপ মেট্রোপলিটন-সহ একাধিক জেলায় এখনও ৪,৪৫,৪৯৫ জন মানুষ বন্যার প্রভাবের মধ্যে রয়েছেন।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতি চরাইদেও জেলায়

সরকারি হিসাব অনুযায়ী, এখনও ২১টি রাজস্ব চক্রের ৬৩১টি গ্রাম জলমগ্ন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত চরাইদেও জেলা, যেখানে প্রায় ১.৮৮ লক্ষ মানুষ বন্যার কবলে। এরপরই রয়েছে শিবসাগর, যেখানে ক্ষতিগ্রস্তের সংখ্যা প্রায় ১.৪৪ লক্ষ।

কৃষি, বাড়িঘর ও স্কুলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

বন্যার জেরে প্রায় ৩৭ হাজার হেক্টরের বেশি কৃষিজমি জলের তলায় চলে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ২.৫৬ লক্ষেরও বেশি গবাদি পশু এবং ২৬ হাজারের বেশি পশু ভেসে যাওয়ার খবর মিলেছে।

এছাড়া জোরহাট, শিবসাগর ও চরাইদেও জেলার একাধিক রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পুরোপুরি ভেঙে গেছে ১৭১টি বাড়ি এবং আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আরও ৪,৬৬৭টি বাড়ি। শিবসাগর ও যোরহাটের বেশ কয়েকটি স্কুলেও জল ঢুকে পড়ায় শিক্ষার কাজ ব্যাহত হয়েছে।

বর্তমানে ধনসিরি (দক্ষিণ) নদী নুমালীগড় এলাকায় বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। তবে এখনও কোনও নদী সর্বোচ্চ বন্যা স্তর (HFL) অতিক্রম করেনি বলে প্রশাসন জানিয়েছে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe