'ও নাকি পালিয়ে যাবে…', ১৪ বছরের ছোট সপ্তর্ষিকে বিয়ে করার কারণে শোনা কটাক্ষ নিয়ে মুখ খুললেন সোহিনী!

সোহিনী সেনগুপ্ত ২০১৩ সালে সপ্তর্ষি মৌলিকের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তবে সোহিনী সপ্তর্ষির থেকে ১৪ বছরের বড়। বয়সে ছোট বরকে নিয়ে কম কটাক্ষ, ব্যঙ্গ শুনতে হয়নি সোহিনীকে। অনেকেই সপ্তর্ষিকে তাঁর ছেলে বলেও বিদ্রুপ করেন। এবার সেই সবটা নিয়ে মুখ খুললেন সোহিনী।

Published on: Feb 1, 2026, 15:00:25 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

স্বাতীলেখা সেনগুপ্ত ও রুদ্রপ্রসাদ সেনগুপ্ত কন্যা সোহিনী সেনগুপ্ত ২০১৩ সালে সপ্তর্ষি মৌলিকের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তবে সোহিনী সপ্তর্ষির থেকে ১৪ বছরের বড়। বয়সে ছোট বরকে নিয়ে কম কটাক্ষ, ব্যঙ্গ শুনতে হয়নি সোহিনীকে। অনেকেই সপ্তর্ষিকে তাঁর ছেলে বলেও বিদ্রুপ করেন। এবার সেই সবটা নিয়ে মুখ খুললেন সোহিনী।

১৪ বছরের ছোট সপ্তর্ষিকে বিয়ে করার কারণে শোনা কটাক্ষ নিয়ে মুখ খুললেন সোহিনী!
১৪ বছরের ছোট সপ্তর্ষিকে বিয়ে করার কারণে শোনা কটাক্ষ নিয়ে মুখ খুললেন সোহিনী!

আরও পড়ুন: রোহিত শেট্টির বাড়ির সামনে গুলি চালানোর ঘটনায় বড় তথ্য উঠে এল সিসিটিভি ফুটেজ থেকে! জানেন তা কী?

স্টেট আপ ইউথ শ্রী পডকাস্টে সোহিনী এই প্রসঙ্গে বলেন, 'আমি এটা ভাবিনি। আমার সব সময় মনে হয়েছিল সপ্তর্ষি আমার থেকে অনেকটা বড়। ও আমাকে অনেক কিছু থেকে বাঁচায়। আমি এটা তখনও ভাবিনি, এখনও ভাবি না। এখনও আমি শুনি দু' একজন বলে, ও নাকি পালিয়ে যাবে। আমি সে কথা ওঁকে এসে বলিও। সঙ্গে বলি, ‘আমিও তো পালাতে পারি’। তারপর ও আমাকে বলে, ‘তুমি পালাতে পারবে না। কারণ আমি বেস্ট’।'

সোহিনী তাঁদের সংসার জীবন শুরু দিকের কথাও ভাগ করে নেন। তিনি বলেন, ‘তখন সপ্তর্ষি নান্দীকার থেকে স্টাইপেন পেত। মাস গেলে ৬০০ বা ৭০০ টাকা পেত।’ পাশ থেকে সপ্তর্ষি তা সংশোধন করে বলেন, ‘একটু বেড়ে ছিল ১৫০০ টাকা।’ তখন আমাদের বিয়ে হয়েছে। আমি তখন স্কুলে চাকরি করি। ও ওঁর পাওয়া পুরো টাকাটাই সংসারের জন্য দিয়ে দিত। তখন শ্যামবাজারে আমাদের রিহার্সাল হত। আমি একটা সময় খেয়াল করলাম ওঁর ফিরতে দেরি হচ্ছে। কারণটাও বুঝলাম ও হেঁটে রাজাবাজার থেকে শ্যামবাজার পুরো রাস্তাটা যাতায়াত করত।'

আরও পড়ুন: রজনীকান্তের 'জেলার ২'-এ থাকছেন শাহরুখ! জানেন কোন চরিত্রে দেখা যাবে তাঁকে?

সোহিনী আরও বলেন, ‘সেই সময় ওকে একদিন একটা খাবার দিয়েছিলাম। ও খেতে চায়নি। আমি ওঁকে জিজ্ঞাসা করি যে, ও কেন খেতে চাইছে না। তখন ও বলে, 'আমি সংসারে যা টাকা দিই তাতে এই খাবার হয় না'। তারপর আমি ওঁকে বলি যে মাসে আমি পারব আমি চালাবো। সে মাসে তুই চালাতে পারবি সেই মাসে তুই চালাবি'।'

প্রসঙ্গত, এটাই প্রথম নয়। এর আগেও সোহিনী গৌতম হালদারকে বিয়ে করেছিলেন। কিন্তু তা টেকেনি। ২০০৬ সালে তাঁদের বিচ্ছেদ হয়ে যায়। তারপর ২০১৩ সালে ‘নাচনী’ নাটক করার সময় সপ্তর্ষির সঙ্গে বন্ধুত্ব হয় সোহিনীর। নান্দিকার দলে নাটক শিখতে আসা তরুণ সপ্তর্ষির সঙ্গে প্রেম সম্পর্কে জড়ান ‘দিদিমণি’ সোহিনী সেনগুপ্ত। মাত্র তিন মাস প্রেম করবার পরেই মালাবদল সেরে নেন তাঁরা। ভাঙা দাম্পত্য, সপ্তর্ষি বয়স, ১৪ বছরের ছোট-বর এইসব কোনও কিছুই তাঁদের বিয়েতে বাধ সাধেনি। টলিপাড়ার অন্যতম মিষ্টি জুটি তাঁরা।