১৯৯৮ সালের বহুল আলোচিত কৃষ্ণসায়র হরিণ শিকার মামলার প্রেক্ষাপটে তৈরি হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে 'কালা হিরণ: দ্য ব্যাটল ফর লেগেসি' ছবিটি। এই ছবির টিজার ও প্রচারে নিজের ব্যক্তিগত পরিচিতি এবং ভাবমূর্তি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করে দিল্লি হাই কোর্টে আবেদন করেছিলেন সলমন খান।

শুনানির পর আদালত ছবির টিজার, প্রচারমূলক ভিডিয়ো এবং প্রযোজক অমিত জানির সাক্ষাৎকার সংক্রান্ত লিঙ্ক সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেয়। আদালত জানায়, কোনও ব্যক্তির ভাবমূর্তি ও পরিচিতির অধিকারকে গুরুত্ব দিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এই মামলায় বিস্তারিত লিখিত নির্দেশ এখনও প্রকাশ করা হয়নি।
কী অভিযোগ সলমনের?
সলমন খানের দাবি, ছবির টিজার ও পোস্টারে এমন কিছু দৃশ্য রাখা হয়েছে, যা সাধারণ দর্শকের মনে সরাসরি তাঁর কথাই মনে করিয়ে দেয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, একটি চরিত্রকে সলমনের পরিচিত নীল রঙের ব্রেসলেটের মতো একটি ব্রেসলেট পরে দেখানো হয়েছে। এছাড়া অন্য একটি প্রচারমূলক ছবিতে সেই চরিত্রের হাতে বন্দুকও দেখা যায়।
সলমনের আইনজীবীদের দাবি, এই ধরনের উপস্থাপনা দর্শকদের বিভ্রান্ত করতে পারে এবং অভিনেতার ভাবমূর্তির ক্ষতি করতে পারে। বিশেষ করে, ১৯৯৮ সালের মামলার অস্ত্র আইনের অভিযোগ থেকে তিনি আদালতে খালাস পেয়েছিলেন।
সৃজনশীল স্বাধীনতার দাবি নির্মাতাদের
অন্যদিকে ছবির পরিচালক ভারত এস শ্রিনাতে জানিয়েছেন, তাঁরা আদালতের প্রতি পূর্ণ সম্মান রেখেই সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, যেমন একজন মানুষের নিজের পরিচিতি ও সুনাম রক্ষার অধিকার রয়েছে, তেমনই চলচ্চিত্র নির্মাতাদেরও সংবিধান প্রদত্ত মতপ্রকাশ ও সৃজনশীলতার স্বাধীনতা রয়েছে। সেই ভারসাম্য আদালতের মাধ্যমেই নির্ধারিত হওয়া উচিত বলেই তাঁরা মনে করেন।
{{/usCountry}}অন্যদিকে ছবির পরিচালক ভারত এস শ্রিনাতে জানিয়েছেন, তাঁরা আদালতের প্রতি পূর্ণ সম্মান রেখেই সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, যেমন একজন মানুষের নিজের পরিচিতি ও সুনাম রক্ষার অধিকার রয়েছে, তেমনই চলচ্চিত্র নির্মাতাদেরও সংবিধান প্রদত্ত মতপ্রকাশ ও সৃজনশীলতার স্বাধীনতা রয়েছে। সেই ভারসাম্য আদালতের মাধ্যমেই নির্ধারিত হওয়া উচিত বলেই তাঁরা মনে করেন।
{{/usCountry}}১৯৯৮ সালের বহুল আলোচিত কৃষ্ণসার (ব্ল্যাকবাক) শিকার মামলার প্রেক্ষাপটে তৈরি হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে 'কালা হিরণ: দ্য ব্যাটল ফর লেগেসি' ছবিটি। এই ছবির টিজার ও প্রচারে নিজের ব্যক্তিগত পরিচিতি এবং ভাবমূর্তি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করে দিল্লি হাই কোর্টে আবেদন করেছিলেন সলমন খান।
শুনানির পর আদালত ছবির টিজার, প্রচারমূলক ভিডিয়ো এবং প্রযোজক অমিত জানির সাক্ষাৎকার সংক্রান্ত লিঙ্ক সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেয়। আদালত জানায়, কোনও ব্যক্তির ভাবমূর্তি ও পরিচিতির অধিকারকে গুরুত্ব দিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এই মামলায় বিস্তারিত লিখিত নির্দেশ এখনও প্রকাশ করা হয়নি।
কী অভিযোগ সলমনের?
সলমন খানের দাবি, ছবির টিজার ও পোস্টারে এমন কিছু দৃশ্য রাখা হয়েছে, যা সাধারণ দর্শকের মনে সরাসরি তাঁর কথাই মনে করিয়ে দেয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, একটি চরিত্রকে সলমনের পরিচিত নীল রঙের ব্রেসলেটের মতো একটি ব্রেসলেট পরে দেখানো হয়েছে। এছাড়া অন্য একটি প্রচারমূলক ছবিতে সেই চরিত্রের হাতে বন্দুকও দেখা যায়।
সলমনের আইনজীবীদের দাবি, এই ধরনের উপস্থাপনা দর্শকদের বিভ্রান্ত করতে পারে এবং অভিনেতার ভাবমূর্তির ক্ষতি করতে পারে। বিশেষ করে, ১৯৯৮ সালের মামলার অস্ত্র আইনের অভিযোগ থেকে তিনি আদালতে খালাস পেয়েছিলেন।
সৃজনশীল স্বাধীনতার দাবি নির্মাতাদের
অন্যদিকে ছবির পরিচালক ভারত এস শ্রিনাতে জানিয়েছেন, তাঁরা আদালতের প্রতি পূর্ণ সম্মান রেখেই সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
তাঁর বক্তব্য, যেমন একজন মানুষের নিজের পরিচিতি ও সুনাম রক্ষার অধিকার রয়েছে, তেমনই চলচ্চিত্র নির্মাতাদেরও সংবিধান প্রদত্ত মতপ্রকাশ ও সৃজনশীলতার স্বাধীনতা রয়েছে। সেই ভারসাম্য আদালতের মাধ্যমেই নির্ধারিত হওয়া উচিত বলেই তাঁরা মনে করেন।
সেন্সর বোর্ডেও জমা পড়বে ছবি
পরিচালক আরও জানিয়েছেন, খুব শীঘ্রই 'কালা হিরণ: দ্য ব্যাটল ফর লেগেসি' ছবিটি সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশন (CBFC)-এর কাছে ছাড়পত্রের জন্য জমা দেওয়া হবে।
তবে আপাতত দিল্লি হাই কোর্টের নির্দেশই বহাল রয়েছে। ফলে মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ছবির টিজার এবং সংশ্লিষ্ট সমস্ত প্রচারমূলক কনটেন্ট সরিয়ে রাখতেই হবে। এবার সুপ্রিম কোর্টই ঠিক করবে, ছবির প্রচার সত্যিই সলমন খানের ব্যক্তিগত অধিকার লঙ্ঘন করেছে, নাকি এটি নির্মাতাদের সৃজনশীল স্বাধীনতার আওতায় পড়ে।