...
...
Next Story

Sameera Reddy: ‘তুমি কালো, মোটা…’! ডেবিউ সিনেমায় গায়ের রং নিয়ে কটাক্ষের মুখে পড়েন সমীরা রেড্ডি

একসময় বলিউডে নায়িকাদের গায়ের রং নিয়েও চলত অলিখিত বিচার। সেই তিক্ত অভিজ্ঞতার কথাই এবার প্রকাশ্যে আনলেন সমীরা রেড্ডি। তাঁর দাবি, প্রথম ছবি 'ম্যায়নে দিল তুঝকো দিয়া'-তে তাঁকে ২-৩ শেড ফর্সা দেখাতে বাধ্য করা হয়েছিল। সেই সঙ্গে বর্ণবৈষম্য ও সৌন্দর্য নিয়ে প্রচলিত ধারণারও কড়া সমালোচনা করেছেন তিনি।

Published on: Jul 19, 2026, 10:51:03 IST
Advertisement

একসময় বলিউড চলচ্চিত্র জগতের পরিচিত মুখ ছিলেন সমীরা রেড্ডি। 'মুসাফির', 'রেস', 'নকশা', 'দে দানা দান'-এর মতো একাধিক ছবিতে অভিনয় করে দর্শকদের মন জয় করেছিলেন তিনি। যদিও বর্তমানে অভিনয়ে খুব একটা সক্রিয় নন, তবুও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাঁর অকপট মন্তব্যের জন্য প্রায়ই সংবাদ শিরোনামে উঠে আসেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি নিজের প্রথম ছবির শুটিংয়ের সময়ের এমন একটি অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেছেন, যা শুনে অনেকেই অবাক হয়েছেন।

গায়ের রং নিয়ে কটাক্ষ, মুখ খুললেন সমীরা রেড্ডি।
গায়ের রং নিয়ে কটাক্ষ, মুখ খুললেন সমীরা রেড্ডি।

সমীরার মতে, তিনি যখন ইন্ডাস্ট্রিতে পা রাখেন, তখন পরিস্থিতি আজকের মতো ছিল না। সেই সময় নায়িকাদের গায়ের রং, উচ্চতা, ওজন এবং চেহারা নিয়ে একটি অলিখিত মানদণ্ড ছিল। আর সেই মানদণ্ডে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার চাপই তাঁকে প্রথম ছবিতে গায়ের রং পরিবর্তন করতে বাধ্য করেছিল।

উল্লেখ্য, ২০০২ সালে সোহেল খানের বিপরীতে 'ম্যায়নে দিল তুঝকো দিয়া' ছবির মাধ্যমে বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেন সমীরা রেড্ডি। সম্প্রতি Hauterrfly-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি সেই অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে বলেন, ‘আমার প্রথম ছবি 'ম্যায়নে দিল তুঝকো দিয়া'-তে আমার গায়ের রঙ ২ থেকে ৩ শেড ফর্সা করা হয়েছিল। আমাকে এতটাই ফর্সা দেখানো হয়েছিল যে পর্দায় প্রায় ধূসর দেখাত। শুধু মুখে নয়, গায়ের রঙের সঙ্গে মিল রাখতে আমাকে সারা শরীরেও মেকআপ করতে হতো।’

এরপরই তিনি সমাজে গায়ের রঙ নিয়ে প্রচলিত মানসিকতার সমালোচনা করেন। সমীরা বলেন, ‘আপনি কি জানেন, আজও কত নারী নিজেদের পরিবারেই এই ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হন? তাঁদের বাবা-মা কিংবা শ্বশুর-শাশুড়ি পর্যন্ত বলেন, 'তুমি কালো', 'তুমি মোটা'। কী ভয়ঙ্কর বিষয়! সৌন্দর্যের এই সংজ্ঞা কে তৈরি করেছে? কেন একজন মানুষের মূল্য শুধুমাত্র তাঁর গায়ের রং বা চেহারা দিয়ে বিচার করা হবে?’

প্রসঙ্গত, দীর্ঘ বিরতির পর প্রায় ১৪ বছর পরে 'আখরি সওয়াল' ছবির মাধ্যমে অভিনয়ে প্রত্যাবর্তন করেন সমীরা রেড্ডি। ছবিটিতে তাঁর সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে ছিলেন সঞ্জয় দত্ত। তবে বড় প্রত্যাশা থাকলেও ছবিটি বক্স অফিসে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পায়নি। তা সত্ত্বেও নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এবং সমাজের প্রচলিত সৌন্দর্যবোধ নিয়ে খোলামেলা মন্তব্য করে আবারও আলোচনায় উঠে এসেছেন অভিনেত্রী।

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe