কাঞ্চন মল্লিকের জন্মদিন বা কোনো পারিবারিক উৎসব মানেই এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় চর্চার কেন্দ্রবিন্দু। তবে এবারের বিতর্ক শ্রীময়ী চট্টরাজের দ্বিতীয়বার মা হওয়া নিয়ে। সম্প্রতি বেশ কিছু সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল, কৃষভির পর আবারও নতুন অতিথি আসতে চলেছে এই তারকা পরিবারে। সেই জল্পনা হেসেই ওড়ালেন শ্রীময়ী। বরং যারা এই খবর রটাচ্ছেন, তাঁদের ‘অশিক্ষিত’ বলতেও ছাড়লেন না তিনি।

সি-সেকশন ও হিলিং প্রসেস নিয়ে শিক্ষা:
শ্রীময়ী এদিন বেশ যুক্তি দিয়েই নিন্দুকদের মুখ বন্ধ করেছেন। তিনি জানান, ‘একটা সি-সেকশন হওয়ার পর আরেকটা বাচ্চা নেওয়ার জন্য ন্যূনতম একটা গ্যাপ লাগে। আমার মেয়ের বয়স মাত্র ১৭ মাস। শারীরিক হিলিং প্রসেস আর হরমোন্যাল ইমব্যালেন্স কাটিয়ে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতেও অন্তত ২ বছর সময় লাগে। যারা এই খবর করছে, তারা বোধহয় পড়াশোনা করেনি।’
পুতুল নিয়েও প্রেগন্যান্সি রটনা:
গুজবের সূত্রপাত হয়েছিল একটি পুতুলকে কেন্দ্র করে। শ্রীময়ী বলেন, ‘আমার বোন মেয়েকে একটা পুতুল দিয়েছিল, সেটা নিয়ে লেখা হলো— কাঞ্চনের পরিবারে খুশির ছোঁয়া! আরে খুশির ছোঁয়া হলে তো সবাইকে জানাব, এটা তো আর লুকিয়ে রাখা যায় না। আর আমার বাচ্চা হচ্ছে কি হচ্ছে না, সেটা নিয়ে লোকে হঠাৎ এত উতলা কেন হয়ে পড়ল জানি না।’
কেরিয়ারে মন দিতে চান শ্রীময়ী:
বর্তমানে নিজের কাজ নিয়ে অত্যন্ত ব্যস্ত অভিনেত্রী। শ্রীময়ীর কথায়, ‘আমি এখন নিজে রমরমিয়ে কাজ করছি। এই অবস্থায় দ্বিতীয় সন্তানের কথা ভাবছি না।’ তাঁর মতে, না জেনে যারা এমন সাংবাদিকতা করেন, তাঁরা সম্পূর্ণ মূর্খের মতো কথা বলছেন।
{{/usCountry}}বর্তমানে নিজের কাজ নিয়ে অত্যন্ত ব্যস্ত অভিনেত্রী। শ্রীময়ীর কথায়, ‘আমি এখন নিজে রমরমিয়ে কাজ করছি। এই অবস্থায় দ্বিতীয় সন্তানের কথা ভাবছি না।’ তাঁর মতে, না জেনে যারা এমন সাংবাদিকতা করেন, তাঁরা সম্পূর্ণ মূর্খের মতো কথা বলছেন।
{{/usCountry}}কাঞ্চনের সঙ্গে ভোট দিতে গিয়ে যে ছবি তুলেছিলেন শ্রীময়ী। সেখানে তাঁর ঢিলেঢালা পোশাক দেখে শুরু হয় প্রেগন্যান্সি জল্পনা। যা সপাটে খারিজ করলেন অভিনেত্রী। যদিও কৃষভির জন্মের আগে পর্যন্ত প্রেগন্যান্সি নিয়ে কোনওরকম খবর ফাঁস করেননি কাঞ্চন-শ্রীময়ী। এমনকী ডেলিভারির সকালেও সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন তাঁর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর ভুয়ো।
মধ্যরাতে সেলিব্রেশন:
সব বিতর্কের মাঝেই কাঞ্চনের জন্মদিনের রাতটি ছিল উদযাপনের। মেয়ে কৃষভিকে কোলে নিয়ে কেক কাটতে দেখা গেল কাঞ্চনকে। পাশে হাসিমুখে বসে ছিলেন শ্রীময়ী। ব্যক্তিগত জীবনের আক্রমণকে পাত্তা না দিয়ে যে তাঁরা নিজেদের শর্তে বাঁচছেন, সেই বার্তাই দিলেন এই দম্পতি।