জল্পনা চলছিল মাস কয়েক ধরেই। অবশেষে সিলমোহর। রথের দিন (১৬ই জুলাই) রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিলেন রুক্মিণী মল্লিক অর্থাৎ অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। বুধবার বিকেল পর্যন্তও রাজ্যসভার সরকারি ওয়েবসাইটে তৃণমূলের সাংসদ তালিকায় জ্বলজ্বল করছিল রঞ্জিত-কন্যার নাম। কিন্তু বৃহস্পতিবার সকাল হতেই বদলে গেল ছবিটা।

ইস্তফা কোয়েলের
সাংসদ পদ ছাড়ার পরক্ষণেই নয়াদিল্লির মতিলাল নেহেরু রোডে কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রী তথা পশ্চিমবঙ্গের বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক ভূপেন্দ্র যাদব-এর বাসভবনে দেখা গেছে কোয়েলকে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে এই বৈঠকের ছবি প্রকাশ্যে আসতেই চর্চা শুরু হয়ে গেছে যে, খুব শীঘ্রই আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি ভারতীয় জনতা পার্টিতে (BJP) যোগ দিতে চলেছেন কোয়েল?
কেন এই সিদ্ধান্ত?
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তৃণমূলের সঙ্গে গত কয়েকদিন ধরেই কোয়েলের দূরত্ব বাড়ছিল। সূত্রের খবর, অভিনেত্রী বিদেশে থাকায় ইস্তফা দিতে কিছুটা সময় লেগেছে, তবে বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর কথোপকথন অনেক আগেই সম্পন্ন হয়েছিল।
কোয়েল মল্লিকের এই দলবদলকে তৃণমূলের জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখছেন অনেকে। মল্লিক পরিবারের স্বচ্ছ ভাবমূর্তি এবং টলিউডের ওপর কোয়েলের প্রভাব বিজেপির পালে বাড়তি হাওয়া দেবে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে, বর্তমানে টলিউডের সঙ্গে দুর্নীতির নানা অভিযোগ জড়িয়ে পড়ার আবহে কোয়েলের মতো একজন হেভিওয়েট তারকার বিজেপিতে যোগদান পদ্মশিবিরের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ।
রাজ্যসভার পরবর্তী পদক্ষেপ
{{/usCountry}}রাজ্যসভার পরবর্তী পদক্ষেপ
{{/usCountry}}তৃণমূল থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর বিজেপির পরবর্তী পরিকল্পনা নিয়েও জল্পনা তুঙ্গে। অতীতে সুস্মিতা দেব, সুখেন্দু শেখর রায় ও প্রকাশ চিক বরাইকের মতো সাংসদরা রাজ্যসভা থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর যে পদ্ধতিতে উপ-নির্বাচন হয়েছিল, এক্ষেত্রেও সেই একই পথ নেওয়া হতে পারে। সূত্রের খবর, তৃণমূল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বেরিয়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর, দল তাঁকে রাজ্যসভার ওই শূন্য আসনে প্রার্থী করতে পারে।