২০০৮ সালে জুনিয়র আর্টিস্ট হিসেবে কেরিয়ার শুরু করেন সায়ক চক্রবর্তী। কালার্স বাংলায় তাঁর মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্য ধারাবাহিকে ভগবান কৃষ্ণের ভূমিকায় অভিনয় এখনো দর্শক মনে জায়গা করে রয়েছে। ছিলেন করুণাময়ী রানী রাসমণী ধারাবাহিকেও। তবে এরপর দীর্ঘদিন হাতে কোনো ধারাবাহিক না থাকার কারণে, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভ্লগিং শুরু করেন সায়ক। যদিও মাঝখানে চিরসখা ধারাবাহিকে খুব ছোট্ট একটি রোলে দেখা যায় তাঁকে। তবে তুই আমার হিরো ধারাবাহিকে সায়কের অভিনয় বেশ প্রশংসিত হয়েছিল। বেশ দুঁদে খলনায়ক হিসেবে দেখা গিয়েছিল তাঁকে-- চরিত্রের নাম ছিল ঋতম। তবে ছকভাঙা চরিত্রে নজর কাড়লেও, ফের অভিনয় থেকে লম্বা বিরতি।

তবে এবার সুখবর ভাগ করে নিলেন সায়ক সোশ্যাল মিডিয়ায়। জানালেন, খুব জলদিই আবার টিভিতে ফিরবেন তিনি। বর্তমানে দাদা আর মায়ের সঙ্গে বিদেশে ছুটি কাটাচ্ছেন। আর সেখানে বসেই এসেছে খবর তাঁর কাছে। আর তা নিজের অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নিলেন। সায়ক ফেসবুকে লিখলেন, ‘কলকাতায় ফিরেই আবার আসছি টিভিতে। মালয়েশিয়াতে বসে এই সুখবর পেয়ে আর অপেক্ষা করতে ইচ্ছে করল না’।
বিগত কয়েকমাসে একাধিক বিতর্কে জড়িয়েছেন সায়ক। যা শুরু হয়েছিল পার্কস্ট্রিটের এক নামি রেস্তোরাঁ থেকে। অভিনেতার অভিযোগ ছিল, তাঁকে মটনের বদলে গরুর মাংস পরিবেশন করা হয়েছে। এই নিয়ে ভিডিয়ো বানান তিনি। যদিও সায়ককেই তুলোধনা করেছিল নেটপাড়ার বড় একটা অংশ। পার্কস্ট্রিট থানায় সায়ক ওই রেস্তোরাঁর ওয়েটারের নামে কেস করেন। পালটা সায়কের নামেও এফআইআর দায়ের করা হয়।
এরপর ব্যক্তিগত জীবনেও ওঠে ঝড়। সায়কের প্রাক্তন বউদি তাঁর ও তাঁর পরিবারের নামে একগুচ্ছ অভিযোগ আনে। এমনকী, সায়ককে নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ তোলেন স্যান্ডি সাহা। বিতর্ক এমন জায়গায় পৌঁছয় যে নিজেকে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে সরিয়ে নেন সায়ক। তবে আপাতত বিতর্কের কালো মেঘ অনেকটাই কেটেছে।
আপাতত ছুটির মেজাজে মালয়েশিয়ায় তিনি সপরিবারে। মা ও দাদাকে নিয়ে কুয়ালালামপুর এবং মালাক্কা থেকে একাধিক ছবি ও ভিডিয়ো পোস্ট করেছেন। সায়কের টিভিতে ফেরার খবরে উৎসাহী তাঁর অনুরাগীরাও। একজন লিখলেন, ‘আমিও খুব খুশি তোমাকে আবার টিভিতে দেখতে পারব ভেবে।’ আরেকজন লিখলেন, ‘উফফফ আরেকটু বলতে পারতে। কোন চ্যানেল, কোন সিরিয়াল।’ তৃতীয়জন লিখলেন, ‘খুব ভালো খবর, অনেক অনেক অভিনন্দন। জীবনে অনেক উন্নতি করো, ভগবানের কাছে এই প্রার্থনাই করি।’