৮ জুলাই বুধবার ৫৩ বছরে পা রাখলেন প্রিন্স অফ কলকাতা সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। মাঝরাতে কেক কেটেই শুরু হল বার্থ ডে সেলিব্রেশন। মহারাজকে শুভেচ্ছায় ভরিয়েছেন তাঁর অনুরাগীরা।

একাধিক ফ্য়ান পেজ থেকে শেয়ার করা হয়েছে সৌরভের ভিডিয়ো। যেখানে দেখা গেল টেবিলে রাখা দু দুটি কেক। সৌরভ কেক কাটার পর তাঁকে সেটি খাইয়ে দেন ডোনা। বাবার জন্মদিনে কলকাতায় থাকতে না পারলেও, ভিডিয়ো কলে ছিলেন সানা। এরপর সৌরভ তা খাইয়ে দেন ডোনাকে। পরিবারকে নিয়েই একেবারে ঘরোয়াভাবে হয়েছিল সব আয়োজন।
আপাতত একাধিক কারণে চর্চায় রয়েছেন সৌরভ। তাঁর বায়োপিকের কাজ চলছে। খবর, আজ বুধবার দাদার জন্মদিনের দিনই হয়তো সেই ছবির ফার্স্ট লুক সামনে আসতে পারে। দাদা-দ্য সৌরভ গাঙ্গুলী স্টোরিতে মুখ্য চরিত্রে রয়েছেন রাজকুমার রাও। আর ডোনা হিসেবে দেখা যাবে বলিউড অভিনেত্রী তানিয়া মানিকতলাকে।
একইসঙ্গে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় নিয়ে আসছেন দু দুটি নতুন বাংলা শো। স্টার জলসা চ্যানেলের সঙ্গে মোটা টাকায় হয়েছে চুক্তি। ৪ বছরের জন্য ১২৫ কোটি টাকায় হয়েছে কনট্র্যাক্ট সাইন। আর দুটি শো-তে উপস্থাপনা করবেন সৌরভ। একটি সম্পূর্ণ নতুন কুইজ শো এবং বাংলা বিগ বস-- দুটোরই দায়িত্ব চাপতে চলেছে সৌরভের কাঁধে।
দাদা-র জন্মদিন নিয়ে বরাবরই উৎসাহ থাকে ভক্ত ও পরিবারের মধ্যে। এমনিতে ডায়েট সচেতন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ও জন্মদিনের জন্য খাওয়া-দাওয়ায় দেন ফাঁকি। বছরখানেক আগে হার্টের সমস্যায় হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছিল তাঁকে। তারপর থেকে খাবারে রাশ টেনেছেন। ডায়েট থেকে তেল-মশলা বাদ দিয়েছেন, খান না চিংড়ি মাছ, মটন অর্থাৎ রেড মিট। ঘরোয়া খাবার মাছ-চিকেন দিয়েই সাধারণত হয় উদযাপন। নিজের হাতে পায়েস রান্না করেন ডোনা। তবে জন্মদিনে আরেকটা যে খাবার দাদার পাতে থাকবেই, তা হল বিরিয়ানি। বছরের এই একটা দিনই বিরিয়ানি খান সৌরভ।
{{/usCountry}}দাদা-র জন্মদিন নিয়ে বরাবরই উৎসাহ থাকে ভক্ত ও পরিবারের মধ্যে। এমনিতে ডায়েট সচেতন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ও জন্মদিনের জন্য খাওয়া-দাওয়ায় দেন ফাঁকি। বছরখানেক আগে হার্টের সমস্যায় হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছিল তাঁকে। তারপর থেকে খাবারে রাশ টেনেছেন। ডায়েট থেকে তেল-মশলা বাদ দিয়েছেন, খান না চিংড়ি মাছ, মটন অর্থাৎ রেড মিট। ঘরোয়া খাবার মাছ-চিকেন দিয়েই সাধারণত হয় উদযাপন। নিজের হাতে পায়েস রান্না করেন ডোনা। তবে জন্মদিনে আরেকটা যে খাবার দাদার পাতে থাকবেই, তা হল বিরিয়ানি। বছরের এই একটা দিনই বিরিয়ানি খান সৌরভ।
{{/usCountry}}একেবারে ছোটবেলার প্রেম সৌরভ আর ডোনার। পাশাপাশি বাড়িতে থাকলেও, দুই পরিবারে সম্পর্ক বিশেষ ভালো ছিল না। ডোনা এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, নিজের বাড়ির বারান্দা থেকে দেখতেন, সামনের বাড়ির ছেলেটাকে উঠোনে বা বাগানে ক্রিকেট খেলতে। এক বন্ধুর হাত দিয়ে প্রেমপত্র পাঠিয়েছিলেন দাদা। তারপর ডোনার টিউশনের ফাঁকে হত দেখা। ১৯৯৬ সালের অগস্ট মাসে পরিবারের কাউকে না জানিয়ে বন্ধুদের সাহায্যে সৌরভ ও ডোনা গোপনে আইনি বিয়ে সেরে ফেলেন। এরপর সৌরভ শ্রীলঙ্কা সফরে চলে যান নিশ্চিন্তে। কিন্তু সবটা জানাজানি হয়ে যায়। পরবর্তীতে ছেলে-মেয়ের ভালোবাসার কাছে হার মানে পরিবার। এরপর ১৯৯৭ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি দুই পরিবারের উপস্থিতিতে সম্পূর্ণ বাঙালি আচার-অনুষ্ঠান মেনে মহাসমারোহে সৌরভ ও ডোনার সামাজিক বিয়ে সম্পন্ন হয়।