বরানগর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে নির্বাচনে পরাজয় হয় সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। আর বিজেপি-র সজল ঘোষের কাছে হারের পর, চুপচাপই ছিলেন টলিউড নায়িকা। তবে এবার করলেন ‘প্রাক্তন’এ-র কাছে ফেরার ঘোষণা। যদিও সঙ্গে দিলেন অসুস্থতার খবরও।

ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে দুটি ছবি শেয়ার করেন অভিনেত্রী। একটিতে দেখা যায় কাউচে মাথা হেলিয়ে আধশোয়া অবস্থায়। ক্যাপশনে লেখা, ‘ভাইরাল ফিভার… যদিও ধীরে ধীরে সুস্থ হচ্ছি’। পরের ছবিতে সায়ন্তিকাকে দেখা যায় জিমে ঘাম ঝরাতে। ট্রেনারের সঙ্গে মিরর সেলফি শেয়ার করে লিখলেন, ‘যেখানে আমার স্থান, সেখানে ফিরে আসতে পেরে আমি খুশি।’
জানা যায়, সায়ন্তিকা প্রায় ১৩,০০০ ভোটে পিছিয়ে ছিলেন সজল ঘোষের থেকে। আর হারের পর, সংবাদমাধ্যমের সামনে অভিনেত্রী বলেন, মানুষের রায় তিনি মাথা পেতে মেনে নেবেন। এর আগে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বাঁকুড়া থেকে হেরেছিলেন সায়ন্তিকা বিজেপির কাছে, প্রার্থী ছিলেন নীলাদ্রি শেখর দানা। তবে ২০২৪ সালের উপনির্বাচনে জিতে বরাহনগরের বিধায়ক হয়েছিলেন সায়ন্তিকা।
২০২১ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে, ৩ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূল কংগ্রেসে (TMC) যোগ দিয়েছিলেন জনপ্রিয় টলিউড অভিনেত্রী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। যোগদানের পর সায়ন্তিকা জানান যে, তিনি বিগত ১০ বছর ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থক ছিলেন এবং দিদির হাত শক্ত করতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সঙ্গে তাঁর দাবি ছিল যে, জনগনের সেবা করতে রাজনীতিতে পা রাখা। যদিও খবর, ২০২৬ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের শোচনীয় হারের পর, তিনি রাজনীতির জগত থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা ভাবছেন। সঙ্গে ফিরতে চান অভিনয়েই।
{{/usCountry}}২০২১ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে, ৩ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূল কংগ্রেসে (TMC) যোগ দিয়েছিলেন জনপ্রিয় টলিউড অভিনেত্রী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। যোগদানের পর সায়ন্তিকা জানান যে, তিনি বিগত ১০ বছর ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থক ছিলেন এবং দিদির হাত শক্ত করতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সঙ্গে তাঁর দাবি ছিল যে, জনগনের সেবা করতে রাজনীতিতে পা রাখা। যদিও খবর, ২০২৬ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের শোচনীয় হারের পর, তিনি রাজনীতির জগত থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা ভাবছেন। সঙ্গে ফিরতে চান অভিনয়েই।
{{/usCountry}}'ধুম মাচা লে' রিয়েলিটি শো-এর মাধ্যমে বিনোদন জগতে পা রাখেন সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর 'টার্গেট', 'হ্যাংওভার', 'মনে পড়ে আজও সেই দিন'-এর মতো ছবিতে অভিনয় করেন। ২০১২ সালে জিতের বিপরীতে 'আওয়ারা' ছবি তাঁকে নিয়ে আসে খ্যাতির আলোয়। তাঁর অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলির মধ্যে রয়েছে 'শুটার', 'নকাব' (শাকিব খানের বিপরীতে), আওয়ারা, বিন্দাস, পাওয়ার, ব্যোমকেশ পর্ব, বাঘ বন্দী খেলা, শেষ থেকে শুরু। ২০২৩ সালে বাংলাদেশে জায়েদ খানের বিপরীতে 'ছায়াবাজ' সিনেমায় শেষ দেখা গিয়েছে তাঁকে। এখন দেখার, রাজনীতিকে টাটা বাই বাই করে সত্যিই নতুন করে সিনেমা কেরিয়ারেই মনোনিবেশ করেন কি না!