...
...
Next Story

Sreemoyee on Troll: ‘কাঞ্চনের গোপনাঙ্গর কথা চিন্তা করে…’! বরকে ‘৫৭ বছরের বুড়ো’ কটাক্ষ, কড়া জবাব শ্রীময়ীর

২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে আইনি বিয়ে করেন কাঞ্চন মল্লিক ও শ্রীময়ী চট্টোরাজ। বর্তমানে তাঁরা দুই সন্তানের মা-বাবা। বয়স নিয়ে হামেশাই ট্রোলের মুখে পড়তে হয় অভিনেতাকে। যা নিয়ে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন শ্রীময়ী।

Published on: Aug 9, 2026, 11:32:07 IST
Advertisement

২০২৬ সালের জুলাই মাসে দ্বিতীয়বার মা-বাবা হয়েছেন কাঞ্চন মল্লিক ও শ্রীময়ী চট্টোরাজ। যেখানে বেশিরভাগই দম্পতিকে শুভেচ্ছায় ভরিয়েছেন, সেখানে নেটপাড়ার একাংশকে কটাক্ষ করতে দেখা গিয়েছে অভিনেতার বয়স নিয়ে। এমনকী, অশ্লীল কিছু মন্তব্যও ভেসে এসেছে কৃষিভ-কৃষভি-র বাবাকে ঘিরে।

কাঞ্চন মল্লিকের বয়স নিয়ে কটাক্ষ, পলটা জবাব শ্রীময়ীর।
কাঞ্চন মল্লিকের বয়স নিয়ে কটাক্ষ, পলটা জবাব শ্রীময়ীর।

আর বরাবরই বরকে নিয়ে ট্রোলারদের মোক্ষম জবাব দিয়েছেন শ্রীময়ী। আর এবারেও পিছু পা হলেন না। নিজের দেওয়া এক সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারের ক্লিপিংস শেয়ার করে যাকে বলে ধুয়ে দিলেন কটাক্ষকারীদের। শ্রীময়ী লিখেছেন, ‘গদাই হবার পর থেকে, কিছু কিছু অমানুষ, তাদের মধ্যে মহিলার শতাংশ বেশি,যারা মহিলা নামে কলঙ্ক, মহিলা বলতে লজ্জা লাগে যাদের, এতই ভালো তাদের রুচিবোধ, যে কাঞ্চনের বয়স নিয়ে এত চিন্তিত, মনে হচ্ছিল কাঞ্চনের মা কাঞ্চনের জন্ম দেওয়ার সময়, বার্থ সার্টিফিকেট এদের হাতে তুলে দিয়ে গিয়েছিল, তাই কাঞ্চনের‌ বয়স ৫৭ নাকি ৬৭, নাকি ১০৭, তার থেকেও তারা অধিক চিন্তিত কাঞ্চন এই বয়সে কি করে বাবা হওয়ার ক্ষমতা রাখছে!’

‘এমনকী এই সমস্ত মহিলারা কাঞ্চনের সাইজ থেকে ডিউরেশন পর্যন্ত ফ্যান্টাসাইজ করতে নেমে গিয়েছে। তাই কাঞ্চনের কীসের জোর আছে কি নেই, এই বিষয়ে আপনাদের অধিক চিন্তিত হতে দেখে, আমার করুণা হল, ভয় হল পাছে আপনারা না মারা যান কাঞ্চনের গোপনাঙ্গর কথা চিন্তা করতে করতে’, আরও লেখেন শ্রীময়ী।

শ্রীময়ীর পোস্ট।

শ্রীময়ীর এই পোস্টে সহমত পোষণ করলেন কাঞ্চন-শ্রীময়ীর অনুরাগীরা। একজন লিখেছেন, ‘একদম ঠিক বলেছ। আজকাল মানুষ খুব নোংরা কথা বলতে ভালোবাসে। তোমাদের জীবন তোমরা খুব আনন্দ করে কাটাও। কে কী বলল তাতে কিছুই যায় আসে না’। আবার অনেকেই শ্রীময়ীর ভাষা নির্বাচনের সমালোচনা করেছেন। একটি কমেন্টে লেখা হয়, ‘আহা কি উচ্চ শিক্ষা, আহা কোনো কথা হবে না’! আবার আরেকজন লেখেন, ‘এটাকে স্পষ্ট বক্তা বলে না, নির্লজ্জতা বলে’।

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe