...
...
Next Story

Papiya Adhikari: ‘চিহ্ন ছিন্ন-ভিন্ন’, প্রতীক-হারা মমতাকে বিঁধলেন পাপিয়া, তৃণমূল জমানা শেষ!

চার মাসেই বিলুপ্তির পথে মমতার সাধের তৃণমূল। লোগো-হারা হয়েছেন দলনেত্রী। এবার তাঁর উদ্দেশ্যে কী বার্তা বিজেপি বিধায়কের?

Published on: Sep 20, 2026, 10:30:17 IST
Advertisement

বিধানসভা নির্বাচন থেকে বিধানসভা উপনির্বাচন, গত চার মাসে বদলে গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি। যে প্রতীক গত ১৫ বছর রাজ্য় শাসন করেছে, সেই জোড়াফুল প্রতীক আর অংশ হবে না উপনির্বাচনে। ইভিএম-এ অস্তিত্বই থাকবে না সেই ঘাসের ওপর জোড়াফুল প্রতীকের।

‘চিহ্ন ছিন্ন-ভিন্ন’, প্রতীক-হারা মমতাকে বিঁধলেন পাপিয়া, তৃণমূল জমানা শেষ! (PTI)
‘চিহ্ন ছিন্ন-ভিন্ন’, প্রতীক-হারা মমতাকে বিঁধলেন পাপিয়া, তৃণমূল জমানা শেষ! (PTI)

নির্বাচন কমিশনের তরফে জলের মতো স্পষ্ট করা হয়েছে সবটা। 'মমতা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস' নাম পেল 'কালীঘাট-তৃণমূল'। প্রতীক হিসাবে তারা পেয়েছে 'ফুটবল খেলোয়াড়'। এদিকে 'ঋতব্রত-তৃণমূল'- নাম পেল 'গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস'। তাদের প্রতীক আপাতত ‘এনভেলপ’ বা খাম।

আর তৃণমূলের প্রতীক বণ্টন নিয়ে প্রশ্ন করতেই তীব্র কটাক্ষ হানলেন বিজেপি নেত্রী পাপিয়া অধিকারী। নির্বাচন কমিশন কর্তৃক তৃণমূলের সাম্প্রতিক নির্বাচনী প্রতীক নির্ধারণ ও প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দের বিষয়ে প্রশ্ন তুলে মমতা-ঋতব্রতদের নিয়ে খিল্লি করলেন বিজেপি বিধায়ক।

নির্বাচনী প্রতীক নিয়ে তীব্র তোপ

ভিডিওতে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিজেপি নেত্রী পাপিয়া অধিকারী হাসাহাসি ও কৌতুকের ছলে বিরোধীদলের প্রতীকের সমীকরণ নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন: ‘খাম তো কোনওদিন খুলবে না। ওই যে মেসি কাণ্ড.. এই রে এবার হিতে বিপরীত হবে। ওদের চিহ্ন, ছিন্ন-ভিন্ন।’

‘এরকম দল বা প্রতীক আমরা কখনো দেখিনি’

ভিডিওটিতে নির্বাচন কমিশনের দেওয়া নতুন প্রতীক (যেমন খাম, ফুটবলার ইত্যাদি) নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চলা টানাপোড়েন ও জল্পনাকেই খোঁচা দিয়েছেন বিজেপি নেত্রী। তাঁর দাবি মমতার দলের অভ্যন্তরীণ বিরোধ ও প্রতীকের এমন টালমাটাল অবস্থা প্রমাণ করে যে তাঁদের জমানা এখন শেষের পথে। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর আর রাস্তা নেই।

 
ABOUT THE AUTHOR
Priyanka Mukherjee

প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks