Sohini-Shovan: ‘যা বানায় তা-ই…’! বিয়ের পর গুছিয়ে সংসার, সোহিনী কি আদৌ রান্নাবান্না করতে পারে, জবাব শোভনের
জানেন কি বউ সোহিনী সরকারের হাতের কোন রান্না খেত সবচেয়ে ভালোবাসেন শোভন গঙ্গোপাধ্যায়? রান্নাবাটির প্রিমিয়ারে এসে নিজের মুখেই তা জানালেন গায়র।
অভিনেত্রী সোহিনী সরকার এবং গায়ক শোভন গঙ্গোপাধ্যায়ের বিয়ের বয়স দেখতে দেখতে পার করে গিয়েছে ১ বছর। ছাদনাতলায় যাওয়ার আগে থেকেই অবশ্য আলোচনায় এই জুটি। প্রথমদিকে বেশ চেষ্টা করেছিলেন প্রেমের খবর চেপে রাখার। এমনকী, বিয়ের আগে একে-অপরকে নিয়ে কথা বলাও এড়িয়ে গিয়েছিলেন দুজনে সযত্নে। একেবারে ছিমছামভাবে, বাওয়ালির ফার্মহাউজে চার হাত এক হয়। রেজিস্ট্রির পাশাপাশি মালাবদল, সিঁদুর দান। এমনকী, গায়ে হলুদও হয়েছিল বিয়ের সকালে।

জানেন কি বউয়ের কোন রান্না খেত সবচেয়ে ভালোবাসেন শোভন? সম্প্রতি সোহিনীর সিনেমা রান্নাবাটি-র প্রিমিয়ারে এসেছিলেন গায়ক। আর সেখানে সংবাদমাধ্যমের তরফে জানতে চাওয়া হয়, সোহিনীর হাতের কোন রান্না খেতে ভালোবাসেন তিনি সবচেয়ে? তাতে শোভন জবাব দেন, ‘সব কিছুই। চিড়ের পোলাও, বিরিয়ানি, চিকেন, পনির, সবই। যা বানায় তা-ই রান্নাবাটি স্পেশাল।’ পাশ থেকে অবশ্য মস্করা করে সোহিনী ফুট কাটেন, ‘সব শিখিয়ে নিয়ে এসেছি…’!
আরও পড়ুন: মেজাজ হারিয়ে কখনো ইউভান-ইয়ালিনিকে পিটুনি দেন শুভশ্রী? ‘একজন মানুষ হিসেবে আরেকজন…’, জবাব রাজ-পত্নীর
অবশ্য এর আগে স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ও এক সাক্ষাৎকারে ঢালাও প্রশংসা করেছিলেন সোহিনীর হাতের রান্নার। সঙ্গে জানিয়েছিলেন যে, বাড়িতে কোনো অতিথি এলে নিজের হাতে যেমন রান্না করেন তিনি, তেমনই খুব সুন্দর করে সাজিয়ে গুছিয়ে খেতে দেন। ঠিক ‘মায়েদের মতো’ করে।
একসময় দুজনের বয়সের ফারাক নিয়ে কম বিতর্ক হয়নি। এমনকী, কিছু মানুষ ট্রোল করে ‘দিদি-ভাই’ বলতেও দ্বিধা করেনি। সোহিনী বয়সে শোভনের থেকে কিছুটা বড়। যদিও ঠিক কতটা বড় তা নিয়ে আবার দ্বিমত রয়েছে। উইকিপিডিয়া বলে, সোহিনীর জন্ম ১৯৮৭ সালের ৬ মার্চ। আরেকটা তথ্য বলছে নায়িকার জন্ম ১৯৯১ সালের ১ অক্টোবর। উইকিপিডিয়া অনুসারে ১ এপ্রিল ১৯৯৩, এই হল শোভনের জন্মদিন। ২০০৭ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন শোভন। তাই কমপক্ষে সোহিনী তাঁর প্রেমিকের চেয়ে দেড় বছরের বড়।
আপাতত হলে বেশ রমরমিয়ে চলছে ‘রান্নাবাটি’। সোহিনী ছাড়াও ছবিতে রয়েছেন ঋত্বিক চক্রবর্তী, শোলাঙ্কি রায়, বরুণ চন্দ, অনির্বাণ চক্রবর্তী, সায়ন, ইদা দাশগুপ্ত। চলচ্চিত্র সমালোচক থেকে দর্শক, সকলের মনেই বেশ দাগ কেটে গিয়েছে প্রতিম ডি গুপ্ত পরিচালিত ছবিটি।
E-Paper

