কদিন আগেই মোদীর ছবি কাণ্ডে শ্রীলেখা মিত্রকে ‘ছিলেখা’ বলে কটাক্ষ করেছিলেন সজল ঘোষ। এবার বিজেপি বিধায়ককে পালটা আক্রমণ বাম-মনস্ক অভিনেত্রীর। যদিও সম্পূর্ণ আলাদা একটি ইস্যুতে। একটি টিভি চ্য়ানেলের শো-তে অংশ নিয়ে সজল ঘোষ যাদবপুরের পদার্থবিদ্যার অধ্যাপক পার্থপ্রতীম রায়ের কাছে তাঁর জানতে চান, ‘আপনি কি রিসার্চ করেছেন? ল্যাবে আপনার অবদান কী?’ আর সেটা নিয়েই নিজের অসন্তোষ প্রকাশ করলেন শ্রীলেখা।

অধ্যাপক পার্থপ্রতীম রায়ের গবেষণা নিয়ে শেয়ার হওয়া একটি পোস্টের স্ক্রিনশট শেয়ার করে শ্রীলেখা লেখেন, ‘সজল ঘোষ অত্যন্ত অসভ্য একটা লোক। এঁরা নাকি জনপ্রতিনিধি,মুখের ভাষার ঠিক নেই, ওঁকে নাকি প্রমাণ দিতে হবে কি রিসার্চ করেছেন। মগের মূলক নাকি!’
‘ভুলিনি ভাইটি আমাকে নিয়েও কী বলেছিলেন। সব হিসেব হবে আর এ জন্মেই হবে। চুপ করে আছি মানে ভয় পেয়েছি এটা মনে করবেন না। অন্যায় দেখলেই বলব, যেমন এখন বললাম। বাকিদের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলবেন না।’, আরও লিখেছেন শ্রীলেখা।
অভিনেত্রীকে নিয়ে ঠিক কী বলেছিলেন সজল ঘোষ?
ককরোচ জনতা পার্টি ও বামদলগুলির ডাকে কলকাতায় ছাত্র আন্দোলনে সামিল হয়েছিলেন শ্রীলেখা। অভিনেত্রী তাঁর হাতে থাকা একটি পোস্টারের কারণে বিতর্কে জড়ান। যাতে প্রতিক্রিয়া দিয়ে সজল ঘোষ বলেছিলেন, ‘ও শ্রীলেখা নয়, ও ছিলেখা! ওটা ছিলেখা! ওটা একটা বিকৃতকাম মহিলা। ওর নারীত্ব নিয়ে প্রশ্ন থাকবে লোকের। অবস্থা খারাপ। সিনেমা তো আর চলে না। ওর সিরিয়ালও কেউ দেখে না। ওকে বয়কট করুন। বয়কট শ্রীলেখা, ছিলেখা! বয়কট।’
প্রসঙ্গত, চলতি মাসেই বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ সংশোধনী বিল ২০২৬ পাশ হয়েছে বিধানসভার বিশেষ অধিবেশনে। ‘দ্য ইউনিভার্সিটিস অ্যান্ড কলেজেস (অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড রেগুলেশন) অ্যামেন্ডমেন্ট বিল পাশ হয়েছে। শুভেন্দু জানিয়েছেন যে, শিক্ষার স্বার্থে রাজ্যের প্রাচীন ও বৃহৎ আটটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-অধ্যাপক, এবং কর্মী-আধিকারিকদের বদলি করা হবে অপেক্ষাকৃত নতুন ও ছোট বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে চলা চলমান বিতর্কের মাঝেই রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপ বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। যদিও বিজেপি সরকারের দাবি, এই বিল আসলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলি আরও সুষ্ঠ পঠনপাঠন ও গবেষণার পরিপন্থী হয়ে উঠবে।
{{/usCountry}}প্রসঙ্গত, চলতি মাসেই বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ সংশোধনী বিল ২০২৬ পাশ হয়েছে বিধানসভার বিশেষ অধিবেশনে। ‘দ্য ইউনিভার্সিটিস অ্যান্ড কলেজেস (অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড রেগুলেশন) অ্যামেন্ডমেন্ট বিল পাশ হয়েছে। শুভেন্দু জানিয়েছেন যে, শিক্ষার স্বার্থে রাজ্যের প্রাচীন ও বৃহৎ আটটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-অধ্যাপক, এবং কর্মী-আধিকারিকদের বদলি করা হবে অপেক্ষাকৃত নতুন ও ছোট বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে চলা চলমান বিতর্কের মাঝেই রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপ বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। যদিও বিজেপি সরকারের দাবি, এই বিল আসলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলি আরও সুষ্ঠ পঠনপাঠন ও গবেষণার পরিপন্থী হয়ে উঠবে।
{{/usCountry}}