সদ্য দ্বিতীয়বার মা হয়েছেন শ্রীময়ী চট্টোরাজ। এদিকে প্রথম সন্তান অর্থাৎ মেয়ে কৃষভিও বড্ড ছোট। বয়স মাত্র তার ২০ মাস। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিয়ো পোস্ট করে পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশন নিয়ে কথা বললেন কাঞ্চন-পত্নী। এমনকী নিজের অভিজ্ঞতাও ভাগ করে নিলেন। জানালেন এই সময়ে কীভাবে বউয়ের যত্ন নিয়েছেন কাঞ্চন। সঙ্গে নিজের সকল অনুরাগীর কাছে আবেদন করেন, তাঁদের বাড়িতে যদি কোনো নতুন মা থাকে, তাহলে বাচ্চার সঙ্গে সঙ্গে যেন সেই মায়ের শরীর ও মনের খোঁজ রাখে পরিবার।

ভিডিয়োবার্তায় শ্রীময়ীকে বলতে শোনা যায়, ‘পোস্টপর্টেম ডিপ্রেশন খুব কমন জিনিস। কারণ হরমোনাল ইমব্য়ালেন্স। হরমোনগুলো সব ঘেঁটে যায়। আমারও হচ্ছিল আসার পর (কৃষিভের ডেলিভারির পর হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরে) থেকে। আমি এমনিতে খুব কম কাঁদি, আমার ওভাবে মন খারাপও হয় না। আমার ওপর দিয়ে আয়লা, আমফানের মতো অনেক ঝড় বয়ে গিয়েছে। কিন্তু কিছুতেই আমি নিজেকে দুর্বল করি না… আজকে আমার দুটো বেবি হয়েছে। ডেলিভারির পরপর আমার শুধু কান্না পেত, মুড সুইং হত। মেয়েরবেলায় বেশি হত। ছেলেরবেলায় কম হয়েছে। কারণ আমার মেয়ে আছে। ও মন খারাপ করার বেশি সুযোগই দেয় না! তবে এই সময় যা বেশি সাপোর্ট করতে পারে তা হল তোমার পরিবার, তার থেকেও বেশি তোমার স্বামী। কাঞ্চন যেমন কোনো কিছু জোর করে আমার উপর চাপিয়ে দেয় না। আমি বরং একটু পজেসিভ। বেবি নেওয়ার ক্ষেত্রেও ও আমাকে বলেছিল, বিয়ে হয়েছে মাত্র ২৭ বছর, তুই কি তৈরি? যদি মনে হয় তুই সবে বিয়ে করেছিস, এটা আনন্দ করার সময়, তাহলে নিবি না। ছেলের বেলায়ও বলেছিল ভেবে দেখ, তোর শরীর।’
শ্রীময়ী আরও জানান যে, আতুরের কারণে নিজেকে ঘরবন্দি করে রাখেননি তিনি। কারণ ভগবানে বিশ্বাস করলেও, কুসংস্কারে কান দিতে রাজি নন। এমনকী, কাঞ্চনও এই ব্যাপারে শ্রীময়ীর সঙ্গে সহমত। দ্বিতীয় সন্তানের জন্মের পর যখন খুব মনখারাপ হয়েছিল, বাড়ির বাইরে নিয়ে গিয়েছিলেন কাঞ্চনই। অভিনেত্রী বলেন, ‘আমরা এর মধ্য়ে বেরিয়েছি, কফি কেতে গেছিলাম। টুকটাক কেনাকাটার জন্য বেরতেও হচ্ছে। তবে হ্যাঁ আমি বাইরে থেকে এসে নিজেকে স্যানটাইজ করছি, স্নান করছি। বাচ্চার ঘরে আমি কাওকে অ্যালাও করছি না। আমার মেয়ে খুব কম যায় ওই ঘরে। গেলেও ওর হাত স্যানিটাইজ করে দিই। সাবধান হতে হচ্ছে যাতে কোনোরকম সংক্রমণ না ছড়ায়।’
{{/usCountry}}শ্রীময়ী আরও জানান যে, আতুরের কারণে নিজেকে ঘরবন্দি করে রাখেননি তিনি। কারণ ভগবানে বিশ্বাস করলেও, কুসংস্কারে কান দিতে রাজি নন। এমনকী, কাঞ্চনও এই ব্যাপারে শ্রীময়ীর সঙ্গে সহমত। দ্বিতীয় সন্তানের জন্মের পর যখন খুব মনখারাপ হয়েছিল, বাড়ির বাইরে নিয়ে গিয়েছিলেন কাঞ্চনই। অভিনেত্রী বলেন, ‘আমরা এর মধ্য়ে বেরিয়েছি, কফি কেতে গেছিলাম। টুকটাক কেনাকাটার জন্য বেরতেও হচ্ছে। তবে হ্যাঁ আমি বাইরে থেকে এসে নিজেকে স্যানটাইজ করছি, স্নান করছি। বাচ্চার ঘরে আমি কাওকে অ্যালাও করছি না। আমার মেয়ে খুব কম যায় ওই ঘরে। গেলেও ওর হাত স্যানিটাইজ করে দিই। সাবধান হতে হচ্ছে যাতে কোনোরকম সংক্রমণ না ছড়ায়।’
{{/usCountry}}সঙ্গে শ্রীময়ীর অনুরোধ, যেই নতুন মায়েরা সন্তানের জন্ম দিয়েছেন সদ্য, তাঁদের যেন আরও একটু বেশি যত্ন রাখে পরিবার। তাঁদের শরীর ও মনের যত্ন নেয়। বলেন, ‘আমি বলব যারা শাশুড়ি তাঁরা বউমাদের প্রতি, মায়েরা নিজের মেয়েদের প্রতিও একটু বেশি যত্ন রাখবেন। কারণ সদ্যোজাত সন্তানের কখন কী প্রয়োজন তা বোঝাও একজন মায়ের জন্য খুব মুশকিলের। আমি দ্বিতীয়বার মা হয়েও কখনো কখনো কিছু বুঝতে পারছি না।’
আর নিজের এই ভিডিয়োটি পোস্ট করে শ্রীময়ী ক্যাপশনে লিখলেন, ‘আমার মুখটা ইগনোর করুন,কারণ একজন নতুন মায়ের চোখেমুখে ক্লান্তি থাকবেই। এটাই মাতৃত্ব। বাট কথাগুলো শুনলে তোমাদের ভালো লাগবে। পোস্ট পার্টেম ডিপ্রেশন হলে আমি কী কী করি সেটাই ভাগ করে নিলাম তোমাদের সঙ্গে।’