আপাতত সোশ্যাল মিডিয়ায় কটাক্ষের নিশানায় অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। রঞ্জিত-কন্যা বরাবরই নিজের ক্লিন ইমেজের কারণে জনপ্রিয় ছিলেন। তবে তাল কাটে যখন ২০২৬ বিধানসভা ভোটের আগে যোগ দেন তৃণমূলে এবং তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে নির্বাচিতও হন। সেই সময় তিনি ও রঞ্জিত মল্লিক রীতিমতো পঞ্চমুখ ছিলেন মমতা ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের প্রশংসায়। কিন্তু কোয়েলের সঙ্গে ঘাসফুল দলের ব্রেকআপ হয় পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের শোচনীয় হারের পর। আর তিন মাসের মাথায় কোয়েল চলে গেলেন বিজেপিতে। সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে পদ্মদলে নাম লেখালেন অভিনেত্রী। যদিও রবিবারই জানা গিয়েছিল, রাজ্যসভায় নিজের ছেড়ে যাওয়া আসনে ওয়াপসি হচ্ছে তাঁর। ইতিমধ্যে তিনি রাজ্যসভার উপনির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র জমাও দিয়েছেন।

সোমবার কোয়েল সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেন, ‘সবার জন্য কাজ করতে চাই, সবার মঙ্গল কামনা করি।’ এখানে বলে রাখা ভালো, তৃণমূলে যোগ দিয়েও খানিকটা এই সুরই ছিল তাঁর। এবার কোয়েলকে তাঁর বলা কথাতেই বিঁধলেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র।
শ্রীলেখা ফেসবুকে লেখেন, ‘দেশের সেবা করতে চাই, etc etc… লাইনগুলো বড্ড বস্তাপচা হয়ে গিয়েছে। অন্য কিছু ভাবুন বা স্ক্রিপ্ট রাইটার বদলান’। কোয়েলকে কটাক্ষ করে পোস্ট করেছেন বং গাই ওরফে কিরণ দত্তও। তিনি লিখেছেন, ‘কোয়েল পাখি কখনোই নিজের বাসায় ডিম পাড়ে না, এতে অবাক হওয়ার কি আছে!’
প্রসঙ্গত, সোমবার সল্টলেকে বিজেপির রাজ্য দফতরে কোয়েল মল্লিকের গলায় উত্তরীয় পরিয়ে হাতে পতাকা তুলে দেন দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক শশী অগ্নিহোত্রী। বিজেপিতে যোগ দিয়েই রাজ্যের নতুন সরকারের প্রশংসায় তিনি পঞ্চমুখ। বলেন, ‘বিগত কয়েক মাসে পশ্চিমবঙ্গে উন্নয়নযাত্রা চলছে। আমরা চাই পশ্চিমবঙ্গে আরও কাজ আসুক। প্রত্যেকটা দল নিজেদের মতো ভাল কাজ করার চেষ্টা করে। কাউকে ছোট না-করে বলতে পারি আমি এমন একটা দলে যোগ দিতে পেরেছি, যারা উন্নয়নের কাজ শেষ কয়েক মাস ধরে ভাল করছে।’ সঙ্গে আরও জানান যে, বাংলার উন্নয়নে যোগ দিতেই তাঁর রাজনীতিতে আসা।
তবে কোয়েলের কথায় এত সহজে যে চিঁড়ে ভেজার না হয়, তা বোঝা যাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় চোখ রাখলেই। বরং ক্রমাগত তৃণমূলী হিসেবে পরিচিতরা বিজেপিতে বা বিজেপি-র শারিক দল হিসেবে চিহ্নিত ‘ন্যাশনালিস্ট সিটিজ়েন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া’ (এনসিপিআই)-তে যোগ দেওয়ায় কমলা দলের সমর্থদের মধ্যেই বাড়ছে ক্ষোভ।
{{/usCountry}}তবে কোয়েলের কথায় এত সহজে যে চিঁড়ে ভেজার না হয়, তা বোঝা যাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় চোখ রাখলেই। বরং ক্রমাগত তৃণমূলী হিসেবে পরিচিতরা বিজেপিতে বা বিজেপি-র শারিক দল হিসেবে চিহ্নিত ‘ন্যাশনালিস্ট সিটিজ়েন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া’ (এনসিপিআই)-তে যোগ দেওয়ায় কমলা দলের সমর্থদের মধ্যেই বাড়ছে ক্ষোভ।
{{/usCountry}}