আপাতত বঙ্গের রাজনীতিতে বিশাল বড় পরিবর্তন। কারণ ১৫ বছরের শাসনের অবসান, তৃণমূল কংগ্রেসকে হারিয়ে দায়িত্ব এখন বিজেপি-র হাতে। শনিবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারি। এরই মাঝে একাধিক রিল বানানো হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়াতে। কেউ বিজেপির পক্ষে, তো কেউ আবার বিপক্ষে। আর নচিকেতা চক্রবর্তীর গনের কটা লাইন খুব ভাইরাল হচ্ছে। এক পুরনো মসজিদে গানের থেকে কটি লাইন তুলে অনেকেই বানিয়েছেন রিল।
নচিকেতাকে নিয়ে কটাক্ষ-ভরা পোস্ট সৌম্য চক্রবর্তীর

এবার সেই নিয়ে কটাক্ষ ভরা কৌতূক এল সারেগামাপা-খ্যাত সৌম্য চক্রবর্তীর থেকে। তিনি একটি ভিডিয়ো শেয়ার করলেন। যেখানে তাঁকে বলতে শোনা যাচ্ছে, ‘মোদ্দা কথা, এরা হেরেছে, ওরা জিতেছ। মানে একটা দল হেরেছে, একটা জিতেছে। আর সারাদিনে যদি ৪০টা রিল হয় তার মধ্যে ৩২টা-তে একটা জিনিস দেখতে পাচ্ছি, যেটা দেখে আমার খুব কষ্ট হচ্ছে। নচিদা সারা কলকাতা ঘুরে, রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে, কালবৈশাখি ঝড় হচ্ছে, বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে, নবান্ন দেখা যাচ্ছে, মা ফ্লাইওভার দেখা যাচ্ছে, হাইওয়ে, সব রাস্তা ঘুরে ঘুরে নচিকেতা গাইছে, 'রাজার হল খুব অসুখ…'!’
এখানেই থেমে না থেকে সৌম্য আরও বললেন, ‘কেন ভাই কেন, কেন নচিদাকে কাঁদতে কাঁদতে ঘুরে বেড়াতে হচ্ছে। এই রিলগুলো বন্ধ করা উচিত। নচিদা একা একা কেঁদে কেঁদে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এটা কি ঠিক?’ খুব ভাইরাল হয়েছে সৌম্যর এই পোস্ট। তাঁর মস্করায় সামিল হয়েছেন অনেকেই। এমনকী নচিকেতাকে নিয়ে কটাক্ষও ভেসে এসেছে নেটিজেনদের তরফ থেকে।
সৌম্যর এই পোস্টে এক নেটজেন মন্তব্য করেছেন, ‘হারেনি তো দ্বিতীয় হয়েছে’! আরেকজন লেখেন, ‘উফফফ যা বলেছ দাদা, বিরক্ত হয়ে গেছি শুনে শুনে’। আরেকজন আবার নচিকেতার প্রতি কটাক্ষ হেনে কমেন্ট করেন, ‘উনি এবার মনে হয় সন্ন্যাস নিয়ে নেবেন।’
{{/usCountry}}সৌম্যর এই পোস্টে এক নেটজেন মন্তব্য করেছেন, ‘হারেনি তো দ্বিতীয় হয়েছে’! আরেকজন লেখেন, ‘উফফফ যা বলেছ দাদা, বিরক্ত হয়ে গেছি শুনে শুনে’। আরেকজন আবার নচিকেতার প্রতি কটাক্ষ হেনে কমেন্ট করেন, ‘উনি এবার মনে হয় সন্ন্যাস নিয়ে নেবেন।’
{{/usCountry}}নচিকেতার তৃণমূল ঘনিষ্ঠতা
প্রসঙ্গত, গায়ক নচিকেতা চক্রবর্তী দীর্ঘ সময় ধরে তৃণমূল কংগ্রেস এবং নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তাঁর রাজনৈতিক সমর্থন ও আদর্শগত আনুগত্য প্রকাশ করে এসেছেন। তৃণমূলের একাধিক অনুষ্ঠানে তাঁকে প্রতিবাদী গান গাইতে এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দাঁড়াতে দেখা গিয়েছে। বিজেপির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন। আর নিজেকে বামফ্রন্ট সরকার থেকে তৃণমূলের ক্ষমতায় আসার লড়াইয়ে একদম সহযোদ্ধা হিসেবেও করেছেন বর্ণনা।
এমনকী, তৃণমূল সরকরের পতনের পর থেকে একেবারেই নীরব গায়ক। কোনো পোস্ট আসেনি তাঁর তরফে। বহু মমতা-ঘনিষ্ঠ তারকা পশ্চিম বাংলার নতুন সরকারকে শুভেচ্ছা জানালেও, তাঁর তরফ থেকে কিছুই লেখা হয়নি সোশ্যাল মিডিয়ায়।