Sonu Nigam: সম্প্রতি একটি ভিডিওর মাধ্যমে সোনু নিগম সকলকে জানিয়েছেন, তিনি বেদনাদায়ক স্নায়ুজনিত স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন। গত সপ্তাহ ধরেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই করানো হয়েছে একাধিক এমআরআই এবং সিটি স্ক্যান। চলছে প্রচুর ওষুধ।

কী হল সোনুর?
মঙ্গলবার ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও শেয়ার করে সোনু জানিয়েছেন, তিনি স্নায়ুর রোগে আক্রান্ত। এই গোটা অভিজ্ঞতাটি অত্যান্ত কষ্টকর এবং ক্লান্তিকর বলে বর্ণনা করেছেন তিনি। বেশ কিছু ওষুধ চলছে এবং সিটি স্ক্যান করা হয়েছে। সমস্যা এতটাই বেড়ে গিয়েছে যে কাঁধে ব্যান্ডেজ করতে হয়েছে।
আরও পড়ুন: তরুণ মজুমদারের হাত ধরেই অভিনয় এসেছিলেন মহুয়া, পরিচালকের চরিত্র ধরা দেবেন কে?
গায়ক জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে ফিজিওথেরাপি করা হচ্ছে। যদিও তা ভীষণ কষ্টকর। ব্যথা কমানোর জন্য তো খাচ্ছেন তিনি। এত ওষুধ চলার ফলে গলার উপরেও প্রভাব পড়েছে। কিন্তু এত সমস্যা থাকা সত্ত্বেও নির্ধারিত দিনে মুম্বইতে হওয়া একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন তিনি।
এছাড়াও মাসের শেষের দিকে মুম্বইতে আরও একটি অনুষ্ঠান করার কথা সংগীতশিল্পীর। এত সমস্যা থাকা সত্ত্বেও তিনি সেই অনুষ্ঠানেও যোগ দেবেন বলে জানিয়েছেন। জানিয়েছেন যতই বাধা-বিপত্তি আসুক না কেন, তিনি নিজের কাছ থেকে সরে যাবেন না।
সোনু নিগম সম্পর্কে
{{/usCountry}}সোনু নিগম সম্পর্কে
{{/usCountry}}১৯ বছর বয়সে গুলশান কুমারজির হাত ধরে সোনু প্রথম সুযোগ পান, যার পরে ১৯৯৫ সালে তিনি ' সা রে গা মা' ছবিতে কাজ করেন । ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে মঞ্চ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করার পর, ১৯৯৩ সালে 'আজা মেরি জান' ছবির 'ও আসমান ওয়ালে জমিন পর উতর কে দেখ' গানটির মাধ্যমে তিনি হিন্দি চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক গায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।
আরও পড়ুন: অনুমতি পাওয়া যায়নি, স্বরূপের হস্তক্ষেপে মাঝপথে আটকে যায় মিমির সিরিজ ‘কুইনস’
তিনি বিভিন্ন ভাষায় ৫০০০-এরও বেশি গান গেয়েছেন এবং ‘ কাল হো না হো ’ (২০০৩) ছবির টাইটেল ট্র্যাকের জন্য একটি জাতীয় পুরস্কার জিতেছেন। বছরের পর বছর ধরে, সোনু হিন্দি সিনেমার কিছু স্মরণীয় গান উপহার দিয়েছেন: ‘ইয়ে দিল দিওয়ানা’ (পরদেশ, ১৯৯৭), ‘সুরজ হুয়া মাদ্দাম’ (কভি খুশি কভি গাম, ২০০১), ‘কাল হো না হো’ (২০০৩) এবং আরও অনেক। আজও, তাঁর পুরনো গানগুলো প্রায়শই সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন শ্রোতাদের কাছে ফিরে আসে।