দিল্লির জন্তর মন্তরে চলা ছাত্র আন্দোলনের প্রতি শুরু থেকেই প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়ে আসছেন বলিউড অভিনেত্রী শাবানা আজমি। আন্দোলনরত পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি একাধিকবার সরাসরি উপস্থিত থেকেছেন, আবার সোশ্যাল মিডিয়াতেও তাঁদের দাবির পক্ষে সরব হয়েছেন। তবে এবার অসুস্থতার কারণে নির্ধারিত প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে পারলেন না অভিনেত্রী।

শাবানার টিমের প্রকাশিত বিবৃতি অনুযায়ী, তিনি সোয়াইন ফ্লুতে আক্রান্ত হয়েছেন এবং বর্তমানে তাঁর ১০২ ডিগ্রি জ্বর রয়েছে। চিকিৎসকরা তাঁকে সম্পূর্ণ বেড রেস্টে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ওই দিন তাঁর আন্দোলনে যোগ দেওয়ার কথা থাকলেও শারীরিক অবস্থার অবনতির কারণে তা সম্ভব হয়নি।
শুধু আন্দোলনের ময়দানেই নয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও শিক্ষার্থীদের সমর্থনে একাধিক পোস্ট করেছেন শাবানা। একটি পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, ‘সত্যি বললে ফাঁসি ও ফাঁসের ভয় থাকে। তবুও আসল প্রশ্ন হল, সেই ফাঁসের পর কী রয়েছে?’
অন্য একটি পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার এবং গোটা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের দাবিতে আমি জন্তর মন্তরের আন্দোলনস্থলে আমার তরুণ সহযোদ্ধাদের সঙ্গে যোগ দিতে যাচ্ছি। দেশের সাফল্য বিচার করতে হলে জিডিপির ৬ শতাংশ শিক্ষা, জনস্বাস্থ্য এবং নারী ক্ষমতায়নের জন্য বরাদ্দ করা উচিত।’
এর আগেও একটি আন্দোলনের সময় শাবানা আজমির শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছিল এবং তাঁকে জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। সুস্থ হওয়ার পরও তিনি আবার আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন।
এছাড়া, আন্দোলনের সময় টিয়ার গ্যাস ছোড়ার ঘটনায় তাঁর হাঁপানির সমস্যা বেড়ে গিয়েছিল। সে সময় শাবানা জানান, তাঁর হাঁপানি রয়েছে এবং টিয়ার গ্যাসের ধোঁয়ায় তিনি অ্যাজমার অ্যাটাকে আক্রান্ত হন। তবে সঙ্গে ইনহেলার থাকায় দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব হয়। পরে তাঁকে একটি ভবনের ভিতরে নিয়ে যাওয়া হলে তিনি স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিতে পারেন। এরপরও তিনি আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীদের সাহস ও দৃঢ়তাকে কুর্নিশ জানিয়েছিলেন।
{{/usCountry}}এছাড়া, আন্দোলনের সময় টিয়ার গ্যাস ছোড়ার ঘটনায় তাঁর হাঁপানির সমস্যা বেড়ে গিয়েছিল। সে সময় শাবানা জানান, তাঁর হাঁপানি রয়েছে এবং টিয়ার গ্যাসের ধোঁয়ায় তিনি অ্যাজমার অ্যাটাকে আক্রান্ত হন। তবে সঙ্গে ইনহেলার থাকায় দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব হয়। পরে তাঁকে একটি ভবনের ভিতরে নিয়ে যাওয়া হলে তিনি স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিতে পারেন। এরপরও তিনি আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীদের সাহস ও দৃঢ়তাকে কুর্নিশ জানিয়েছিলেন।
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, দিল্লির জন্তর মন্তরে গত এক মাস ধরে ছাত্রদের এই আন্দোলন চলছে। আন্দোলনকারীদের সমর্থনে সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুকও অনশন-সহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। আন্দোলনকারীদের প্রধান দাবি, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ। দিল্লি থেকে শুরু হওয়া এই আন্দোলন ধীরে ধীরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়েছে।