গত ২৮ জুলাই জানা গিয়েছিল, অসমে ভয়াবহ বন্যার সময় 'বিয়িং হিউম্যান' ফাউন্ডেশন স্থানীয় ফ্যান ক্লাবগুলির সহযোগিতায় দুর্গতদের মধ্যে খাদ্য বিতরণ করেছিল। এবার সেই ত্রাণ কার্যক্রমের দ্বিতীয় ধাপে পুনর্বাসনের কাজে নেমেছেন সলমন খান। গ্লোবাল শিখসের সঙ্গে যৌথভাবে 'আশিয়ানা' প্রকল্পের অধীনে বন্যায় ঘরহারা মানুষদের জন্য আধা-পাকা বাড়ি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রণদীপ হুডার কাজ দেখেই দ্রুত সিদ্ধান্ত

সূত্রের দাবি, পুনর্বাসনের পরিকল্পনা আগেই থাকলেও গত সপ্তাহে অভিনেতা রণদীপ হুডার অসমে ত্রাণ ও উদ্ধারকাজের ভিডিয়ো দেখে সলমন খান উদ্যোগটি আরও দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এক পরিচিতের মাধ্যমে রণদীপের সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি। রণদীপ সলমনকে জানান, গ্লোবাল শিখসের প্রায় ৭০ জন স্বেচ্ছাসেবক ময়দানে কাজ করছেন এবং বর্তমানে তাঁদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন স্থায়ী পুনর্বাসনের ব্যবস্থা।
৫০০টি বাড়ি তৈরির লক্ষ্য
গ্লোবাল শিখসের প্রতিষ্ঠাতা অমরপ্রীত সিং সলমন খানকে জানান, বাঁশ ও টিন দিয়ে তৈরি বন্যা-সহনশীল আধা-পাকা প্রতিটি বাড়ি নির্মাণে খরচ পড়ছে প্রায় ৩৫ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা। বিষয়টি জানার পরই 'বিয়িং হিউম্যান' এই প্রকল্পে অংশীদার হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। দুই সংস্থা যৌথভাবে মোট ৫০০টি বাড়ি তৈরির লক্ষ্য স্থির করেছে।
ইতিমধ্যেই তৈরি ২২০টি বাড়ি
অমরপ্রীত সিং জানিয়েছেন, 'আশিয়ানা' প্রকল্পের অধীনে বর্তমানে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত শিবসাগর জেলার নেপালি খুটি গ্রামে কাজ চলছে। তাঁর কথায়, 'কয়েক দিন আগে সলমন খান আমাদের ফোন করে বলেন, 'আপনারা কোনও চিন্তা করবেন না।' প্রথম ধাপে ইতিমধ্যেই ২২০টি বাড়ি তৈরি হয়েছে এবং সেগুলি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। প্রতিদিন আট থেকে ১০টি নতুন বাড়ি নির্মাণ করা সম্ভব হচ্ছে।'
এই উদ্যোগের মাধ্যমে শুধু ত্রাণ নয়, দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসনের দিকেও জোর দিচ্ছেন সলমন খান এবং গ্লোবাল শিখস। বন্যায় সর্বস্ব হারানো বহু পরিবারের মাথার উপর আবারও একটি নিরাপদ ছাদ তুলে দেওয়াই এখন তাঁদের মূল লক্ষ্য।
{{/usCountry}}এই উদ্যোগের মাধ্যমে শুধু ত্রাণ নয়, দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসনের দিকেও জোর দিচ্ছেন সলমন খান এবং গ্লোবাল শিখস। বন্যায় সর্বস্ব হারানো বহু পরিবারের মাথার উপর আবারও একটি নিরাপদ ছাদ তুলে দেওয়াই এখন তাঁদের মূল লক্ষ্য।
{{/usCountry}}