৩০ সেপ্টেম্বর ৩০তম জন্মদিন পালন করলেন শ্রুতি দাস। রাত ১২টায় মেয়ের জন্য সব আয়োজন করেছিলেন অভিনেত্রীর মা-বাবা। রাত ১২টার আগে বাড়িতে ঢোকেন বর স্বর্ণেন্দুও। এরপর জোয়ার ভাঁটা-র সেটেও হল কেক কাটা। গোটা টিমের সঙ্গে জন্মদিনের কেক কাটলেন তিনি। এমনকী, সেই সময় সেটে হাজির ছিলেন অভিনেত্রীর মা-বাবাও।

শ্রুতিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে অভিষেক বীর শর্মা লিখলেন, ‘শুধু বয়সেই নয়, বরং গভীরতায়ও তুমি সমৃদ্ধ হয়ে ওঠো; বিস্ময়বোধ অটুট রেখে অর্জন করো প্রজ্ঞা, আর খুঁজে নাও জীবনের সেই ছোট ছোট বিষয়গুলোর মাঝে আনন্দ—যা জীবনকে করে তোলে অসাধারণ। তোমাকে জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা।’
কেক কাটার সেটে রীতিমতো যুদ্ধ লেগে যায় ফাহিম আর শ্রুতির। জোর করে অনলস্ক্রিন বউয়ের মুখে কেক লাগিয়ে দেন ফাহিম। ছাড়ার পাত্রী নন শ্রুতিও। অভিনেতার জামায় গিয়ে মুখ মোছেন। দেখুন-
{{/usCountry}}কেক কাটার সেটে রীতিমতো যুদ্ধ লেগে যায় ফাহিম আর শ্রুতির। জোর করে অনলস্ক্রিন বউয়ের মুখে কেক লাগিয়ে দেন ফাহিম। ছাড়ার পাত্রী নন শ্রুতিও। অভিনেতার জামায় গিয়ে মুখ মোছেন। দেখুন-
{{/usCountry}}শ্রুতিকে শুভেচ্ছা জানয়ে পোস্ট করেছেন আরাত্রিকাও। পর্দার দিদির সঙ্গে একগুচ্ছ ছবি শেয়ার করেছেন। জোয়ার ভাঁটা শুরুর আগেই তাঁরা নর্থ বেঙ্গলে ছুটি কাটাতে গিয়েছিলেন। সেখানে তোলা আর সেটের সময়কার কিছু ছবি রয়েছে তাতে।
মাঝে শোনা গিয়েছিল জোয়ার ভাঁটা-র সেটে নাকি শ্রুতি ও আরাত্রিকার সম্পর্কের অবনতি ঘটেছিল। এমনকী বেশ একটা ঠান্ডা লড়াই চলছে। কে বেশি সিন পাচ্ছে, সিনে কার গুরুত্ব বেশি এই নিয়েও টানটান উত্তেজনা ভিতরে ভিতরে। তবে শ্রুতির জন্মদিনে আরাত্রিকার শুভেচ্ছা স্পষ্ট করল, সবই রটনা।
'জোয়ার ভাঁটা' মূলত দুই বোনের সম্পর্কের টানাপোড়েন, প্রতিশোধের উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল। ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে শুরু হয়েছিল সম্প্রচার। বড় বোন উজি শান্ত, পড়াশোনায় ভালো এবং সৎ পথে নিজের ভাগ্য বদলাতে চায়। বর্তমানে সে পুলিশ অফিসার। অন্য দিকে, নিশা বেশ গরম মেজাজের। প্রতিশোধপরায়ণ। নিজের ভাগ্য বদলাতে অন্যায়ের সাহায্য নিতেও পিছু পা হয় না। ছোট উজি-র সঙ্গে বিয়ে হয়েছে ঋষির। অন্য দিকে, নিশা-র বিয়ে হয় ঋষি-র সঙ্গে।