...
...
Next Story

Sohini Sarkar Baby Bump: সোহিনীর বেবি বাম্প আগলে শোভন! তৃতীয় বিবাহবার্ষিকীতে এল দুই থেকে তিন হওয়ার খবর

Sohini Sarkar and Shovan Ganguly: তৃতীয় বিবাহবার্ষিকীতে মিষ্টি ছবি শেয়ার করে মা হতে চলার খবর নিশ্চিত করলেন অভিনেত্রী সোহিনী সরকার। শেয়ার করলেন বেবি বাম্পের ছবি।

Published on: Jul 15, 2026, 18:32:42 IST
Advertisement

টলিউডের অন্যতম চর্চিত ও মিষ্টি দম্পতি অভিনেত্রী সোহিনী সরকার (Sohini Sarkar) এবং গায়ক শোভন গঙ্গোপাধ্যায় (Shovan Ganguly)। গত কয়েক মাস ধরেই টেলিপাড়ায় সোহিনীর মা হওয়ার চর্চা শোনা গিয়েছে। সোহিনী খবরে এতদিন সিলমোহর না দিলেও, নাকোচ করেননি। কিন্তু বিবাহবার্ষিকীর দিন দীর্ঘদিনের জল্পনায় অবশেষে সিলমোহর দিলেন তাঁরা। নিজেদের তৃতীয় বিবাহবার্ষিকীর বিশেষ দিনে জীবনের সবচেয়ে বড় সুখবরটি অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নিলেন টলিপাড়ার ‘সত্যবতী’। হ্য়াঁ, মা হচ্ছেন সোহিনী সরকার।

সোহিনীর বেবি বাম্প আগলে শোভন! তৃতীয় বিবাহবার্ষিকীতে এল দুই থেকে তিন হওয়ার খবর
সোহিনীর বেবি বাম্প আগলে শোভন! তৃতীয় বিবাহবার্ষিকীতে এল দুই থেকে তিন হওয়ার খবর

সোশ্যাল মিডিয়ায় সোহিনীর পোস্ট করা দুটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে, সাদারঙের মেটারনিটি কুর্তিতে হবু মা সোহিনীকে আদরে ভরিয়ে দিচ্ছেন শোভন। গায়কের পরনে আসমানি নীল কুর্তা। সোহিনীর মাতৃত্বকালীন জেল্লা চোখে পড়ার মতো। খোলা চুল, কানের পাশে চুলে গোঁজা রয়েছে লাল রঙা ফুল। মুখে হাসির ঝিলিক। শোভনের আলতো হাত সোহিনীর স্পষ্ট ‘বেবি বাম্প’-এর ওপর। ক্যাপশনে লেখা— ‘আমরা দুই থেকে তিনের পথে…’। এই মিষ্টি মুহূর্তের ছবি নিমেষেই মন জয় করে নিয়েছে নেটপাড়ার। কিন্তু এই খুশির খবরের মাঝেই নেটিজেনদের একাংশের মনে পড়ে গিয়েছে অভিনেত্রীর অতীতের এক বিতর্কিত মন্তব্য।

২০২৪-এর বিয়ে এবং আরজি কর কাণ্ডের সেই বিতর্কিত মন্তব্য

২০২৪ সালের জুলাই মাসে একেবারে ঘরোয়া অনুষ্ঠানের মাধ্যমে গাঁটছড়া বেঁধেছিলেন শোভন ও সোহিনী। কিন্তু বিয়ের মাত্র কয়েক মাসের মাথাতেই রাজ্যে ঘটে যায় আরজি কর হাসপাতালের সেই নৃশংস ও ভয়াবহ ঘটনা, যা নাড়িয়ে দিয়েছিল গোটা দেশকে। প্রথম থেকেই এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদে সরব হয়েছিলেন সোহিনী সরকার। ‘রাত দখল’ থেকে শুরু করে রাজপথের প্রতিটি মিছিলে সামনের সারিতে দাঁড়িয়ে সুবিচারের দাবি তুলেছিলেন তিনি।

সেই সময় কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে আয়োজিত একটি গণকনভেনশনে অংশ নিয়ে এক বিস্ফোরক মন্তব্য করেছিলেন অভিনেত্রী। দেশের নিরাপত্তা ও নারী সুরক্ষা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘আমার সদ্য বিয়ে হয়েছে। কয়েকদিন আগে আমার স্বামীকে (শোভন) বলেছি, এই রকম দেশে আমি সন্তান আনতে চাই না। চারিদিকে দুর্নীতি ভরে গিয়েছে। এই দেশে দুর্নীতি যতক্ষণ আছে, আমি আমার সন্তানকে এখানে রেখে দিয়ে যেতে পারব না।’

সেদিনের সেই প্রতিবাদের সুর এবং ‘সন্তান না আনার’ সেই মন্তব্য নিয়ে রাজ্যজুড়ে কম তোলপাড় হয়নি। তবে সময় বদলেছে। বাংলায় সরকারও বদলেছে। সমস্ত বিতর্ক, ক্ষোভ আর সামাজিক অস্থিরতার গণ্ডি পেরিয়ে আজ নতুন জীবনের আলো ফুটতে চলেছে এই তারকা দম্পতির ঘরে। অতীতে দেশের পরিস্থিতি নিয়ে যে আশঙ্কার কথা সোহিনী প্রকাশ করেছিলেন, আজ জীবনের এক নতুন অধ্যায়ে পা রেখে সেই আশঙ্কার মেঘ কাটিয়ে মাতৃত্বের স্বাদ উপভোগ করতে প্রস্তুত অভিনেত্রী।

শোভন ও সোহিনীর এই নতুন যাত্রার সূচনায় টলিপাড়ার সতীর্থ থেকে শুরু করে সাধারণ অনুরাগীরা শুভেচ্ছাবার্তায় ভরিয়ে দিয়েছেন তাঁদের সোশ্যাল মিডিয়ার দেওয়াল।

 
ABOUT THE AUTHOR
Priyanka Mukherjee

প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe