রচনা বন্দ্যোপাধ্যয় আর ট্রোল, বর্তমানেহয়ে দাঁড়িয়েছে মুদ্রার এপিঠ আর ওপিঠ। ক্রমাগত কটাক্ষের মুখে পড়ছেন প্রাক্তন দিদি নম্বর ১ সঞ্চালিকা। তারকা থেকে সাধারণ মানুষ, সকলেরই আক্রমণের মুখে। এবার রচনাকে নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেতা শংকর চক্রবর্তী।

বাংলা সিনেমা নেভার মাইন্ডের প্রিমিয়ারে সংবাদমাধ্যমের তরফে রচনাকে নিয়ে প্রশ্ন রাখা হয় শংকর চক্রবর্তীর কাছে। আর তাতে অভিনেতার কাছ থেকে জবাব আসে, ‘আমার অত পয়সা নেই ওখানে থাকার মতো। কী বলব। ওর যোগ্যতা আছে থাকছে। ওর প্রচুর পয়সা।’। আর এই ‘ওখানে’ বলতে শংকরের ইঙ্গিত আরবানার দিকে। কারণ সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রচনাকে বলতে শোনা গিয়েছে, ‘আরবানায় থাকতে যোগ্যতা লাগে’।
এখানেই শেষ নয়, রচনার ‘আমিই একমাত্র বাঙালি নায়িকা যিনি অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে কাজ করেছি’ মন্তব্যেরও সমালোচনা করলেন শংকর। বললেন, ‘একটা জিনিস ভুলভাল করে ফেলেছে, সেটা হল উনি নাকি প্রথম বাহালি মহিলা যিনি অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে কাজ করেছেন। তাহলে শর্মিলা ঠাকুর কে? জয়া বচ্চন অর্থাৎ জয়া ভাঁদুড়ি কে? মৌসুমী চট্টোপাধ্য়ায় কে? লিলি চক্রবর্তী কে? আসলে মাথা-ফাতা পুরো গেছে।’
শংকর চক্রবর্তীই একমাত্র নন, এর আগে ভাস্বর-ঋদ্ধি-শ্রীলেখারা সমালোচনা করেছেন রচনার মন্তব্য। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের হারের পর হুগলির সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) থেকে দলবদল এবং 'বিদ্রোহী' শিবিরে যোগদান করেন। এখানেই শেষ নয়, দলবদলের পর এক সাক্ষাৎকারে তিনি তৃণমূলকে ‘চোর’ এবং ‘দুর্নীতিতে ভরা’ বলে আক্রমণও করেন। দাবি করেন যে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে ব্যবহার করেছেন এবং তিনি নিজের জনপ্রিয়তার জোরেই হুগলি আসনটি জিতেছিলেন। এরপর রচনার বিরুদ্ধে মুখ খোলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষরা।
এরই মাঝে রচনার কাছ থেকে চলে যায় তাঁর দীর্ঘদিনের সঞ্চালিত শো দিদি নম্বর ১-ও। যেখানে তিনি সেই ২০১০ সাল থেকে সঞ্চালনার দায়িত্ব সামলে আসছিলেন। তারপরই একাধিক মিডিয়া সাক্ষাৎকার দেন, আর করতে থাকেন আলটপকা মন্তব্য।
{{/usCountry}}এরই মাঝে রচনার কাছ থেকে চলে যায় তাঁর দীর্ঘদিনের সঞ্চালিত শো দিদি নম্বর ১-ও। যেখানে তিনি সেই ২০১০ সাল থেকে সঞ্চালনার দায়িত্ব সামলে আসছিলেন। তারপরই একাধিক মিডিয়া সাক্ষাৎকার দেন, আর করতে থাকেন আলটপকা মন্তব্য।
{{/usCountry}}বাংলা এবং ওডিয়া সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফিল্মি কেরিয়ার শুরু হয় ১৯৯৪ সালে 'মিস কলকাতা' খেতাব জয়ের পর। তাঁর আসল নাম ছিল ঝুমঝুম। পরিচালক সুখেন দাস নাম রেখেছিলেন রচনা। সুখেনেরই পরিচালনায় 'দান প্রতিদান' ছবির মাধ্যমে বাংলা সিনেমায় কাজ করা শুরু। অবশ্য রচনা শুধুমাত্র বাংলা বা ওড়িয়াতেই সীমাবদ্ধ থাকেননি। তিনি একাধিক তামিল, তেলুগু এবং কন্নড় ভাষার চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন। আর হিন্দি সিনেমা 'সূর্যবংশম' (১৯৯৯)-এ অমিতাভ বচ্চনের স্ত্রীর চরিত্রে দেখা গিয়েছিল রচনাকে।