কদিন আগেই অভিনেত্রী শোলাঙ্কি রায়ের একটি পোস্ট থেকে ইঙ্গিত মিলেছিল যে, বুঝি বা অভিনেতা সোহম মজুমদারের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়ে গিয়েছে তাঁর। যদিও সোহম বা শোলাঙ্কি দুজনের কেউই কখনো প্রকাশ্যে সম্পর্ক নিয়ে কথা বলেনি। তবে দুজনকে একসঙ্গে দেখা যেত কখনো পার্টিতে, কখনো কোনো অনুষ্ঠানে। এবার শোলাঙ্কির সঙ্গে বিচ্ছেদচর্চায় মুখ খুললেন সোহম।
শোলাঙ্কির সঙ্গে ‘বিচ্ছেদ’ নিয়ে বলেছিলেন সোহম?

'মায়া সত্য ভ্রম'-এ দেখা যাচ্ছে এই মুহূর্তে সোহমকে। আর ছবির প্রচার চলাকালীনই তাঁকে শোলাঙ্কিকে নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। সঙ্গে শ্রবন্তী চ্যানেলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তাঁর বিচ্ছেদ গুঞ্জন নিয়ে সোহম জবাব দেন, ‘সমাজমাধ্যমে বা কোথাও এসে, তাঁর সঙ্গে সম্পর্কে আছি, এরকমটা আমি অন্তত বলিনি। তুমি যার নাম নিলে, শোলাঙ্কিও বলেছে বলে জানা নেই আমার। এই সাক্ষাৎকারে আমি যদি আমার ব্যক্তিগত কথা বলা শুরু করি, তাহলে সেটা স্বার্থপরতা হবে। শোলাঙ্কি আমার খুবই ভালো বন্ধু। ওকে আমি খুবই সম্মান করি, তাই এটা নিয়ে কোনো নোংরা মন্তব্য করা, বা কোনো কথাই বলতেই চাই না। একটা কথা হবে, সেটাকে নিয়ে আবার পাঁচটা কথা হবে। এটা চাইছি না একদমই। আরও চাই না, কারণ আমাদের দুজনেরই পরিবার আছে।’
শোলাঙ্কির সেই ‘বিতর্কিত’ পোস্ট
জুলাইয়ের শেষ দিকে শোলাঙ্কির ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে লেখা ছিল, ‘মানুষ: আপনি এখনো কেন সিঙ্গেল? আমি: আমার মনে হয় আমি প্রয়োজনের বেশিই যোগ্য।’ আর এটা দেখেই ধারণা হয়েছিল যে, ব্রেকআপ হয়েছে সোহম ও শোলাঙ্কির।
শোলাঙ্কির প্রথম বিয়ে ও ডিভোর্স
শোলাঙ্কি রায় ২০১৮ সালে তাঁর স্কুলজীবনের বন্ধু ও নিউজিল্যান্ড প্রবাসী শাক্য বসুকে বিয়ে করেছিলেন। শাক্য পেশায় একজন ব্যাঙ্কার। বিয়ের পর বেশ কিছুদিন নিউজিল্যান্ডেও ছিলেন অভিনেত্রী। এরপর পারস্পরিক সম্মতিতে ২০২৩ সালে তাঁদের আইনি বিচ্ছেদ বা ডিভোর্স হয়। এক সাক্ষাৎকারে শোলাঙ্কি স্পষ্ট জানান যে তাঁর প্রাক্তন স্বামী একজন অত্যন্ত ভালো মানুষ, কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে দুজন মানুষ ভালো হলেও সময়ের সঙ্গে একসঙ্গে চলার পরিস্থিতি আর থাকে না।
{{/usCountry}}শোলাঙ্কি রায় ২০১৮ সালে তাঁর স্কুলজীবনের বন্ধু ও নিউজিল্যান্ড প্রবাসী শাক্য বসুকে বিয়ে করেছিলেন। শাক্য পেশায় একজন ব্যাঙ্কার। বিয়ের পর বেশ কিছুদিন নিউজিল্যান্ডেও ছিলেন অভিনেত্রী। এরপর পারস্পরিক সম্মতিতে ২০২৩ সালে তাঁদের আইনি বিচ্ছেদ বা ডিভোর্স হয়। এক সাক্ষাৎকারে শোলাঙ্কি স্পষ্ট জানান যে তাঁর প্রাক্তন স্বামী একজন অত্যন্ত ভালো মানুষ, কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে দুজন মানুষ ভালো হলেও সময়ের সঙ্গে একসঙ্গে চলার পরিস্থিতি আর থাকে না।
{{/usCountry}}এমনকী সেই সময় এমনটাও কথা ওঠে যে সোহমের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার ফলেই দূরত্ব আসে শোলাঙ্কি ও শাক্যর মধ্যে। সেই গুঞ্জন শোলাঙ্কির কানেও পৌঁছেছিল! ‘সোহম আর আমি খুব ভালো বন্ধু। আর কিছু নয়,’ বলেছিলেন শোলাঙ্কি।