...
...
Next Story

Sreemoyee On Postpartum Depression: বিয়ের দুই বছরে ২ সন্তান! ‘আমি কাঁদতাম…’, পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশন নিয়ে সরব শ্রীময়ী

পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশন বা প্রসবোত্তর বিষন্নতা নিয়ে কথা বলেছেন। কদিন আগে এই নিয়ে মুখ খুলেছিলেন শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। এবার নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিলেন কাঞ্চন-পত্নী শ্রীময়ী চট্টোরাজও। সম্প্রতিই দ্বিতীয়বার মা হয়েছেন অভিনেত্রী।

Published on: Aug 10, 2026, 08:30:29 IST
Advertisement

সদ্য দ্বিতীয়বার মা হয়েছেন শ্রীময়ী চট্টোরাজ। এদিকে প্রথম সন্তান অর্থাৎ মেয়ে কৃষভিও বড্ড ছোট। বয়স মাত্র তার ২০ মাস। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিয়ো পোস্ট করে পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশন নিয়ে কথা বললেন কাঞ্চন-পত্নী। এমনকী নিজের অভিজ্ঞতাও ভাগ করে নিলেন। জানালেন এই সময়ে কীভাবে বউয়ের যত্ন নিয়েছেন কাঞ্চন। সঙ্গে নিজের সকল অনুরাগীর কাছে আবেদন করেন, তাঁদের বাড়িতে যদি কোনো নতুন মা থাকে, তাহলে বাচ্চার সঙ্গে সঙ্গে যেন সেই মায়ের শরীর ও মনের খোঁজ রাখে পরিবার।

পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশন খোলামেলা কথা বললেন শ্রীময়ী চট্টোরাজ।
পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশন খোলামেলা কথা বললেন শ্রীময়ী চট্টোরাজ।

ভিডিয়োবার্তায় শ্রীময়ীকে বলতে শোনা যায়, ‘পোস্টপর্টেম ডিপ্রেশন খুব কমন জিনিস। কারণ হরমোনাল ইমব্য়ালেন্স। হরমোনগুলো সব ঘেঁটে যায়। আমারও হচ্ছিল আসার পর (কৃষিভের ডেলিভারির পর হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরে) থেকে। আমি এমনিতে খুব কম কাঁদি, আমার ওভাবে মন খারাপও হয় না। আমার ওপর দিয়ে আয়লা, আমফানের মতো অনেক ঝড় বয়ে গিয়েছে। কিন্তু কিছুতেই আমি নিজেকে দুর্বল করি না… আজকে আমার দুটো বেবি হয়েছে। ডেলিভারির পরপর আমার শুধু কান্না পেত, মুড সুইং হত। মেয়েরবেলায় বেশি হত। ছেলেরবেলায় কম হয়েছে। কারণ আমার মেয়ে আছে। ও মন খারাপ করার বেশি সুযোগই দেয় না! তবে এই সময় যা বেশি সাপোর্ট করতে পারে তা হল তোমার পরিবার, তার থেকেও বেশি তোমার স্বামী। কাঞ্চন যেমন কোনো কিছু জোর করে আমার উপর চাপিয়ে দেয় না। আমি বরং একটু পজেসিভ। বেবি নেওয়ার ক্ষেত্রেও ও আমাকে বলেছিল, বিয়ে হয়েছে মাত্র ২৭ বছর, তুই কি তৈরি? যদি মনে হয় তুই সবে বিয়ে করেছিস, এটা আনন্দ করার সময়, তাহলে নিবি না। ছেলের বেলায়ও বলেছিল ভেবে দেখ, তোর শরীর।’

সঙ্গে শ্রীময়ীর অনুরোধ, যেই নতুন মায়েরা সন্তানের জন্ম দিয়েছেন সদ্য, তাঁদের যেন আরও একটু বেশি যত্ন রাখে পরিবার। তাঁদের শরীর ও মনের যত্ন নেয়। বলেন, ‘আমি বলব যারা শাশুড়ি তাঁরা বউমাদের প্রতি, মায়েরা নিজের মেয়েদের প্রতিও একটু বেশি যত্ন রাখবেন। কারণ সদ্যোজাত সন্তানের কখন কী প্রয়োজন তা বোঝাও একজন মায়ের জন্য খুব মুশকিলের। আমি দ্বিতীয়বার মা হয়েও কখনো কখনো কিছু বুঝতে পারছি না।’

আর নিজের এই ভিডিয়োটি পোস্ট করে শ্রীময়ী ক্যাপশনে লিখলেন, ‘আমার মুখটা ইগনোর করুন,কারণ একজন নতুন মায়ের চোখেমুখে ক্লান্তি থাকবেই। এটাই মাতৃত্ব। বাট কথাগুলো শুনলে তোমাদের ভালো লাগবে। পোস্ট পার্টেম ডিপ্রেশন হলে আমি কী কী করি সেটাই ভাগ করে নিলাম তোমাদের সঙ্গে।’

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe