শ্রীলেখা মিত্রকে সোশ্যাল মিডিয়া সেনসেশন বললেও কিছু ভুল হয় না। একসময়ের ডাকসাইটে সুন্দরী অভিনেত্রীর কাজ অবশ্য অনেকখানিই কমেছে। যার পিছনে অনেকেই দাবি করে থাকেন টলিপাড়ার স্বজনপোষণ ও ব্যান কালচারকে। তবে অভিনেত্রী বরাবরই বেঁচে এসেছেন নিজের শর্তে। মনখারাপ করে নিজেকে ঘরবন্দি করার পাত্রী তিনি যে নন, তা প্রমাণ হয়েছে বহুবার। এমনকী, বহু চোখরাঙানি উপেক্ষা করে তিনি বহুবার হয়েছেন প্রতিবাদের স্বর।

এহেন শ্রীলেখা মাজেসাঝে আবার নিজের ব্যক্তিগত জীবনের টুকটাক ঝলকও ভাগ করে নেন অনুরাগীদের সঙ্গে। শুক্রবার রাতে একটি ভিডিয়ো শেয়ার করলেন, যেখানে দেখা গেল পান চিবোচ্ছেন মনের আনন্দে। ক্যাপশনে লেখা, ‘পান-সুপারি... কতবার যে ধূমপান ছাড়ার চেষ্টা করছি, তার আর হিসেব নেই!’
শ্রীলেখা একবার জানিয়েছিলেন, তাঁর প্রথম ধূমপান নবম শ্রেণিতে পড়ার সময়। বাবা সন্তোষ মিত্রের ঘর থেকে চুরি করে দিয়েছিলেন সুখটান। আর বাড়ির লোকের কাছ থেকে লুকোতে বুদ্ধিও বার করেছিলেন ওই ছোট্ট বয়সেই। নিজেই জানিয়েছিলেন, ‘আমার ঘরের ফুলদানিতে ছাই ফেলতাম। তার পরে নিজের গায়ে, ঘরে ছড়িয়ে দিতাম সুগন্ধি। বাবা যাতে কিছুতেই টের না পান।’ তবে ধরাও পড়েন বাবার হাতে। এক দিন একটি শট দেওয়ার পরে সেটে দাঁড়িয়ে সুখটান দিচ্ছিলেন, হঠাৎ দেখেন সামনে বাবা। সঙ্গেসঙ্গে কলাকুশলীদের ভিড়ে তিনি লুকিয়ে পড়েন ঠিকই, তবে বাবার নজর থেকে বাঁচতে পারেননি। বাড়িতে ফিরতেই কপালে জোটে বকুনি। এই বদভ্যাসের কারণে বাবার হাতে মারও খেয়েছেন। তবু ধূমপান ছাড়তে পারেননি।
বছরপাঁচেক আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছিলেন দীর্ঘদিনের এই সুখটানের অভ্যাসের কারণে বেশ কিছু শারীরিক জটিলতাও তৈরি হচ্ছে। পোস্ট করেছিলেন, ‘এবার সত্যিই ধূমপান ছাড়তে চাই। কলেজজীবনের গোড়া থেকেই এই বদভ্যাস আমার সঙ্গী। (সিনেমায় এসে কিন্তু সিগারেট ধরিনি।) সিগারেট খাওয়ার জন্য বাবার কাছে বকুনি তো খেয়েইছি, এক-দু’বার মারও খেয়েছি। (তখন বাবা একেবারে মোগাম্বো ছিলেন!) অথচ সেই বাবাই আবার আমার কাছ থেকে সিগারেট চুরি করে খেয়েছেন। আমাদের বাবা-ছেলের সম্পর্কটাই ছিল এমন। তবে এবার সত্যিই ধূমপান ছাড়ব। ছাড়বই!’
{{/usCountry}}বছরপাঁচেক আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছিলেন দীর্ঘদিনের এই সুখটানের অভ্যাসের কারণে বেশ কিছু শারীরিক জটিলতাও তৈরি হচ্ছে। পোস্ট করেছিলেন, ‘এবার সত্যিই ধূমপান ছাড়তে চাই। কলেজজীবনের গোড়া থেকেই এই বদভ্যাস আমার সঙ্গী। (সিনেমায় এসে কিন্তু সিগারেট ধরিনি।) সিগারেট খাওয়ার জন্য বাবার কাছে বকুনি তো খেয়েইছি, এক-দু’বার মারও খেয়েছি। (তখন বাবা একেবারে মোগাম্বো ছিলেন!) অথচ সেই বাবাই আবার আমার কাছ থেকে সিগারেট চুরি করে খেয়েছেন। আমাদের বাবা-ছেলের সম্পর্কটাই ছিল এমন। তবে এবার সত্যিই ধূমপান ছাড়ব। ছাড়বই!’
{{/usCountry}}এবার দেখার, পান-সুপারি কি বাঁচাতে পারে শ্রীলেখাকে? নাকি আবার কোনো নতুন ফন্দিফিকির খুঁজতে হয় শ্রীলেকাকে ধূমপান ছাড়তে।