...
...
Next Story

Sreemoyee: একরত্তি মেয়ে কোলে ‘দ্বিতীয় সন্তান চাননি’ শ্রীময়ী, এমন ‘ভুয়ো’ খবরে চটলেন কাঞ্চনের বউ!

তিন থেকে চার হয়েছেন কাঞ্চন-শ্রীময়ী। মেয়ের বয়স দু-বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই দ্বিতীয় সন্তান এসেছে কোলে। সেই নিয়ে কম কটাক্ষ শুনতে হচ্ছে না তাঁদের। এবার ধৈর্য্যের বাঁধ ভাঙল কাঞ্চন ঘরণীর।

Published on: Jul 28, 2026, 16:00:34 IST
Advertisement

সদ্য দ্বিতীয়বারের জন্য বাবা-মা হয়েছেন অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক এবং তাঁর স্ত্রী তথা অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টোরাজ। প্রথম সন্তান কৃষভির পর এই দম্পতির জীবনে এসেছে এক একরত্তি পুঁচকে ছেলে। নাম রেখেছেন কৃশিব। কিন্তু ঘরের এই আনন্দঘন পরিবেশের মাঝেই চরম তিক্ততার মুখোমুখি হতে হলো কাঞ্চন-পত্নীকে। অসময়বয়সী এই দম্পতির ব্যক্তিগত জীবন শুরু থেকেই থেকেছে বিতর্কের কেন্দ্রে। দ্বিতীয় সন্তানের আগমনকে কেন্দ্র করে এক নামী সংবাদমাধ্যমের চটকদার এবং এক্কেবারে বিভ্রান্তিকর শিরোনাম দেখে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন শ্রীময়ী। সোশাল মিডিয়ায় দীর্ঘ পোস্ট করে তথাকথিত 'হলুদ সাংবাদিকতা'র বিরুদ্ধে সোচ্চার হলেন নতুন মা।

কৃষভির বয়স সবে ১৯ মাস! ‘দ্বিতীয় সন্তান চাননি’ শ্রীময়ী, এমন ভুয়ো খবরে চটলেন কাঞ্চনের বউ
কৃষভির বয়স সবে ১৯ মাস! ‘দ্বিতীয় সন্তান চাননি’ শ্রীময়ী, এমন ভুয়ো খবরে চটলেন কাঞ্চনের বউ

'কৃষভি ছোট, এখনই সন্তান চাননি শ্রীময়ী...'— কী লিখেছিল সংবাদমাধ্যম?

সম্প্রতি একটি খবর ছড়িয়ে পড়ে সোশাল মিডিয়ায়, যেখানে কাঞ্চন, শ্রীময়ী ও তাঁদের প্রথম সন্তান কৃষভির ছবি কোলাজ করে বড় বড় হরফে লেখা হয়: 'কৃষভি ছোট, এখনই সন্তান চাননি শ্রীময়ী, 'ঈশ্বরের দান' কোল পেতে নেওয়ার কথা বলে মনের জোর দেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, ছেলে জন্মের পর যা লিখলেন কাঞ্চন পত্নী...'।

এক্কেবারে নিজের মতো করে একটি মনগড়া এবং বিভ্রান্তিকর বাক্যকে শিরোনাম বানিয়ে দেওয়া দেখেই ধৈর্য্য হারান শ্রীময়ী। নতুন মায়ের স্পষ্ট দাবি, রিচ বা ভিউ পাওয়ার লোভে তারকাদের মুখ দিয়ে না বলা কথাকে সোজা হেডলাইন বানিয়ে দেওয়া চরম নিম্নমানের মানসিকতা ছাড়া আর কিছুই নয়।

'একটু টাকার জন্য কি মনুষ্যত্বও বিক্রি?' শ্রীময়ীর তোপ

সোশাল পেজে নিজের অসন্তোষ প্রকাশ করে শ্রীময়ী চাঁছাছোলা ভাষায় সংবাদমাধ্যমের একাংশকে একহাত নিয়েছেন। কী কী অভিযোগ তাঁর?

ট্রোলারদের তোষণ বন্ধের দাবি: নেটিজেনদের একাংশের অভদ্র ও কটূ মন্তব্যকে প্রাধান্য দিয়ে নেতিবাচক খবরের সস্তা কনটেন্ট বানানো বন্ধ করা উচিত।

মনুষ্যত্বের পাঠ: পরিবারে একটি নবজাতকের আগমন ঘটেছে। যদি তাঁদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাতে না-ও পারা যায়, অন্তত ওনাদের পরিবারকে নিয়ে এই ধরনের কুৎসিত মিথ্যাচার বন্ধ হোক। দেশ-দুনিয়ায় এত ঘটনা ঘটছে, সে সব নিয়ে সাংবাদিকতা করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

আনন্দ-উচ্ছ্বাসের মাঝে ক্ষোভের মেঘ

শ্রীময়ী অবশ্য স্পষ্ট করেছেন, বহু সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিক বন্ধু ওনাদের এই আনন্দের দিনে সুন্দর লেখা ও ব্যক্তিগতভাবে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, যার জন্য তিনি কৃতজ্ঞ। তবে কিছু মিডিয়া হাউসের সস্তা ক্লিকবেট হেডলাইনের চক্করে মনুষ্যত্ব ভুলে যাওয়ার মানসিকতা তাঁকে ব্যথিত করেছে। শ্রীময়ীর সোজাসাপটা বার্তা, সামান্য কিছু টাকার বিনিময়ে দয়া করে নিজেদের মনুষ্যত্ব বিক্রি করে দেবেন না!

কিন্তু শ্রীময়ীর কোন পোস্ট থেকে শুরু এই বিভ্রান্তির?

দ্বিতীয় সন্তানের আগমনের পর মাতৃত্বের অনুভূতি ও ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তকে নিয়ে একটি লম্বা পোস্ট লিখেছিলেন শ্রীময়ী। সেখানে অভিনেত্রী লেখেন- ‘আমি যখন আমার দ্বিতীয় প্রেগনেন্সির কথা জানতে পেরেছিলাম, আমি সবার প্রথম কাঞ্চন, এবং আমার মা বাবা ছাড়াও যে মানুষটিকে ফোন করেছিলাম, তিনি হলেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। খবরটা তো খুবই আনন্দের, কিন্তু একটাতো টেনশন,ভয় কাজ করছিল যে জার্নিটা smooth (স্মুথ) হবে তো, যেহেতু কৃষভি অনেকটাই ছোট, তাই দোনামনায় ভুগছিলাম কি করা উচিত, ঋতুদি আমার খবরটা শুনে বলল, একদম অন্য কোন কথা না ভেবে যে পৃথিবীতে আসছে তাকে আমন্ত্রণ জানা, মানুষ মাথা ঠুকে সন্তান পায় না, তোকে ঈশ্বর না চাইতেই দিয়েছে, একদম কোন নেগেটিভ চিন্তা করবি না ,মুখেও আনবি না’।

শ্রীময়ীর এই পোস্ট ঘিরেই যাবতীয় কনফিউশন। নিজের এই ভাবনার মাধ্যমে তাহলে ঠিক কী বোঝাতে চেয়েছিলেন কাঞ্চন-পত্নী?

 
ABOUT THE AUTHOR
Priyanka Mukherjee

প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe