...
...
Next Story

Sara Tendulkar: ‘মুটকিটা সারা, পাশেরজন বৌদি…’, শরীর নিয়ে নোংরা কটাক্ষ, ধুয়ে দিলেন সচিন কন্যা

Sara Tendulkar: সচিন-কন্যা সারা তেন্ডুলকর বরাবরই তাঁর মিষ্টি স্বভাব, মার্জিত ফ্যাশন সেন্স এবং ব্যক্তিগত জীবন আড়ালে রাখার জন্য নেটিজেনদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। তবে সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় শারীরিক গঠন নিয়ে কদর্য ট্রোলিংয়ের শিকার হতে হলো তাঁকে।

Published on: May 22, 2026, 08:00:35 IST
Advertisement

তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে তাঁদের পোশাক-আশাক, হাঁটা-চলা— সব কিছু নিয়েই সমাজমাধ্যমে কাটাছেঁড়া করাটা ইদানীং কিছু নেটিজেনদের মজ্জাগত অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে নারী তারকাদের শারীরিক গঠন বা ওজন নিয়ে ‘বডি শেমিং’ করার নোংরা প্রবণতা দিন দিন বাড়ছে। এবার ঠিক তেমনই এক কদর্য আক্রমণের শিকার হলেন ক্রিকেটের ঈশ্বর সচিন তেন্ডুলকরের রূপসী কন্যা তথা মডেল সারা তেন্ডুলকর। ইনস্টাগ্রামের দেওয়ালে তাঁকে সরাসরি ‘মোটি’ (মুটকি) বলে কটাক্ষ করায় এবার আর ভদ্রতার খাতিরে চুপ থাকলেন না সারা। বরং ট্রোলারদের যোগ্য জবাব দিয়ে নিজের ক্ষোভ ও বিরক্তি উগরে দিলেন তিনি।

‘মুটকিটা সারা, পাশেরজন বৌদি…’, শরীর নিয়ে নোংরা কটাক্ষ, ধুয়ে দিলেন সচিন কন্যা
‘মুটকিটা সারা, পাশেরজন বৌদি…’, শরীর নিয়ে নোংরা কটাক্ষ, ধুয়ে দিলেন সচিন কন্যা

সমাজমাধ্যমে নিজেকে ‘সাংবাদিক’ বলে দাবি করা এক ব্যক্তির কুরুচিকর ক্যাপশনের শিকার হয়েছেন সারা। শুধু তাই নয়, তেন্ডুলকর পরিবারের সদ্য বিবাহিত নতুন বউমা অর্থাৎ অর্জুন তেন্ডুলকরের স্ত্রী সানিয়া চান্ধোককেও এই নোংরা রসিকতার মধ্যে টেনে আনা হয়েছে। আর তাতেই মারাত্মক চটে গিয়ে সেই স্বঘোষিত সাংবাদিককে ট্যাগ করে তাঁর আসল রূপ কোটি কোটি অনুরাগীর সামনে এনেছেন সারা।

কী ছিল সেই বিতর্কিত ভিডিওতে?

ঘটনার সূত্রপাত, যখন ‘তাহির জাসুস’ নামের এক ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে বিমানবন্দরে সারা তেন্ডুলকরের একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়। সেই ভিডিওর ওপর অত্যন্ত কুরুচিকরভাবে হিন্দিতে একটি ক্যাপশন লেখা ছিল— ‘মোটি ওয়ালি সারা হ্যায়, বাগল ওয়ালি ভাবি হ্যায়’ (মোটা মেয়েটি হলো সারা, আর পাশের জন তাঁর বৌদি)। ভিডিওতে সারার পাশে থাকা যে মহিলাকে ‘বৌদি’ বলে সম্বোধন করা হয়েছিল, তিনি আর কেউ নন— বিশিষ্ট উদ্যোগপতি সানিয়া চান্ধোক। উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের মার্চ মাসেই সারার ভাই অর্জুন তেন্ডুলকরের সাথে রাজকীয় বিয়ে হয়েছে সানিয়ার।

ইনস্টাগ্রামের বায়োতে নিজেকে ‘সাংবাদিক’ বলে পরিচয় দেওয়া ওই ব্যক্তির এমন ‘নোংরা মানসিকতা’ এবং কদর্য শব্দপ্রয়োগ দেখে আর চুপ থাকেননি সারা। সেই পোস্টের স্ক্রিনশট নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে শেয়ার করে ওই ব্যক্তিকে সরাসরি ট্যাগ করেন সচিন-কন্যা। তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়ে সারা লেখেন— ‘তুমি অত্যন্ত জঘন্য এবং ঘৃণ্য। এটাকে কোনওভাবেই ‘সাংবাদিকতা’ বলা চলে না। আমাদের। একা। ছেড়ে। দাও।’

কড়া জবাব সারার

পাশে দাঁড়িয়েছেন অনুরাগীরা:

সারার এই সাহসী প্রতিবাদের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর অনুরাগীরাও ট্রোলারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। অনেকেই লিখেছেন, ‘সারা তুমি যেমন, তেমনই অসাধারণ সুন্দর। এই ধরনের বেকার ও মানসিক বিকারগ্রস্ত মানুষদের কথায় কান দিও না।’ আবার কেউ যোগ করেছেন, ‘সেলিব্রিটিদেরও একটা ব্যক্তিগত জীবন আছে, তাঁদেরও খারাপ লাগা বা ভালো লাগা আছে— এটা এই ট্রোলাররা কবে বুঝবে?’

গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ডে পা না রেখেও সারার নিজস্ব ফ্যান বেস কোনো বড় বলিউড অভিনেত্রীর চেয়ে কম নয়। লন্ডনে পড়াশোনা শেষ করে নিজের মতো করে লাইফস্টাইল মেইনটেইন করা সারা যে অন্যায়ের বিরুদ্ধেও মুখ খুলতে পারেন, এই ঘটনা তারই প্রমাণ দিল।

 
ABOUT THE AUTHOR
Priyanka Mukherjee

প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe