Eetha: পিছিয়ে গেল ইধা মুক্তির তারিখ, টক্সিকের সঙ্গে প্রতিযোগিতা এড়াতেই এই সিদ্ধান্ত?

Eetha: আগামী ২৮ অগস্ট বড় পর্দায় মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল শ্রদ্ধা কাপুরের ইধা। কিন্তু ছবি মুক্তির তারিখ ঘোষণা করার পরেও সেটা স্থগিত করে দিলেন পরিচালক। ছবির প্রযোজক সংস্থা ম্যাডক্স ফিল্মস আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে, ছবি মুক্তির তারিখ পিছিয়ে ডিসেম্বর করে দেওয়া হল।

Published on: Aug 11, 2026, 22:31:26 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Eetha: আগামী ২৮ অগস্ট বড় পর্দায় মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল শ্রদ্ধা কাপুরের ‘ইধা’। কিন্তু ছবি মুক্তির তারিখ ঘোষণা করার পরেও সেটা স্থগিত করে দিলেন পরিচালক। ছবির প্রযোজক সংস্থা ম্যাডক্স ফিল্মস আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে, ছবি মুক্তির তারিখ পিছিয়ে ডিসেম্বর করে দেওয়া হল। অর্থাৎ যশ অভিনীত টক্সিক ছবির সঙ্গে আর এই ছবি প্রতিযোগিতায় নামছে না।

পিছিয়ে গেল ইধা মুক্তির তারিখ
পিছিয়ে গেল ইধা মুক্তির তারিখ

ছবির মুক্তির তারিখ পিছিয়ে দেওয়ার ঘোষণা করে প্রযোজনা সংস্থার তরফ থেকে লেখা হয়েছে, তুফানের জন্য প্রস্তুত থাকুন, ইধা আসছে ৪ ডিসেম্বর। দর্শকদের আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে শ্রদ্ধা কাপুরের সেই ম্যাজিক দেখার জন্য।

আরও পড়ুন: 'গল্প না বলতে পারলে...', বাংলা ছবির পিছিয়ে যাওয়া নিয়ে যা বললেন টোটা

ইতিমধ্যেই ছবির টিজার মুক্তি পেয়েছে যা দর্শকদের মন কেড়ে নিয়েছে। শুধুমাত্র টিজার দেখেই দর্শকরা বুঝে গিয়েছেন আগামীদিনে কত বড় ঝড় আনতে চলেছে এই ছবিটি। টিজারে একটি দৃশ্যে দেখা যায়, নয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা ইধা মঞ্চের পেছনে অনুষ্ঠানের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। এরপরেই প্রসব ব্যথা শুরু হয়ে যায় এবং মঞ্চের পেছনেই সন্তান প্রসব করে ইধা। মৃত্যু ভয় বর্জন করেও সদ্য মা হওয়া ইধা, মঞ্চে নাচ করে দেখিয়েছিলেন সকলকে।

ইধা সম্পর্কে

চলচ্চিত্রটি বিঠাবাই নারায়ণগাঁওকরকে অনুসরণ করে, যিনি একজন প্রখ্যাত মারাঠি তামাশা ও লাবণী শিল্পী এবং সাধারণ অবস্থা থেকে উঠে এসে মহারাষ্ট্রের অন্যতম সেরা লোকনাট্য শিল্পী হয়ে ওঠেন। চলচ্চিত্রটিতে আরও অভিনয় করেছেন রণদীপ হুদা, অনন্ত জোশী এবং অন্যান্যরা। এটি দীনেশ ভিজানের ম্যাডক ফিল্মস দ্বারা সহ-প্রযোজিত।

‘ইধা’ মহারাষ্ট্রের লাবণী ও তামাশা ঐতিহ্যের এক শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিত্ব, কিংবদন্তী লাবণী শিল্পী বিঠাবাই নারায়ণগাঁওকরের জীবন অবলম্বনে নির্মিত। তিনি তাঁর সময়ের অন্যতম শ্রদ্ধেয় লোকশিল্পী হয়ে ওঠেন এবং প্রজন্মের পর প্রজন্ম শিল্পীদের অনুপ্রাণিত করেছেন।

আরও পড়ুন: রাজনীতি সায়ন্তিকার জন্য নয়! অভিনেত্রীর ভবিষ্যৎ নিয়ে আর কী বললেন জ্যোতিষী?

ভারতীয় লোকশিল্পে তাঁর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৫৭ সালে এবং পুনরায় ১৯৯০ সালে ভারতের রাষ্ট্রপতি তাঁকে সম্মানিত করেন। কিন্তু এই প্রশংসা ও খ্যাতির আড়ালে ছিল এক কঠিন সংগ্রামে ভরা জীবন। রাজ্যজুড়ে সমাদৃত হওয়া সত্ত্বেও, মনে করা হয় যে বিঠাবাই তাঁর জীবনের শেষ বছরগুলো আর্থিক সংকটের সঙ্গে লড়াই করেই কাটিয়েছেন। এই শিল্পকলার প্রতি তাঁর অনুরাগ তাঁর পরিবারের মধ্যে দিয়ে বেঁচে ছিল, এবং তাঁর মেয়েরা ও জামাতারাও লাবণী ও তামাশা শিল্পকে গ্রহণ করেন।