'জিৎদা আমার দুর্বলতা...'মোহনার থেকে ক্ষমা চেয়ে আর কী বললেন শ্রীময়ী?

১৪ অগস্ট বড় পর্দায় মুক্তি পেয়েছে কেউ বলে বিপ্লবী কেউ বলে ডাকাত ছবিটি। বহুদিন পর বড় পর্দায় জিতের উপস্থিতি দর্শকদের একটা আলাদাই আনন্দ দিয়েছে। এই ছবিতে বিপ্লবী অনন্ত সিংহের চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিনেতা।

Published on: Aug 15, 2026, 20:15:36 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

১৪ অগস্ট বড় পর্দায় মুক্তি পেয়েছে ‘কেউ বলে বিপ্লবী কেউ বলে ডাকাত’ ছবিটি। বহুদিন পর বড় পর্দায় জিতের উপস্থিতি দর্শকদের একটা আলাদাই আনন্দ দিয়েছে। এই ছবিতে বিপ্লবী অনন্ত সিংহের চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিনেতা। তবে শুধুমাত্র একটি লুক নয়, গোটা ছবিতে ৯টি লুক ক্রিয়েট করা হয়েছে। প্রায় দুই বছর পর বড় পর্দায় একদম অন্যরকম একটি গল্প নিয়ে এসেছেন জিৎ।

মোহনার থেকে ক্ষমা চেয়ে আর কী বললেন শ্রীময়ী?
মোহনার থেকে ক্ষমা চেয়ে আর কী বললেন শ্রীময়ী?

‘কেউ বলে বিপ্লবী কেউ বলে ডাকাত’ ছবির প্রিমিয়ারে উপস্থিত ছিলেন টলিউডের একাধিক নামি দামি তারকারা। সপরিবারে উপস্থিত ছিলেন জিৎ। বন্ধুকে সাপোর্ট করার জন্য এসেছিলেন কোয়েল। এসেছিলেন কাঞ্চন এবং শ্রীময়ী।

আরও পড়ুন: আবার লালবাজারে অনির্বাণ, নতুন গল্প নিয়ে আসছে ৬ বছরের পুরনো চরিত্র

ছবির প্রিমিয়ারে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জিৎ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে শ্রীময়ী বলেন, ‘জিৎদা আমার ছোটবেলার ক্রাশ। এটা আমি আগেও বলেছি। আমি ভীষণ ভালবাসি জিৎদাকে। আমি আগেই মোহনাদির থেকে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। কিন্তু জিৎদাকে আমি ভীষণ ভালোবাসি।’

অভিনেত্রী বলেন, ‘ক্রাশ থাকতেই পারে। কাউকে ভালো লাগতেই পারে। তবে হ্যাঁ গোলাপ ফুল আর গাঁদা ফুলের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে হবে। গোলাপ ফুল সুন্দর হলেও তার মধ্যে কাটা আছে। জিৎদা তাই গোলাপ ফুল, আর কাঞ্চন আমার গোলাপ ফুল, সারা বছরই আমার লাগে।’

প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই মা হয়েছেন শ্রীময়ী। একদিকে ২১ মাসের বড় সন্তান অন্যদিকে ২১ দিনের ছোট সন্তান, সবমিলিয়ে এখন বেজায় ব্যস্ত অভিনেত্রী। কিন্তু শত ব্যস্ততার মধ্যেও তিনি একেবারেই মিস করেননি জিতের এই কাম ব্যাক ছবি দেখতে।

আরও পড়ুন: রূপঙ্করের হাত ধরে হবে স্বপ্ন পূরণ, বড় সুযোগ এল শোভনের কাছে

কেউ বলে বিপ্লবী কেউ বলে ডাকাত প্রসঙ্গে

ট্রেলারের প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত ছিল একের পর একটা চমক। জিৎ অভিনীত অনন্ত চরিত্রের এমন অনেক দিক তিনি তুলে ধরেছেন যা এতদিন কেউ জানত না। শুধুমাত্র একজন বিপ্লবী হিসেবে নয়, একজন দায়িত্ববান ভারতীয় হিসেবেও কতটা সঠিক ছিলেন অনন্ত তা জানা গিয়েছে এই ছবিতে।

ভারতের স্বাধীনতা ইতিহাসের এমন একটি পর্যায়, যা এতদিন অনেকেই জানতেন না। তবে শুধুমাত্র একজন বিপ্লবী হিসেবে তিনি লড়াই করেননি অনন্ত লড়াই করেছিলেন আগামী প্রজন্মের সুরক্ষিত ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে। অনন্তর এই লড়াইয়ে পাশে ছিলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু থেকে শুরু করে সকলে।

ট্রেলারে কৌশিক সেন থেকে শুরু করে চন্দন সেন প্রত্যেকে নিজেদের চরিত্রে যথাযথ। প্রিয়াঙ্কাও ভীষণ সাবলীল। টোটা পুলিশের চরিত্রে অসাধারণ। জিৎকে নিয়ে আলাদা করে বলার কিছুই নেই। প্রত্যেক লুকেই তিনি অনবদ্য। ছবির বক্স অফিস বলছে, প্রথম দিনেই বেশ ভালো ফলাফল করেছে এই সিনেমাটি।