হরিয়ানার জনপ্রিয় গায়িকা ও অভিনেত্রী স্বপ্না চৌধুরী তাঁর স্বামী বীর সাহুর বিরুদ্ধে গার্হস্থ্য হিংসার অভিযোগ এনেছেন। এই অভিযোগের পর নয়াদিল্লির দ্বারকা মহিলা আদালত তাঁকে অন্তর্বর্তী সুরক্ষা দিয়েছে। আদালত ‘গার্হস্থ্য হিংসা থেকে মহিলাদের সুরক্ষা আইন’-এর অধীনে এই নির্দেশ জারি করেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্বপ্না ও বীর সাহুর বিয়ে হয়েছিল ২০২০ সালের ২৪ জানুয়ারি। তাঁদের দুই পুত্রসন্তান রয়েছে। জানা গিয়েছে, স্বপ্নার আসন্ন ছবি ‘মোমাকু’-র প্রিমিয়ারের আগে এই অন্তর্বর্তী সুরক্ষা মিলেছে। ছবিটির প্রিমিয়ার ১০ জুন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।
আদালত বীর সাহুকে স্বপ্নার সঙ্গে কোনও ধরনের যোগাযোগ না করার নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি স্বপ্নার বাড়ি, কর্মস্থল বা ছবির প্রিমিয়ার ভেন্যুর কাছাকাছি না যাওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্বপ্না আইনজীবী প্রীতি সিং বলেন, ‘গার্হস্থ্য হিংসা থেকে মহিলাদের সুরক্ষা আইনের আওতায় আমার মক্কেল যে অন্তর্বর্তী সুরক্ষা পেয়েছেন, তা এই আইনের মূল উদ্দেশ্যকে স্পষ্ট করে। প্রয়োজনে দ্রুত সুরক্ষা দেওয়াই এই আইনের লক্ষ্য। যেহেতু বিষয়টি বর্তমানে বিচারাধীন, তাই আমরা এ নিয়ে আর কোনও মন্তব্য করব না। বিচার ব্যবস্থার উপর আমাদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে।’
খবরে দাবি করা হয়েছে, বীর সাহু প্রকাশ্যে একাধিকবার স্বপ্নার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছেন এবং অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করছেন বীর সাহু। সেই কারণেই বিয়ের পর যে বাড়িতে তাঁরা একসঙ্গে থাকতেন, তা ছেড়ে চলে গিয়েছেন স্বপ্না। এরপরই তিনি গার্হস্থ্য হিংসার অভিযোগ দায়ের করেন। আদালত জানিয়েছে, নথিভুক্ত প্রমাণ এবং আবেদনকারীর নিরাপত্তা ও পেশাগত দায়বদ্ধতার বিষয়গুলি বিবেচনা করেই এই অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তবে এখনও পর্যন্ত এই অভিযোগ নিয়ে স্বপ্না চৌধুরী বা বীর সাহুর পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি। মামলার পরবর্তী শুনানি নির্ধারিত হয়েছে ২৫ জুলাই, ২০২৬।
{{/usCountry}}তবে এখনও পর্যন্ত এই অভিযোগ নিয়ে স্বপ্না চৌধুরী বা বীর সাহুর পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি। মামলার পরবর্তী শুনানি নির্ধারিত হয়েছে ২৫ জুলাই, ২০২৬।
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, স্বপ্না চৌধুরী প্রথমে হরিয়ানায় নৃত্যশিল্পী হিসেবে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। পরে তাঁর একাধিক গান দর্শকদের মধ্যে বিপুল সাড়া ফেলে। তিনি জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘বিগ বস’-এরও প্রতিযোগী ছিলেন এবং দর্শকদের কাছ থেকে ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছিলেন। ২০২৩ সালে তিনি কান চলচ্চিত্র উৎসবেও অংশ নেন। সেই অভিজ্ঞতা সম্পর্কে স্বপ্না বলেছিলেন, ‘কানে যাওয়া প্রতিটি অভিনেতার স্বপ্ন। ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানাই যে আমি সেই সুযোগ পেয়েছি। সেখানে হরিয়ানা এবং ভারতকে প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে আমি গর্বিত।’