...
...
Next Story

Sreelekha Mitra-Netaji: ‘নেতাজি কারও রাজনৈতিক সম্পত্তি নন’, নেতাজিকে নিয়ে 'কুরুচিকর' মিম, গর্জালেন শ্রীলেখা

‘তাঁকে অপমান করার স্বাধীনতা আর মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এক জিনিস নয়’, সাফ কথা শ্রীলেখার।

Published on: Aug 14, 2026, 10:01:00 IST
Advertisement

দেশজুড়ে যখন স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের প্রস্তুতি তুঙ্গে, ঠিক তখনই ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম পথপ্রদর্শক নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু-কে নিয়ে সমাজমাধ্যমে এক চরম বিতর্কের সৃষ্টি হলো। নেতাজিকে ‘দেশদ্রোহী’ বলে বাঙালির ভাবাবেগে আঘাত করেছেন বিজেপি সাংসদ অনন্ত মহারাজ। সেই কুরুচিকর মন্তব্য সাংসদের ব্যক্তিগত মত, তার সঙ্গে দলের যোগ নেই এই বলে দায় ঝেরেছেন অগ্নিমিত্রা পাল। কাড়া হয়েছে অনন্ত মহারাজের বঙ্গবিভূষণ সম্মানও। তাতেও বিতর্ক থামার নাম নিচ্ছে না।

‘উনি কারও রাজনৈতিক সম্পত্তি নন’, নেতাজিকে নিয়ে 'কুরুচিকর' মিম, গর্জন শ্রীলেখার
‘উনি কারও রাজনৈতিক সম্পত্তি নন’, নেতাজিকে নিয়ে 'কুরুচিকর' মিম, গর্জন শ্রীলেখার

এবার নেতাজির ব্যক্তিগত জীবন ও তাঁর ভাবমূর্তিকে কটাক্ষ করে তৈরি একটি 'কুরুচিকর' মিম সোশ্যালে ছড়িয়ে পড়তেই গর্জে উঠলেন শ্রীলেখা মিত্র।

নেতাজির মতো জাতীয় মহানায়ককে নিয়ে এমন পোস্ট শেয়ার করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী।

‘নির্লজ্জতারও একটা সীমা থাকে’— শ্রীলেখার ঝাঁঝালো আক্রমণ

নেতাজির মতো জাতীয় মহানায়ককে নিয়ে তৈরি ওই পোস্টের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে শ্রীলেখা মিত্র লেখেন, ‘নির্লজ্জতারও একটা সীমা থাকে—এরা বোধহয় সেই সীমাটুকুও বহু আগেই অতিক্রম করে ফেলেছে। স্বাধীনতার প্রাক্কালে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে এমন কুরুচিপূর্ণ, অবমাননাকর পোস্ট করার পরেও কি সব ঠিকঠাক থাকবে? এর জন্য কি FIR হবে না? নাকি আইন, প্রশাসন আর নৈতিকতার সংজ্ঞা মানুষভেদে বদলে যায়?’

আইনের 'দ্বিচারিতা' ও নীরবতা নিয়ে সোচ্চার

প্রশাসনের দ্বিচারিতাকে কাঠগড়ায় তুলে শ্রীলেখা প্রশ্ন তোলেন, সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে তুচ্ছ বিষয়েও যেখানে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়, সেখানে নেতাজির মতো মনীষীকে অপমানের ঘটনাতেও কেন প্রশাসন নীরব?

মতপ্রকাশের নামে ভণ্ডামি: নেতাজির ভাবমূর্তি নষ্ট করাকে ‘মতপ্রকাশের স্বাধীনতা’র অজুহাতে ছেড়ে দেওয়া যে ভণ্ডামি, তা স্পষ্ট করে দেন তিনি।

‘নেতাজি ভারতের আত্মমর্যাদা’

প্রতিবাদের সুর চড়িয়ে শ্রীলেখা মিত্র মনে করিয়ে দেন যে, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সম্পত্তি নন। তিনি আমাদের দেশের ইতিহাস, স্বাধীনতার সংগ্রাম এবং জাতীয় আত্মমর্যাদার অন্যতম সেরা প্রতীক। আইন যদি সত্যিই সবার জন্য সমান হয়, তবে ভণ্ডামি বন্ধ করে এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কঠোর আইনি ব্যবস্থা (FIR) নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কুরুচিকর পোস্টার হাতে প্রতিবাদ মিছিলে যোগ দেওয়ায় আইনি গেড়োয় পড়েছেন অভিনেত্রী। একাধিক এফআইআর দায়ের হয়েছে শ্রীলেখার নামে। অভিনেত্রীর সাফাই, তিনি চশমা পরে ছিলেন না, তাই ওই বিকৃত পোস্টার তাঁর চোখে পড়েনি। সেই যুক্তি মানতে না-রাজ গেরুয়া শিবির।

 
ABOUT THE AUTHOR
Priyanka Mukherjee

প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe