...
...
Next Story

‘চরম আসলেমি', মঞ্চে গান ফাঁকি দিয়ে শুধু ঠোঁট নাড়ানো গায়কদের ধুয়ে দিলেন শ্রেয়া

গায়িকা শ্রেয়া ঘোষাল কনসার্টে ঠোঁট সিঙ্কিংকে অলস কাজ বলে সমালোচনা করেছিলেন, শিল্পীদের জন্য কঠোর পরিশ্রমের গুরুত্বের উপর জোর দিয়েছিলেন।

Published on: Mar 6, 2026, 08:45:59 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

টিকিটের দাম দিয়ে দর্শকরা শিল্পীর গান শুনতে আসেন, কেবল তাঁর উপস্থিতি দেখতে নয়— এই মন্ত্রেই বিশ্বাসী শ্রেয়া ঘোষাল। গত কয়েক বছর ধরে বলিউডের অনেক নামজাদা গায়ককেই লাইভ কনসার্টে লাইভ গান করেন না, পিছন থেকে রেকর্ড করা ট্র্যাক (গান) বাজে এবং তাঁরা শুধু ঠোঁট মেলান, যাকে বলে লিপ সিঙ্কিং। এই ‘শর্টকাট’ পদ্ধতি নিয়েই এবার তোপ দাগলেন শ্রেয়া। তাঁর মতে, মঞ্চে দাঁড়িয়ে লাইভ গান না গাওয়াটা একজন শিল্পীর চরম অপেশাদারিত্ব।

‘চরম আসলেমি', মঞ্চে গান ফাঁকি দিয়ে শুধু ঠোঁট নাড়ানো গায়কদের ধুয়ে দিলেন শ্রেয়া
‘চরম আসলেমি', মঞ্চে গান ফাঁকি দিয়ে শুধু ঠোঁট নাড়ানো গায়কদের ধুয়ে দিলেন শ্রেয়া

শ্রেয়ার স্পষ্ট কথা:

একটি জনপ্রিয় পডকাস্টে অংশ নিয়ে শ্রেয়া বলেন, ‘আমি বুঝি না মানুষ কীভাবে লাইভ কনসার্টে লিপ-সিংকিং করে! এটা কেবল দর্শকদের ঠকানো নয়, এটা নিজের প্রতিও অবিচার। এটাকে আমি আলস্য ছাড়া আর কিছুই বলব না।’ তিনি আরও যোগ করেন যে, মঞ্চে দাঁড়িয়ে লাইভ গাওয়ার মধ্যে যে আনন্দ এবং চ্যালেঞ্জ থাকে, তা রেকর্ড করা গানের ওপর ঠোঁট মিলিয়ে পাওয়া সম্ভব নয়।

কেন এই ক্ষোভ?

আজকাল অনেক গায়কই মঞ্চে নাচের পারফরম্যান্স বা জৌলুস বাড়াতে গিয়ে গানে ফাঁকি দেন। শ্রেয়া মনে করিয়ে দেন যে, টেকনোলজি সাহায্য করতে পারে, কিন্তু তা গলার পরিপূরক হতে পারে না। তাঁর কথায়, ‘দর্শকরা আপনার ত্রুটি-সহ লাইভ গান শুনতে চান। সিডির নিখুঁত গান তো তাঁরা বাড়িতেই শুনতে পারেন। স্টেজে এসে সেটা কেন শোনাব?’

অনুরাগীদের সমর্থন:

শ্রেয়ার এই মন্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় আসতেই প্রশংসার জোয়ার বয়ে গিয়েছে। নেটিজেনদের বড় একটি অংশ তাঁকে সমর্থন করে লিখেছেন, ‘আজকের অটোটিউন আর লিপ-সিংকিংয়ের যুগে শ্রেয়া ঘোষালই আসল গানের মশাল বয়ে নিয়ে চলেছেন।’ অনেকেই আবার আকার-ইঙ্গিতে সেই সব গায়কদের বিঁধছেন, যাঁরা স্টেজে স্টান্ট করতে গিয়ে গান গাইতে ভুলে যান।

 
ABOUT THE AUTHOR
Priyanka Mukherjee

প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe