...
...
Next Story

Sreelekha Mitra: ‘খারাপ সময় আপনারা লাথি মারেন…’! মোদী-কাণ্ডে টলিউডের কটাক্ষ, লম্বা জবাব শ্রীলেখার

বরাবরই বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন শ্রীলেখা মিত্র। বাংলার আগের সরকার অর্থাৎ তৃণমূল কংগ্রেসের বিরাগভাজন হয়েছিলেন একাধিক ইস্যুতে। আর এবার বিজেপি-র নেতাদেরও রোষানলে তিনি, দেশের প্রধানমন্ত্রী মোদীর একটি পোস্টারকে ঘিরে। এমনকী, টলিপাড়াও তাঁর বিপক্ষে মুখ খুলেছে।

Published on: Aug 4, 2026, 10:37:02 IST
Advertisement

বিগত মাসে বড় বিতর্কের মুখে পড়েন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। দিল্লিতে ছাত্র আন্দোলনে লাঠি চালানোর ঘটনার প্রতিবাদে কলকাতার মিছিলে পা মিলিয়েছিলেন তিনি। আর সেখানে তাঁর হাতে থাকা একটি পোস্টারেরছবি সামনে আসে। যেখানে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর একটি বিকৃত কার্টুন ব্যবহার করা হয়েছিল। আর তাতেই অভিনেত্রীর নামে সমালোচনায় মুখর হন বাংলার বড় একাংশের মানুষ। এমনকী, তাঁর নামে ৩০টিরও বেশি থানায় জমা পড়ে এফআইআর। গ্রেফতারের দাবি তোলে বিজেপি। এমনকী, শ্রীলেখার বাড়ির সামনে তাঁকে ধিক্কার জানাতেও পৌঁছয় শাসক দলের অনুরাগীরা।

কটাক্ষে জবাব শ্রীলেখার।
কটাক্ষে জবাব শ্রীলেখার।

তবে শ্রীলেখাকে আক্রমণ শুধু আসেনি বিজেপি-র থেকে। এমনকী, টলিউডের বড় বড় তারকারাও অভিনেত্রীর সমালোচনা করেন। প্রায় সকলেরই বক্তব্য, ‘প্রতিবাদের ভাষা শালীনতার মাত্রা না ছড়ানোই ভালো’। রত্না ঘোষাল দাবি তোলেন, ‘মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছে’। শ্রীলেখার বিরুদ্ধে মুখ খোলেন কনীনিকা, মমতা শঙ্করের মতো তারকারা।

এবার টলিউডের তারকাদের তাঁর বিরুদ্ধে মুখ খোলা নিয়ে লম্বা পোস্ট এল শ্রীলেখার থেকে। লিখলেন, ‘একজন অভিনেত্রী যখন বলেন, 'শিক্ষিত হওয়া ভালো, অতিশিক্ষিত হওয়া ভালো নয়', তখন ধরে নিচ্ছি তিনি স্বীকার করছেন যে কিছু ক্ষেত্রে আমি তাঁদের চেয়ে বেশি শিক্ষা, অভিজ্ঞতা, বোধ বা চেতনার পরিচয় দিয়েছি। শিক্ষিত হওয়া মানে শুধু ডিগ্রি নয়। শিক্ষা মানে এক্সপোজার, প্রশ্ন করার ক্ষমতা, মানবিকতা, চেতনা এবং বিবেক। সেই জায়গায় আমার অবস্থান আলাদা— এটাই যদি আমার অপরাধ হয়, তবে সেই দায় আমি নিলাম।’

এরপর রত্না ঘোষালের উদ্দেশে শ্রীলেখার জবাব, ‘ঘোষাল মহাশয়া বলেছেন, আমার মাথা নাকি খারাপ হয়ে গেছে। হ্যাঁ, সত্যিই আমার মাথা খারাপ হয়ে যায়, যখন দেখি প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো ঘটনায় অসংখ্য ছাত্রছাত্রীর স্বপ্ন ভেঙে যায়, কেউ কেউ চরম হতাশায় আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। এমন ঘটনা আমাকে নাড়া দেয়। যদি অন্যায় দেখে প্রতিবাদ করাকে মাথা খারাপ বলা হয়, তাহলে সেই অভিযোগ আমি মেনে নিলাম।’

অভিনেত্রী জানিয়েছিলেন এই ফোটো যখন তোলা তখন পুলিশ লাঠিচার্জ শুরু করে দিয়েছিল। এই সময় তাঁর সঙ্গে ছবি তুলতে আসে কিছু ছেলে। তাঁদের হাতে থাকা একটি পোস্টার ধরেই তিনি পোজ দিয়েছেন। তাড়াহুড়োয় সেই পোস্টারে থাকা মোদীর ফোটো দেখেননি। সঙ্গে তাঁর দাবি, যেহেতু চশমা ছিল না চোখে, সানগ্লাস পরে গিয়েছিলেন, তাই ভালো করে দেখতেও পারেননি।

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe