‘তুমি যাও খুঁজে নাও তাঁর ঠিকানা প্রিয় আজীবন অভিমান জ্বেলে রাখি আমিও….’, আলো আঁধারি ঘর, একা বসে রাপূর্ণার গাওয়া এই গান গুনগুন করেছেন রণজয় বিষ্ণু। গত কয়েকদিন ধরে আলোচনার কেন্দ্রে নায়কের ব্যক্তিগত জীবন। সম্পর্কের ভাঙাগড়া সেলেব মহলে নতুন নয়, কিন্তু মাত্র ৫ মাসে বিয়ে ভাঙার ঘটনা বোধহয় সত্যি বিরল টলিপাড়ায়। শ্য়ামৌপ্তি-রণজয়ের দাম্পত্যে ভাঙনের খবর এখন আর ঢাকা নেই, বরের ঘর ছেড়েছেন শ্যামৌপ্তি। তবে সেই নিয়ে মুখ খুলতে না-রাজ তিনি।

গত কয়েক দিনে তাঁর বিয়ে বিতর্ক চরমে থাকলেও মিডিয়ার ক্যামেরার আড়ালে নয়, বরং পরপর একাধিক পাবলিক অ্যাপিয়ারেন্সে দেখা মিলছে শ্যামৌপ্তি মুদলির। বুধবার রাতেও সেই ছবি। জিফাইভ বাংলার পার্টিতে হাসিখুশি, প্রাণোচ্ছ্বল শ্যামৌপ্তির দেখা মিলল। ক্যামেরার সামনে জমিয়ে পোজ দিলেন। তবে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে একটা শব্দও খরচ করলেন না। নায়িকা আগেই জানিয়েছেন, ‘এসব নিয়ে কথা বলা আমার ডিগনিটির বাইরে’।
রণজয় মিডিয়ার সামনে খুব বেশি মুখ না খুললেও জানিয়েছেন, তিনি মানসিকভাবে বিধ্বস্ত। নায়কের নামে অভিযোগ বিস্তর। কারণ অবশ্যই তাঁর প্রেমের ইতিহাস। আগে একাধিক প্রেম ভেঙেছে রণজয়ের। প্রাক্তন প্রেমিকারা তাঁর বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগও এনেছেন। বিয়ের পরও সেই অভিযোগের তীর পিছু ছাড়ছে না রণজয়ের।
{{/usCountry}}রণজয় মিডিয়ার সামনে খুব বেশি মুখ না খুললেও জানিয়েছেন, তিনি মানসিকভাবে বিধ্বস্ত। নায়কের নামে অভিযোগ বিস্তর। কারণ অবশ্যই তাঁর প্রেমের ইতিহাস। আগে একাধিক প্রেম ভেঙেছে রণজয়ের। প্রাক্তন প্রেমিকারা তাঁর বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগও এনেছেন। বিয়ের পরও সেই অভিযোগের তীর পিছু ছাড়ছে না রণজয়ের।
{{/usCountry}}দিন কয়েক আগে এক ভিডিয়ো বার্তায় রণজয় বলেন, ‘আমরা দু’জনে একে অপরকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলাম। আমাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে এত কাদা ছোড়াছুড়ি এবং অপপ্রচার একদমই কাম্য নয়। আমি চরম মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। একজন মহিলার সম্মানহানি করার আগে ভাবা উচিত। আমাদের সম্পর্কের বিষয়ে নিজেদের মধ্যে যা সমাধান করার আমরা করে নেব, কারও কাছে কিছু প্রমাণ করার দায় আমাদের নেই। দয়া করে আমাদের বাঁচতে দিন।’
সহ-অভিনেত্রী বা অন্যান্যদের নাম জড়িয়ে যে সমস্ত খবর ছড়ানো হচ্ছে, সেগুলোকে সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়ে প্রমাণ ছাড়া মিথ্যা রটনা বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। তবে টলিপাড়ায় অনেকের দাবি, শ্য়ুটের বাইরেও নাকি একসঙ্গে সময় কাটান রণজয় ও তাঁর বর্তমান সিরিয়ালের নায়িকা। যা নিয়ে শ্যামৌপ্তির সঙ্গে রণজয়ের ঝামেলা। অনেকে আবার টেনে এনেছেন শ্যামৌপ্তির কেরিয়ারে আচমকা উত্থানের কথা। ফুলপিসি ও এডওয়ার্ড ছবির জেরে নাকি দূরত্ব বেড়েছে রণজয়-শ্য়ামৌপ্তির। রণজয়ের ঘনিষ্ঠমহল আবার এক রেস্তোরাঁ মালিকের সঙ্গে শ্যামৌপ্তির বন্ধুত্বের তত্ত্বও টেনে আনছে।
সব মিলিয়ে তলানিতে দুজনের সম্পর্ক। রণজেয়র অতীত, বয়সের ফারাক সব জেনেই বিয়ে করেন শ্যামৌপ্তি। তারপরও এত দ্রুত কীভাবে বদলাল সম্পর্কের সমীকরণ। চলতি বছর ১৪ই ফেব্রুয়ারি ধুমধাম করে বিয়ে সরেছিলেন দুজনে। ৬ মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই লক্ষ যোজন দূরত্ব দুজনের।