...
...
Next Story

Salman: একাধিকবার বিষ্ণোই গ্যাংয়ের হামলা! সলমনের বাড়ি পাহাড়ায় পুলিশ কনস্টেবেলের মৃত্যু

সলমন খানের বাড়ির বাইরে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত এক পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যুর খবর উঠে এসেছে। চিকিৎসকরা একে হার্ট অ্যাটাক হিসেবে বর্ণনা করেছেন। কনস্টেবলকে সালমানের বাড়ির সামনে নিরাপত্তার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। ৪১ বছর বয়সী গণেশ আর এই পৃথিবীতে নেই।

Published on: Aug 8, 2026, 15:40:40 IST
Advertisement

সলমন খানের বাড়ির বাইরে কর্মরত এক পুলিশ কনস্টেবল গণেশের মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে এসেছে। বলা হচ্ছে যে ৪১ বছর বয়সী গণেশের ডিউটি সলমন খানের বাড়ির বাইরে রাখা হয়েছিল। হার্ট অ্যাটাকের কারণে গণেশের মৃত্যুর খবরও প্রকাশ্যে এসেছে। গণেশ ডিউটিরত অবস্থাতেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সলমন খানের বাড়ি পাহাড়ায় থাকা পুলিশ কনস্টেবেলের মৃত্যু।
সলমন খানের বাড়ি পাহাড়ায় থাকা পুলিশ কনস্টেবেলের মৃত্যু।

চিকিৎসকের মতে, গণেশের হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল। মুম্বই পুলিশ কনস্টেবল গণেশের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। আইএএনএসের খবরে বলা হয়েছে, সলমন খানের বাড়ির বাইরে গণেশের ডিউটি রাখা হয়েছিল। গণেশ অসুস্থ হয়ে পড়ে যায়। হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা জানান, হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন তিনি। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ২০২৪ সালে, কিছু অজ্ঞাত হামলাকারী সলমন খানের বাড়িতে গুলি চালায়। এই হামলায় উঠে আসে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের নাম। মামলার গুরুত্ব বিবেচনা করে মুম্বই পুলিশ অভিনেতাকে সুরক্ষা দেয়। পুলিশ কনস্টেবলরা তাঁর বাড়ির বাইরে পাহারা দিচ্ছিলেন। এদের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে, যার নাম গণেশ।

সলমন খান এবং বিষ্ণোই গ্যাংয়ের মধ্যে বিরোধ ১৯৯৯ সালের সিনেমা হাম সাথ সাথ হ্যায়-এর শুটিংয়ের দিন থেকেই চলছে। ছবির শুটিং চলাকালীন সলমন খানের বিরুদ্ধে কালো হরিণ শিকারের অভিযোগ আনা হয়। এই মামলায় অভিনেতার বিরুদ্ধে পুলিশে মামলা দায়ের করা হয়েছিল এবং তাঁকে বেশ কয়েকবার জেলে যেতে হয়েছিল।

সলমন বাড়িতে গুলি চালানো হয়েছিল ২০২৪ সালে, সলমন খানের বাড়িতে গুলি চালানো হয়েছিল। মামলার তদন্তকারী পুলিশ এই চক্রের বেশ কয়েকজন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছিল। মামলাটি এখনও তদন্তাধীন রয়েছে। একই সঙ্গে ওয়াই প্লাস ক্য়টাগরির নিরাপত্তা প্রদান করা হয়েছে অভিনেতাকে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe